ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুবদল নেতার ওপর হামলা, ছাত্রদলের ৩ নেতাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা
চাকরির সুপারিশ করা কিশোরীর সাথে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ধৃত জামায়াত এমপি গাজী নজরুল, ৫০১-কান্ডের মতো “দ্বিতীয় স্ত্রী” দাবি জেলা জামায়াতের
‘তারেক রহমানের ডাকেই সাড়া দিয়েছিলেন আবু সাঈদ’: ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের দাবি
‘ছাত্রদলের নামে ভুয়া ফটোকার্ড বানাচ্ছে, শিবির: বেরোবির সমাবেশে রাকিব
তাবিজ দেওয়ার নাম করে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা, জামায়াত আমিরকে জুতাপেটার পর পুলিশে সোপর্দ
ল্যাব টেস্টে এক প্লেট ফুচকায় মিলেছে ৭ কোটিরও বেশি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া: ভোক্তা অধিকার
আওয়ামী লীগ সরকার পতন আন্দোলনে সেনাবাহিনী কীভাবে সম্পৃক্ত ছিল, জানালেন রাশেদ খান
হাসনাতের ১০ কোটি টাকা বিতর্ক: খরচের খাত কেবল নথিতেই, বাস্তবে মেলেনি হদিস!
কুমিল্লা জেলা পরিষদের বর্তমান প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া গত ৩০শে মে, শনিবার কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেন।
তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা থাকাকালীন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া জেলা পরিষদের নিজস্ব রাজস্ব থেকে ১৫ কোটি টাকা এবং এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক ও বর্তমান সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ ১০ কোটি টাকা নিয়ে গেছেন।
জেলা পরিষদের হিসাব বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে বিশেষ বরাদ্দের আওতায় এই অর্থ মুরাদনগর ও দেবীদ্বার উপজেলায় পাঠানো হয়।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মুরাদনগর আসিফ মাহমুদের বাড়ি এবং দেবীদ্বার হাসনাত আব্দুল্লাহর নিজ এলাকা। কুমিল্লার ১৭টি
উপজেলার মধ্যে বাকি উপজেলাগুলো একই অর্থ বছরে তুলনামূলকভাবে নগণ্য বরাদ্দ পেয়েছে। শুধু চৌদ্দগ্রাম উপজেলা পেয়েছে মাত্র ১ কোটি টাকার মতো। হাসনাতের জবাব ও দায় এড়ানোর চেষ্টা অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হাসনাত আব্দুল্লাহ দাবি করেন, এই অর্থ তাকে ব্যক্তিগতভাবে নয়, দেবীদ্বার উপজেলাকে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, কোন খাতে কত টাকা খরচ হয়েছে তার হিসাব উপজেলা প্রশাসনের কাছে আছে এবং কর্তৃপক্ষের উচিত তা প্রকাশ করা। তবে হাসনাত নিজে সেই ব্যয়ের খাত সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশ না করে উল্টো প্রশাসকের বক্তব্যের সমালোচনা করেন। বলেন, “মনে হচ্ছে টাকা আমরা নিজেরা পকেটে নিয়ে গেছি।” মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা: ভুয়া বরাদ্দের অভিযোগ হাসনাতের দাবির বিপরীতে মাঠের চিত্র ভিন্ন কথা বলছে। দেবীদ্বারের বাসিন্দা মো. রুহুল আমিন জানান,
গত নভেম্বরে তিনি ইউএনও বরাবর তার বাড়ির সামনে সৌরবাতি স্থাপনের জন্য আবেদন করেন। কোনো লবিং বা তদবির না করায় তিনি বাতি পাননি। অথচ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বরাদ্দের তালিকায় দেখা যাচ্ছে, তার বাড়ির সামনে দুটি সৌরবাতি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে — অথচ বাস্তবে একটিও লাগানো হয়নি। তিনি প্রশ্ন করেন, এই সৌরবাতি আসলে কোথায় বসেছে? বাতি বরাদ্দের নাম করে কারা এই টাকা মেরে দিয়েছে? রুহুল আমিন বলেন, এমপি হওয়ার আগেই দেবিদ্বারে হাসনাত আব্দুল্লাহর নামে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দের একটি নিউজের পর বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের তালিকা প্রকাশ হচ্ছে। তাহলে সেসব তালিকা কি এরকমই বেনামী? আমার প্রশ্নের জবাব পাবো কার কাছে? কাগজে কলমে একই জায়গায় দুটি
বাতি বরাদ্দ দিয়েছে, একটাও না পাওয়ার ব্যখ্যা কী? এই ঘটনা স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় যে বরাদ্দের অর্থ কাগজ-কলমে বিভিন্ন প্রকল্পে দেখানো হলেও বাস্তবে কাজ সম্পন্ন হয়নি। অর্থাৎ অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে ভুয়া প্রকল্প দেখানো হয়েছে বলে সন্দেহ করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। প্রশ্নগুলো যার জবাব মেলেনি নথিপত্রে উল্লেখিত সৌরবাতিগুলো বাস্তবে কোথায় বসানো হয়েছে? বেনামী তালিকায় দেখানো প্রকল্পগুলোর ভৌত যাচাই কি করা হয়েছে? ১৭ উপজেলার মধ্যে মাত্র দুটি উপজেলায় এত বিপুল পরিমাণ বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত কে নিয়েছিল?
