ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রোজ লবঙ্গ খেলে শরীরে যেসব পরিবর্তন আসে
ধামাচাপা পড়ে গেল হামে শিশু মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় গাফিলতির খবর: সংখ্যা ছাড়াল ৭০০
হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা ৭০০ ছাড়াল
হামের উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৯ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৪৫
হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে একজন হামে ও ৯ জন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। এ নিয়ে গত ৭২ দিনে দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ৫৫৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৪৬৭ শিশু ও হাম শনাক্ত ৮৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে যে ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ৫ শিশুই ঢাকা বিভাগের। এ ছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে ২ এবং রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল বিভাগে একজন করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায়
১ হাজার ৮৩ জনের হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৪৫ শিশু। তাদের মধ্যে ৩৬৬ জন শিশুই ঢাকা বিভাগের। এরপর আছে চট্টগ্রাম (১৯৩), বরিশাল (১৫৭) ও রাজশাহী (৭৩) বিভাগ। গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৮১ জন হাসপাতাল থেকে ছুটিও পেয়েছেন। গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৭২ দিনে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৬৬ হাজার ২৩ জন। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৫২ হাজার ৫৩০ জন। মোট হাম শনাক্ত হয়েছে ৮ হাজার ৭৭২ জনের। এ ছাড়া ৭২ দিনে হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েছে ৪৮ হাজার ৮০০ জন।
১ হাজার ৮৩ জনের হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৪৫ শিশু। তাদের মধ্যে ৩৬৬ জন শিশুই ঢাকা বিভাগের। এরপর আছে চট্টগ্রাম (১৯৩), বরিশাল (১৫৭) ও রাজশাহী (৭৩) বিভাগ। গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৮১ জন হাসপাতাল থেকে ছুটিও পেয়েছেন। গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৭২ দিনে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৬৬ হাজার ২৩ জন। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৫২ হাজার ৫৩০ জন। মোট হাম শনাক্ত হয়েছে ৮ হাজার ৭৭২ জনের। এ ছাড়া ৭২ দিনে হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েছে ৪৮ হাজার ৮০০ জন।



