ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঢাকায় পুরোহিতের ওপর নৃশংস হামলা, মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন সুভাষ দেউরী
মুক্তিপণের জন্য অপহরণের পর একে একে শিশুহত্যা, ফিরিয়ে এনেছে নব্বই দশকের আতঙ্ক
মা-বোনসহ ঢাবি ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে ঘাতকের মৃত্যু
মধুপুরে মাদ্রাসায় ফের ছাত্রকে যৌন নির্যাতন
পাঁচ বছর বয়সি মেয়েশিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ময়মনসিংহের ত্রিশালে এক মসজিদের ইমামকে ব্যাপক ধোলাই
মসজিদের ভেতরে মেয়েশিশুকে ধর্ষণ, নগ্ন অবস্থায় হাতেনাতে ইমাম আটক
সাভারে মাদ্রাসার টয়লেট থেকে পাকিস্তানে তৈরি রিভলবার-গুলি উদ্ধার
সুন্দরবনের দস্যু তৎপরতা দমনে যৌথ অভিযান শুরু
সুন্দরবনের দস্যু তৎপরতা দমনে বিশেষ যৌথ অভিযান শুরু করেছে কোস্টগার্ড। বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকালে কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড সর্বদা সক্রিয় এবং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দস্যুতা দমনে কোস্টগার্ড নিয়মিত যৌথ অভিযান এবং গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে।
বিগত দেড় বছর ধরে কোস্টগার্ডের ধারাবাহিক অভিযানে সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত করিম-শরীফ, নানা ভাই, ছোট সুমন, আলিফ ও আসাবুর বাহিনীর মোট ৬১ জন সদস্যকে আটক করা হয়েছে। অভিযানগুলোতে ৮০টি বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৯৯ রাউন্ড তাজা গোলা, ৩০৮ রাউন্ড ফাঁকা গোলা ও ১ হাজার ৯৫০ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি জব্দ করা হয়েছে এবং
দস্যুদের কবল থেকে ৭৮ জন জেলে ও ৩ জন পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে। সুন্দরবনকে সম্পূর্ণরূপে দস্যুমুক্ত করতে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, সুন্দরবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ও নির্ভরশীল ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সুন্দরবনের ভেতরে ও আশপাশের নদী ও খালে কোস্টগার্ডের নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। এছাড়াও ডাকাত বাহিনীর কয়েকটি আস্তানা শনাক্ত করে সেগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে এবং তা অব্যাহত রয়েছে।
দস্যুদের কবল থেকে ৭৮ জন জেলে ও ৩ জন পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে। সুন্দরবনকে সম্পূর্ণরূপে দস্যুমুক্ত করতে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, সুন্দরবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ও নির্ভরশীল ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সুন্দরবনের ভেতরে ও আশপাশের নদী ও খালে কোস্টগার্ডের নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। এছাড়াও ডাকাত বাহিনীর কয়েকটি আস্তানা শনাক্ত করে সেগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে এবং তা অব্যাহত রয়েছে।



