ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নির্বাচনের পর বিধানসভাতেও থালাপতি ম্যাজিক, বিরোধী শিবিরে ভাঙন
ইরানে ৯ বার ভূমিকম্প!
চীনা নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে নতুন নামে ট্রাম্পের সঙ্গে বেইজিং সফরে রুবিও
কুয়েতে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের ৪ সদস্য আটক
সশস্ত্র হামলায় মণিপুরে ৩ চার্চ নেতা নিহত
যুদ্ধ শেষ হলেই কমবে মুদ্রাস্ফীতি, তেলের বাজার হবে নিম্নমুখী: ট্রাম্প
পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়
স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর বাড়ি ফিরলেন সোনিয়া গান্ধী
ভারতের জাতীয় রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ এবং কংগ্রেসের প্রবীণ নেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে ঘিরে বুধবার (১৩ মে) সকালে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে রাজনৈতিক মহলে। হরিয়ানার গুরুগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়েছে— এ খবর প্রকাশ্যে আসতেই নানা জল্পনা শুরু হয় তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে।
প্রথমদিকে কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, ছোট একটি অস্ত্রোপচারের জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি।তবে পরে পরিস্থিতি নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয় কংগ্রেস।
এক বিবৃতিতে দলের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ জানান, এটি ছিল সম্পূর্ণ নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের পর সোনিয়া গান্ধী বাড়িও ফিরে গিয়েছেন। বর্তমানে ৭৯ বছর বয়সি এই নেত্রী দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। এ
বছরের মার্চ মাসে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে দিল্লির স্যার গঙ্গারাম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাকে। তখন হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছিল, ঠান্ডা আবহাওয়া ও দূষণের কারণে তার শ্বাসকষ্ট কিছুটা বেড়ে গিয়েছিল। প্রায় এক সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি বাড়ি ফেরেন। এর আগেও চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে সর্দি-কাশির সমস্যার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল সোনিয়াকে। গত কয়েক বছর ধরে একাধিকবার শারীরিক অসুস্থতার কারণে তাকে হাসপাতালে যেতে হয়েছে। ২০২২ সালে দুইবার করোনাতেও আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সক্রিয় রাজনীতিতে আগের তুলনায় কম দেখা গেলেও কংগ্রেস এবং বিরোধী রাজনীতিতে এখনো খুব প্রভাবশালী মুখ সোনিয়া। দলীয় কৌশল, জোট রাজনীতি এবং জাতীয় স্তরের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে এখনো তার
মতামত যথেষ্ট গুরুত্ব পায়। বুধবার সকালে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর সামনে আসতেই কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। পরে দলের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়, উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কিছু নেই। সেই ঘোষণার পর রাজনৈতিক মহলেও অনেকটাই স্বস্তি ফিরে আসে।
বছরের মার্চ মাসে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে দিল্লির স্যার গঙ্গারাম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাকে। তখন হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছিল, ঠান্ডা আবহাওয়া ও দূষণের কারণে তার শ্বাসকষ্ট কিছুটা বেড়ে গিয়েছিল। প্রায় এক সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি বাড়ি ফেরেন। এর আগেও চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে সর্দি-কাশির সমস্যার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল সোনিয়াকে। গত কয়েক বছর ধরে একাধিকবার শারীরিক অসুস্থতার কারণে তাকে হাসপাতালে যেতে হয়েছে। ২০২২ সালে দুইবার করোনাতেও আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সক্রিয় রাজনীতিতে আগের তুলনায় কম দেখা গেলেও কংগ্রেস এবং বিরোধী রাজনীতিতে এখনো খুব প্রভাবশালী মুখ সোনিয়া। দলীয় কৌশল, জোট রাজনীতি এবং জাতীয় স্তরের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে এখনো তার
মতামত যথেষ্ট গুরুত্ব পায়। বুধবার সকালে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর সামনে আসতেই কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। পরে দলের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়, উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কিছু নেই। সেই ঘোষণার পর রাজনৈতিক মহলেও অনেকটাই স্বস্তি ফিরে আসে।



