ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বহু নারী-শিশুকে অন্যায়ভাবে বাংলাদেশ সীমান্তে ঠেলে দিচ্ছে বিএসএফ
তোফায়েল আহমেদ: ইতিহাসের এক অবিনাশী অধ্যায়
দূষণের মাত্রা বেড়েছে ঢাকার বাতাসে
শিশু হত্যা ও ধর্ষণ: রাষ্ট্রের ব্যর্থতা নাকি সমাজের অবক্ষয়?
স্বাধীনতোত্তর রাজনৈতিক সংগ্রামে তোফায়েল আহমেদ
‘মে মাসেই নারী ও শিশু নির্যাতন ৩২৬, ধর্ষণ বেড়েছে ৪৪ শতাংশ’
‘ভ্যানিটি ব্যাগে পদত্যাগপত্র’ — মতিউর রহমান চৌধুরীর দাবি সত্য হলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অবৈধ?
হামে মৃত্যু ছাড়াল ৫৮৩ — থামছে না শিশুমৃত্যুর মিছিল
দেশে হামের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও আট শিশু প্রাণ হারিয়েছে। শনিবার (৩০ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ঢাকায় ৩, সিলেটে ২, ময়মনসিংহে ২ এবং চট্টগ্রামে ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মোট ৫৮৩ শিশুর মৃত্যু হলো। এর মধ্যে হামের উপসর্গে মারা গেছে ৪৯৩ জন এবং হাম শনাক্তের পর মৃত্যু হয়েছে ৯০ শিশুর।
আক্রান্ত ও হাসপাতালের চিত্র
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১,০৮৬
জন। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৯,৬১২ জনে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৫৫,৭০৫ শিশু। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৫২,০৫০ শিশু। বিভাগওয়ারি মৃত্যুর হিসেবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে ঢাকা বিভাগে — ১৮৪ জন। এরপরে রয়েছে রাজশাহীতে ৮৩, সিলেটে ৫৪, চট্টগ্রামে ৪৪, ময়মনসিংহে ৪০, বরিশালে ৩৫, খুলনায় ২১ এবং রংপুরে ৬ জন। কীভাবে এই বিপর্যয়? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, এই প্রাদুর্ভাবের আগে বাংলাদেশ হাম নির্মূলের পথে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছিল। হাম-প্রতিরোধী টিকার প্রথম ডোজের কভারেজ ২০১৬ সালে ছিল ১১৮ শতাংশ এবং দ্বিতীয় ডোজ ২০২৪ সালে ১২১ শতাংশে পৌঁছেছিল। কিন্তু সেই অগ্রগতি এখন মুখ থুবড়ে পড়েছে। ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স
জানান, ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তারা সরকারকে ৫ থেকে ৬টি চিঠি দিয়েছেন এবং প্রায় ১০টি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে টিকাঘাটতির ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেছেন। তবু সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান প্রাদুর্ভাবের পেছনে বড় কারণ টিকাদানে ঘাটতি। আক্রান্তদের ৮৩ শতাংশের বয়স পাঁচ বছরের নিচে এবং হাসপাতালে ভর্তি রোগীর ৭৯ শতাংশই পাঁচ বছরের কম বয়সী। দুই বছরের নিচের শিশুদের হার ৬৬ শতাংশ। জরুরি টিকাদান অভিযান জাতীয় টিকাদান কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি (এনআইটিএজি) ৩০ মার্চ দেশব্যাপী হাম-রুবেলা বা এমআর টিকাদান কর্মসূচি অনুমোদন করে। ৫ এপ্রিল অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় এ কর্মসূচি শুরু হয় এবং ২০ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী কর্মসূচি চালু হয়। তবে এই অভিযান
শুরু হওয়ার পরও মৃত্যুর মিছিল থামছে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিরোধযোগ্য এই রোগে শত শত শিশুর মৃত্যু রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার একটি বড় ব্যর্থতার চিত্র তুলে ধরছে। সময়মতো টিকা নিশ্চিত করা গেলে এই বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব ছিল।
জন। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৯,৬১২ জনে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৫৫,৭০৫ শিশু। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৫২,০৫০ শিশু। বিভাগওয়ারি মৃত্যুর হিসেবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে ঢাকা বিভাগে — ১৮৪ জন। এরপরে রয়েছে রাজশাহীতে ৮৩, সিলেটে ৫৪, চট্টগ্রামে ৪৪, ময়মনসিংহে ৪০, বরিশালে ৩৫, খুলনায় ২১ এবং রংপুরে ৬ জন। কীভাবে এই বিপর্যয়? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, এই প্রাদুর্ভাবের আগে বাংলাদেশ হাম নির্মূলের পথে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছিল। হাম-প্রতিরোধী টিকার প্রথম ডোজের কভারেজ ২০১৬ সালে ছিল ১১৮ শতাংশ এবং দ্বিতীয় ডোজ ২০২৪ সালে ১২১ শতাংশে পৌঁছেছিল। কিন্তু সেই অগ্রগতি এখন মুখ থুবড়ে পড়েছে। ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স
জানান, ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তারা সরকারকে ৫ থেকে ৬টি চিঠি দিয়েছেন এবং প্রায় ১০টি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে টিকাঘাটতির ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেছেন। তবু সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান প্রাদুর্ভাবের পেছনে বড় কারণ টিকাদানে ঘাটতি। আক্রান্তদের ৮৩ শতাংশের বয়স পাঁচ বছরের নিচে এবং হাসপাতালে ভর্তি রোগীর ৭৯ শতাংশই পাঁচ বছরের কম বয়সী। দুই বছরের নিচের শিশুদের হার ৬৬ শতাংশ। জরুরি টিকাদান অভিযান জাতীয় টিকাদান কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি (এনআইটিএজি) ৩০ মার্চ দেশব্যাপী হাম-রুবেলা বা এমআর টিকাদান কর্মসূচি অনুমোদন করে। ৫ এপ্রিল অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় এ কর্মসূচি শুরু হয় এবং ২০ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী কর্মসূচি চালু হয়। তবে এই অভিযান
শুরু হওয়ার পরও মৃত্যুর মিছিল থামছে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিরোধযোগ্য এই রোগে শত শত শিশুর মৃত্যু রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার একটি বড় ব্যর্থতার চিত্র তুলে ধরছে। সময়মতো টিকা নিশ্চিত করা গেলে এই বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব ছিল।



