ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশরত্ন শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ
তদন্তের আগেই দুই কৃষি কর্মকর্তাকে বদলি, ডিএই’র ডিজি লাঞ্ছিত
পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক, ঝুঁকিতে হাজারো আমানতকারীর অর্থ
জুলাই গেজেট স্ক্যাম: ছাদ থেকে পড়ে যাওয়া আখতারুজ্জামান নাঈমকে বানানো হয় জুলাই শহীদ
থানা পোড়ানো, পুলিশ হত্যাকারী সেই সমন্বয়ক মাহদী এখন মবের ভয়ে থানায় আশ্রয়ের সন্ধানে
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
হামের প্রকোপে কাঁপছে কক্সবাজার: তিন শিশুর মৃত্যুতে শোকের ছায়া, বিপন্ন শৈশব
কক্সবাজারের আকাশে-বাতাসে এখন স্বজন হারানো আর্তনাদ। পর্যটন নগরীতে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ছে ছোঁয়াচে রোগ ‘হাম’। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রাণ হারিয়েছে ৩টি নিস্পাপ শিশু। জেলা সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের প্রতিটি শয্যায় এখন শিশুদের কান্নার সুর আর মা-বাবার চোখে আতঙ্ক।
এক ভোরেই নিভে গেল প্রাণের প্রদীপ
আজ ২রা এপ্রিল, বৃহস্পতিবার ভোরের আলো ফোটার আগেই মহেশখালীর বাসিন্দা নাসিরের ৯ মাস বয়সী মেয়ে জেসিন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে। সদর হাসপাতালের বিশেষ হাম ইউনিটে লড়ছিল শিশুটি, কিন্তু নিউমোনিয়া আর হামের জটিলতা তাকে বাঁচতে দেয়নি। এর আগে গত বুধবার হিরা মনি নামে ৭ মাসের এক শিশুর করুণ মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে জেলায় এই রোগে মৃত্যুর সংখ্যা এখন
৩ হাসপাতালগুলোতে শয্যা সংকট, বাড়ছে উদ্বেগ বর্তমানে কক্সবাজারের চিকিৎসা ব্যবস্থা এই নতুন সংকট সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে: সদর হাসপাতালে ৪২ জন এবং জেনারেল হাসপাতালে ৫ জন শিশু যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। সিভিল সার্জন অফিসের তথ্যমতে, মহেশখালী, রামু ও পাহাড়তলি এলাকায় সংক্রমণের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি। সদর হাসপাতালের ডা. শহিদুল আলম জানান, রোগীর চাপ সামলাতে আলাদা নার্সিং ব্যবস্থা ও ডেডিকেটেড ওয়ার্ড খোলা হলেও আক্রান্তের হার কমছে না। স্বাস্থ্য বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জেলায় ৯৫ শতাংশ শিশু টিকার আওতায় রয়েছে। তবুও কেন এই প্রাদুর্ভাব? ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মহিউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর জানান, মূলত সচেতনতার অভাব এবং ৯ ও ১৫ মাস বয়সের নির্ধারিত দুই ডোজ টিকা সময়মতো না নেওয়াই এর মূল
কারণ। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত টিকা আছে, কিন্তু মানুষের সচেতন হওয়াটা জরুরি। ঘরে ঘরে গিয়ে আমরা এখন মানুষকে সতর্ক করছি।”—সিভিল সার্জন কার্যালয় রমজানের মাঝ সময় থেকে শুরু হওয়া এই সংক্রমণ এখন ঘরে ঘরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। চিকিৎসকরা বলছেন, শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং র্যাশ বা লালচে দানা দেখা দিলে মোটেও অবহেলা করা চলবে না। দ্রুত টিকা নিশ্চিত করাই এখন শিশুদের বাঁচানোর একমাত্র পথ।
৩ হাসপাতালগুলোতে শয্যা সংকট, বাড়ছে উদ্বেগ বর্তমানে কক্সবাজারের চিকিৎসা ব্যবস্থা এই নতুন সংকট সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে: সদর হাসপাতালে ৪২ জন এবং জেনারেল হাসপাতালে ৫ জন শিশু যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। সিভিল সার্জন অফিসের তথ্যমতে, মহেশখালী, রামু ও পাহাড়তলি এলাকায় সংক্রমণের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি। সদর হাসপাতালের ডা. শহিদুল আলম জানান, রোগীর চাপ সামলাতে আলাদা নার্সিং ব্যবস্থা ও ডেডিকেটেড ওয়ার্ড খোলা হলেও আক্রান্তের হার কমছে না। স্বাস্থ্য বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জেলায় ৯৫ শতাংশ শিশু টিকার আওতায় রয়েছে। তবুও কেন এই প্রাদুর্ভাব? ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মহিউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর জানান, মূলত সচেতনতার অভাব এবং ৯ ও ১৫ মাস বয়সের নির্ধারিত দুই ডোজ টিকা সময়মতো না নেওয়াই এর মূল
কারণ। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত টিকা আছে, কিন্তু মানুষের সচেতন হওয়াটা জরুরি। ঘরে ঘরে গিয়ে আমরা এখন মানুষকে সতর্ক করছি।”—সিভিল সার্জন কার্যালয় রমজানের মাঝ সময় থেকে শুরু হওয়া এই সংক্রমণ এখন ঘরে ঘরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। চিকিৎসকরা বলছেন, শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং র্যাশ বা লালচে দানা দেখা দিলে মোটেও অবহেলা করা চলবে না। দ্রুত টিকা নিশ্চিত করাই এখন শিশুদের বাঁচানোর একমাত্র পথ।



