ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুদ্ধের সময় ‘লুকিয়ে’ আমিরাত যান ইসরাইলের দুই গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান
চীন দেখে যারপরনাই মুগ্ধ ট্রাম্প
চীন ছাড়লেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের তেল কিনতে পারে চীন, দাবি হোয়াইট হাউসের
গর্ভপাতের ওষুধ ডাকযোগে সরবরাহ আপাতত চালু থাকবে যুক্তরাষ্ট্রে
ফাতাহ-৪ ক্রুজ মিসাইলের সফল পরীক্ষা চালাল পাকিস্তান
পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর দুই শীর্ষ নেতা ঢাকায়
২ লাখ ২১ হাজার কেজি স্বর্ণ তুলল সৌদি আরব
সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় খনন কোম্পানি মা’আদেন নতুন করে চারটি খনি এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ সোনা উত্তোলন করেছে। কোম্পানিটির ঘোষণায় জানানো হয়, মোট ৭৮ লাখ আউন্স সোনা উত্তোলন করা হয়েছে, যা প্রায় ২ লাখ ২১ হাজার কেজি। খবর গালফ নিউজের।
এ সোনা উত্তোলনের মাধ্যমে সৌদি আরবের খনিজ সম্পদের মজুত আরও বেড়েছে। একই সঙ্গে বিশ্বমানের সোনা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে মা’আদেনের অবস্থান আরও শক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রথমে ৯০ লাখ আউন্স সোনা উত্তোলনের লক্ষ্য থাকলেও বার্ষিক হিসাবের কারণে চূড়ান্ত লক্ষ্য কিছুটা কমানো হয়। তবুও নির্ধারিত লক্ষ্য অনুযায়ী উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সোনা উত্তোলন সম্ভব হয়েছে।
মানসুরাহ মাসসারাহ, উরুক ২০/২১, উম্ম আস সালাম ও ওয়াদি আল জাও—এই
চারটি খনি থেকে সোনা উত্তোলন করা হয়। এর মধ্যে মানসুরাহ মাসসারাহ খনি থেকে সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৩০ লাখ আউন্স সোনা পাওয়া গেছে। উরুক ২০/২১ ও উম্ম আস সালাম থেকে মিলেছে প্রায় ১৬ লাখ ৭০ হাজার আউন্স। নতুন খনি ওয়াদি আল জাও থেকে প্রথমবারের মতো ৩০ লাখ ৮০ হাজার আউন্স সোনা উত্তোলন করা হয়েছে। মা’আদেনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বব উইল্ট বলেন, এই ফলাফল প্রমাণ করে যে কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, সোনা অনুসন্ধান ও খনি উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়ানো হলে ভবিষ্যতে কোম্পানির সম্পদ ও নগদ অর্থ প্রবাহ আরও বৃদ্ধি পাবে।
চারটি খনি থেকে সোনা উত্তোলন করা হয়। এর মধ্যে মানসুরাহ মাসসারাহ খনি থেকে সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৩০ লাখ আউন্স সোনা পাওয়া গেছে। উরুক ২০/২১ ও উম্ম আস সালাম থেকে মিলেছে প্রায় ১৬ লাখ ৭০ হাজার আউন্স। নতুন খনি ওয়াদি আল জাও থেকে প্রথমবারের মতো ৩০ লাখ ৮০ হাজার আউন্স সোনা উত্তোলন করা হয়েছে। মা’আদেনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বব উইল্ট বলেন, এই ফলাফল প্রমাণ করে যে কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, সোনা অনুসন্ধান ও খনি উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়ানো হলে ভবিষ্যতে কোম্পানির সম্পদ ও নগদ অর্থ প্রবাহ আরও বৃদ্ধি পাবে।



