ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ থেকে এখন বিশ্বের তীব্র খাদ্য সংকটের শীর্ষ ১০ দেশের একটি বাংলাদেশ
টিটিপির নিশানায় বাংলাদেশ: সারাদেশে ‘রেড অ্যালার্ট
সংসদসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর সম্ভাব্য সমন্বিত হামলার সতর্কতা জারি করেছে পুলিশ
বহুমুখী সংকটে শিল্পখাত, টিকে থাকার লড়াইয়ে ধুঁকছে সিমেন্টসহ উৎপাদন খাত
ইউএন টর্চার এক্সপার্ট এখনো জুলাই’২০২৪-এ আটকেঃ অ্যালিস এডওয়ার্ডস অ্যাকটিভিস্টদের মতামত প্রকাশে বাধা দিলেন
চকরিয়ায় রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় বন ও নদীখেকোদের মহোৎসব: অসহায় বনবিভাগ
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে উত্তেজনা: টিটিপির সঙ্গে যোগসূত্রের অভিযোগে একাধিক কর্মী আটক, অনেকে পালিয়েছে বিদেশে
হাসিনাকে ফেরাতে ইন্টারপোলের দ্বারস্থ ঢাকা: আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনীতির বিচারে কতটা বাস্তবসম্মত?
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ভারত থেকে ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের সহায়তা চাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। তবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানাকে কেন্দ্র করে ইন্টারপোলের ‘রেড নোটিশ’ জারি এবং ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের এই দাবি কতটা বাস্তবসম্মত, তা নিয়ে কূটনৈতিক ও আইনি মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ঢাকার এই দাবি আন্তর্জাতিক আইন, কূটনীতি এবং খোদ ইন্টারপোলের সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। অনেকেই মনে করছেন, দিল্লির কাছে ঢাকার এই দাবি আদতে একটি অবাস্তব প্রচেষ্টা।
ইন্টারপোলের সংবিধান অনুযায়ী, সংস্থাটি কোনো সদস্য দেশের রাজনৈতিক, সামরিক, ধর্মীয় বা জাতিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা
নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থার অভাব পরিলক্ষিত হলে ইন্টারপোল সাধারণত রেড নোটিশ জারি করা থেকে বিরত থাকে। আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, যে ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল’ থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মহলে তার গঠন ও কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষ করে কোনো অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে (In absentia) বিচার বা মৃত্যুদণ্ডের রায় কোনো গণতান্ত্রিক দেশে গ্রহণযোগ্য নয়। শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তার বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রম চালানো এবং তার ভিত্তিতে তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর দাবি পশ্চিমা গণতান্ত্রিক মানদণ্ডেও ধোপে টেকে না। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ভারত কোনোভাবেই ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের এই দাবি মেনে নেবে না। দিল্লি বর্তমান সরকারকে একটি ‘অসাংবিধানিক’ এবং ‘সহিংসভাবে ক্ষমতা দখলকারী’ সরকার হিসেবে বিবেচনা
করতে পারে। সেক্ষেত্রে শেখ হাসিনার মতো একজন হাই-প্রোফাইল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে এমন একটি সরকারের হাতে তুলে দেওয়া ভারতের জন্য কূটনৈতিক ও কৌশলগতভাবে অসম্ভব। সমালোচকদের মতে, দেশের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি থেকে জনগণের দৃষ্টি সরাতেই এই ‘এক্সট্রাডিশন’ ইস্যু সামনে আনা হয়েছে। এটিকে একটি ‘রাজনৈতিক নাটক’ হিসেবে উল্লেখ করে তারা বলছেন, দেশের ভেতরে ব্যর্থতা ঢাকতে ‘বিদেশি ষড়যন্ত্র’ বা ‘পলাতক সরকার’ তত্ত্ব ব্যবহার করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, বর্তমান বাংলাদেশে বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের লাখো নেতাকর্মী বর্তমানে সেই বিচারিক হয়রানির শিকার। সবচেয়ে বড় যে প্রশ্নটি সামনে আসছে তা হলো খোদ অন্তর্বর্তী সরকারের বৈধতা। সংবিধান
অনুযায়ী অনির্বাচিত সরকারের দীর্ঘমেয়াদি শাসন এবং নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণের এখতিয়ার নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতেও প্রশ্ন উঠতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, ইন্টারপোলের মাধ্যমে হাসিনাকে ফেরানোর চেষ্টা আইনি প্রক্রিয়ার চেয়ে বরং রাজনৈতিক প্রচারণাই বেশি। বাস্তবতা হলো—ইন্টারপোল নয়, বরং বর্তমান সরকারের নিজস্ব বৈধতাই এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে প্রশ্নের মুখে।
নিরপেক্ষ বিচার ব্যবস্থার অভাব পরিলক্ষিত হলে ইন্টারপোল সাধারণত রেড নোটিশ জারি করা থেকে বিরত থাকে। আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, যে ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল’ থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে, আন্তর্জাতিক মহলে তার গঠন ও কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষ করে কোনো অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে (In absentia) বিচার বা মৃত্যুদণ্ডের রায় কোনো গণতান্ত্রিক দেশে গ্রহণযোগ্য নয়। শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তার বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রম চালানো এবং তার ভিত্তিতে তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর দাবি পশ্চিমা গণতান্ত্রিক মানদণ্ডেও ধোপে টেকে না। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ভারত কোনোভাবেই ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের এই দাবি মেনে নেবে না। দিল্লি বর্তমান সরকারকে একটি ‘অসাংবিধানিক’ এবং ‘সহিংসভাবে ক্ষমতা দখলকারী’ সরকার হিসেবে বিবেচনা
করতে পারে। সেক্ষেত্রে শেখ হাসিনার মতো একজন হাই-প্রোফাইল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে এমন একটি সরকারের হাতে তুলে দেওয়া ভারতের জন্য কূটনৈতিক ও কৌশলগতভাবে অসম্ভব। সমালোচকদের মতে, দেশের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি থেকে জনগণের দৃষ্টি সরাতেই এই ‘এক্সট্রাডিশন’ ইস্যু সামনে আনা হয়েছে। এটিকে একটি ‘রাজনৈতিক নাটক’ হিসেবে উল্লেখ করে তারা বলছেন, দেশের ভেতরে ব্যর্থতা ঢাকতে ‘বিদেশি ষড়যন্ত্র’ বা ‘পলাতক সরকার’ তত্ত্ব ব্যবহার করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, বর্তমান বাংলাদেশে বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের লাখো নেতাকর্মী বর্তমানে সেই বিচারিক হয়রানির শিকার। সবচেয়ে বড় যে প্রশ্নটি সামনে আসছে তা হলো খোদ অন্তর্বর্তী সরকারের বৈধতা। সংবিধান
অনুযায়ী অনির্বাচিত সরকারের দীর্ঘমেয়াদি শাসন এবং নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণের এখতিয়ার নিয়ে আন্তর্জাতিক আদালতেও প্রশ্ন উঠতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, ইন্টারপোলের মাধ্যমে হাসিনাকে ফেরানোর চেষ্টা আইনি প্রক্রিয়ার চেয়ে বরং রাজনৈতিক প্রচারণাই বেশি। বাস্তবতা হলো—ইন্টারপোল নয়, বরং বর্তমান সরকারের নিজস্ব বৈধতাই এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে প্রশ্নের মুখে।