উপজেলার মধ্যে বাকি উপজেলাগুলো একই অর্থ বছরে তুলনামূলকভাবে নগণ্য বরাদ্দ পেয়েছে। শুধু চৌদ্দগ্রাম উপজেলা পেয়েছে মাত্র ১ কোটি টাকার মতো। হাসনাতের জবাব ও দায় এড়ানোর চেষ্টা অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হাসনাত আব্দুল্লাহ দাবি করেন, এই অর্থ তাকে ব্যক্তিগতভাবে নয়, দেবীদ্বার উপজেলাকে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, কোন খাতে কত টাকা খরচ হয়েছে তার হিসাব উপজেলা প্রশাসনের কাছে আছে এবং কর্তৃপক্ষের উচিত তা প্রকাশ করা। তবে হাসনাত নিজে সেই ব্যয়ের খাত সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশ না করে উল্টো প্রশাসকের বক্তব্যের সমালোচনা করেন। বলেন, “মনে হচ্ছে টাকা আমরা নিজেরা পকেটে নিয়ে গেছি।” মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা: ভুয়া বরাদ্দের অভিযোগ হাসনাতের দাবির বিপরীতে মাঠের চিত্র ভিন্ন কথা বলছে। দেবীদ্বারের বাসিন্দা মো. রুহুল আমিন জানান,
গত নভেম্বরে তিনি ইউএনও বরাবর তার বাড়ির সামনে সৌরবাতি স্থাপনের জন্য আবেদন করেন। কোনো লবিং বা তদবির না করায় তিনি বাতি পাননি। অথচ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বরাদ্দের তালিকায় দেখা যাচ্ছে, তার বাড়ির সামনে দুটি সৌরবাতি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে — অথচ বাস্তবে একটিও লাগানো হয়নি। তিনি প্রশ্ন করেন, এই সৌরবাতি আসলে কোথায় বসেছে? বাতি বরাদ্দের নাম করে কারা এই টাকা মেরে দিয়েছে? রুহুল আমিন বলেন, এমপি হওয়ার আগেই দেবিদ্বারে হাসনাত আব্দুল্লাহর নামে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দের একটি নিউজের পর বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের তালিকা প্রকাশ হচ্ছে। তাহলে সেসব তালিকা কি এরকমই বেনামী? আমার প্রশ্নের জবাব পাবো কার কাছে? কাগজে কলমে একই জায়গায় দুটি
বাতি বরাদ্দ দিয়েছে, একটাও না পাওয়ার ব্যখ্যা কী? এই ঘটনা স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় যে বরাদ্দের অর্থ কাগজ-কলমে বিভিন্ন প্রকল্পে দেখানো হলেও বাস্তবে কাজ সম্পন্ন হয়নি। অর্থাৎ অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে ভুয়া প্রকল্প দেখানো হয়েছে বলে সন্দেহ করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। প্রশ্নগুলো যার জবাব মেলেনি নথিপত্রে উল্লেখিত সৌরবাতিগুলো বাস্তবে কোথায় বসানো হয়েছে? বেনামী তালিকায় দেখানো প্রকল্পগুলোর ভৌত যাচাই কি করা হয়েছে? ১৭ উপজেলার মধ্যে মাত্র দুটি উপজেলায় এত বিপুল পরিমাণ বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত কে নিয়েছিল?



