ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সংবাদ সম্মেলনে অঝোরে কাঁদলেন নিশো
ট্রফিটা শুধু পুরস্কার নয়, এটা অনেক বড় দায়িত্ব: বর্ণিতা
আইনি ব্যবস্থা নিতে থানায় প্রিয়াঙ্কা, সঙ্গে প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণারা
পুনম কি অন্তঃসত্ত্বা, ছবি ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে
গ্র্যামির মঞ্চে আইসকে কটুক্তি বানির, অশালীন গালি দিলেন বিলি
১৫ বছর বয়সে বিয়ে, প্রশংসায় ভাসছেন সেই লুবাবা
মুক্তির ১১তম দিনেই বাহুবলী ২-এর রেকর্ড ভেঙে দিলেন রণবীর সিং
সাফল্যের মাঝে বিতর্ক, আদালতে ছুটলেন ‘ধুরন্ধর’ নির্মাতা
বলিউডে একের পর এক রেকর্ড গড়ে চলেছে ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ। রণবীর সিং অভিনীত এই সিনেমাটি মুক্তির মাত্র ১৬ দিনেই বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৫০০ কোটি রুপি আয় করে বক্স অফিসের শীর্ষে অবস্থান করছে। তবে এই সাফল্যের মাঝেই সামনে এসেছে বড়সড় বিতর্ক।
পরিচালক সন্তোষ কুমার অভিযোগ করেছেন, তার সিনেমার চিত্রনাট্য চুরি করেই ‘ধুরন্ধর’ নির্মাণ করেছেন আদিত্য ধর। যদিও এই অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে আইনি পথে জবাব দিচ্ছেন ‘ধুরন্ধর’-এর নির্মাতা।
সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে সন্তোষ কুমার দাবি করেন, তিনি আদিত্য ধরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। পরে জিও স্টুডিওস-এর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে ‘বি৬২ স্টুডিওস’-এর সঙ্গে কথা বলতে বলা হয়। তার অভিযোগ, এরপর থেকেই প্রযোজনা পক্ষের কাছ
থেকে তিনি বিভিন্নভাবে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন। সন্তোষ কুমারের দাবি, তার ‘ডি-সাহেব’ ছবির চিত্রনাট্য থেকেই ‘ধুরন্ধর’ ফ্র্যাঞ্চাইজির মূল গল্প নেওয়া হয়েছে। তার মতে, গল্পে একটি তরুণের পরিবারের ওপর সন্ত্রাসী হামলা এবং সেই ঘটনার প্রতিশোধ নেওয়ার লড়াই তুলে ধরা হয়েছে—যা তার কাজের সঙ্গে মিলে যায়। তবে পাল্টা যুক্তিতে বলা হচ্ছে, ‘ধুরন্ধর’ সম্পূর্ণভাবে আদিত্য ধরের মৌলিক সৃষ্টি। জানা গেছে, তিনি ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসেই স্ক্রিন রাইটার অ্যাসোসিয়েশন-এর কাছে চিত্রনাট্যটি নিবন্ধন করেন। অন্যদিকে, সন্তোষ কুমার নিজেই জানিয়েছেন, তার ‘ডি-সাহেব’ স্ক্রিপ্টটি নিবন্ধিত হয় একই বছরের নভেম্বর মাসে। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরই আইনি ব্যবস্থা নেন আদিত্য ধর। ইতোমধ্যে সন্তোষ কুমারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। পরিচালক জানিয়েছেন, ভিত্তিহীন অভিযোগের বিরুদ্ধে
তিনি আইনগতভাবেই লড়াই চালিয়ে যাবেন। সূত্র: দ্য ওয়াল
থেকে তিনি বিভিন্নভাবে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন। সন্তোষ কুমারের দাবি, তার ‘ডি-সাহেব’ ছবির চিত্রনাট্য থেকেই ‘ধুরন্ধর’ ফ্র্যাঞ্চাইজির মূল গল্প নেওয়া হয়েছে। তার মতে, গল্পে একটি তরুণের পরিবারের ওপর সন্ত্রাসী হামলা এবং সেই ঘটনার প্রতিশোধ নেওয়ার লড়াই তুলে ধরা হয়েছে—যা তার কাজের সঙ্গে মিলে যায়। তবে পাল্টা যুক্তিতে বলা হচ্ছে, ‘ধুরন্ধর’ সম্পূর্ণভাবে আদিত্য ধরের মৌলিক সৃষ্টি। জানা গেছে, তিনি ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসেই স্ক্রিন রাইটার অ্যাসোসিয়েশন-এর কাছে চিত্রনাট্যটি নিবন্ধন করেন। অন্যদিকে, সন্তোষ কুমার নিজেই জানিয়েছেন, তার ‘ডি-সাহেব’ স্ক্রিপ্টটি নিবন্ধিত হয় একই বছরের নভেম্বর মাসে। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরই আইনি ব্যবস্থা নেন আদিত্য ধর। ইতোমধ্যে সন্তোষ কুমারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। পরিচালক জানিয়েছেন, ভিত্তিহীন অভিযোগের বিরুদ্ধে
তিনি আইনগতভাবেই লড়াই চালিয়ে যাবেন। সূত্র: দ্য ওয়াল



