ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গৃহকর্মী থেকে প্রতিমন্ত্রী হয়ে কলিতা মাঝি পেলেন গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়
মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের
ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে?
বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে?
মার্কিন গ্রিন কার্ড বাতিল করে কাসেম সোলেইমানির স্বজনদের গ্রেপ্তার
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)-এর নিহত কমান্ডার মেজর জেনারেল কাসেম সোলেইমানির ভাতিজি দাবি করা হামিদেহ সোলেইমানি আফসার ও তার মেয়েকে আটক করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কর্তৃপক্ষ।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তাদের গ্রিন কার্ড বাতিল করার পর শুক্রবার এই পদক্ষেপ নেওয়া হয় বলে শনিবার জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।
বর্তমানে তারা ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই)-এর হেফাজতে রয়েছেন, তবে কোথা থেকে তাদের আটক করা হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, লস অ্যাঞ্জেলেসে বসবাসরত হামিদেহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরানের শাসকগোষ্ঠীর প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছেন। সেখানে তাকে ‘কর্তৃত্ববাদী ও সন্ত্রাসী শাসনের প্রকাশ্য সমর্থক’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলার
প্রশংসা, ইরানের নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন এবং আইআরজিসির পক্ষে অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। একই সঙ্গে তার স্বামীর যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলেই ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ইরাকের বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন ড্রোন হামলায় কাসেম সোলেইমানি নিহত হন। তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে ভিন্ন দাবি করা হয়েছে। সোলেইমানির মেয়ে নারজেস সোলেইমানির বরাতে বলা হয়, তাদের পরিবারের কেউ যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেননি এবং হামিদেহ নামে কোনো ভাতিজি নেই। এদিকে, রুবিও সম্প্রতি ইরানের সাবেক নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানির পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধেও অনুরূপ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দাবি, যারা যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম বা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সমর্থক হিসেবে বিবেচিত, তাদের দেশে বসবাসের অনুমতি দেওয়া হবে না। দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব
নেওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিবাসনবিরোধী নীতিতে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তার প্রশাসনের মতে, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এমন ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স, দ্য গার্ডিয়ান
প্রশংসা, ইরানের নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন এবং আইআরজিসির পক্ষে অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। একই সঙ্গে তার স্বামীর যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলেই ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ইরাকের বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন ড্রোন হামলায় কাসেম সোলেইমানি নিহত হন। তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে ভিন্ন দাবি করা হয়েছে। সোলেইমানির মেয়ে নারজেস সোলেইমানির বরাতে বলা হয়, তাদের পরিবারের কেউ যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেননি এবং হামিদেহ নামে কোনো ভাতিজি নেই। এদিকে, রুবিও সম্প্রতি ইরানের সাবেক নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানির পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধেও অনুরূপ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দাবি, যারা যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম বা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সমর্থক হিসেবে বিবেচিত, তাদের দেশে বসবাসের অনুমতি দেওয়া হবে না। দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব
নেওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিবাসনবিরোধী নীতিতে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তার প্রশাসনের মতে, জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এমন ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স, দ্য গার্ডিয়ান



