ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তেল না পেয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ বিক্ষুব্ধ জনতার
চাঁদপুরে জ্বরে আক্রান্ত শিশুকে কুকুরের ভ্যাকসিন পুশ!
রাজধানীতে পাচারকালে হেরোইন-ইয়াবার বিশাল চালান জব্দ
কক্সবাজারে শিশু মৃত্যুর মিছিল, কিন্তু ঢাকায় কি সেটা টের পাচ্ছে কেউ?
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এ পর্যন্ত শাহজালালে বাতিল ৯৭২ ফ্লাইট
বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি কৃষক আহত, পাল্টা ধরে আনা হলো ভারতীয় কৃষককে, সীমান্তে উত্তেজনা
চন্দনাইশে অলির বিরুদ্ধে ঝাড়ুমিছিল: তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদ
সংস্কারের নামে খোলা হলো ভালো রাস্তা, দুর্ভোগে ১৩ গ্রামের মানুষ
সংস্কারের উদ্দেশে বর্ষার আগে খোলা হলো কক্সবাজারের পেকুয়ার বারবাকিয়া বাজারের দুপাশের ভালো রাস্তা। এরপর তিন মাস অতিবাহিত হলেও সংস্কার হয়নি সড়কটি। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় অন্তত ১৩টি গ্রামের মানুষ।
সোমবার (২৫ আগস্ট) সরেজমিনে দেখা যায়, বারবাকিয়া থেকে চকরিয়ামুখী ও বারবাকিয়া থেকে চট্টগ্রামমুখী রাস্তা দুটির পিচঢালাই তুলে ফেলা হয়েছে। বর্ষার কারণে গুরুত্বপূর্ণ সড়কটিতে বড় বড় গর্ত হয়ে আছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় ১৩টি গ্রামের বাসিন্দারা।
গ্রামগুলো হলো- ধনিয়াকাটা, কাদিমাকাটা, পাহাড়িয়াখালী, পশ্চিম পাহাড়িয়াখালী, কাটামোড়া, চনখোলা, নাজিরপাড়া, ভারুয়াখালী, নাথপাড়া, পূর্ব ভারুয়াখালী, রব্বানিপাড়া, কাছারিমোড়া, সবুজপাড়া।
নাজিরপাড়ার বাসিন্দা ও বাজারের দোকানদার আনিছুর রহমান বলেন, রাস্তাগুলোতে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়ে একেবারে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
আমরা টিকাদারের সঙ্গে বিভিন্ন সময় যোগাযোগ করেছি। তিনি কোনো প্রকার কর্ণপাত করছেন না। পাহাড়িয়াখালীর বাসিন্দা মোহাম্মদ তোহা বলেন, কাজটি বর্ষার আগে শেষ করতে না পারলে খোলা হলো কেন? শুধু শুধু মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলছে। এই রাস্তা দিয়ে অসুস্থ রোগী, স্কুলের বাচ্চারা চলাচল করতে সমস্যায় পড়ছে। আমরা এ রাস্তার দ্রুত সংস্কার চাই। সড়কগুলোর পাশে রয়েছে তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। হোসনেআরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, রহমানিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা ও প্রতিশ্রুতি স্কুল অ্যান্ড কলেজ। সড়কের বেহাল দশায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের। এ বিষয়ে হোসনেআরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোস্তফা আলী বলেন, সড়কগুলো খোলার আগে ভালো ছিল। এখন
খুলে ফেলার পর থেকে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এর ফলে ছাত্রীদের চলাচলে বেশ ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। স্কুলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি দিনদিন কমছে। তিনি বলেন, আমরা চাই, অন্তত শিক্ষার্থীদের দিক বিবেচনা করে তাড়াতাড়ি রাস্তাটি সংস্কার হোক। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মোহাম্মদ ইউনুস বলেন, এই রাস্তা নিয়ে প্রকৌশলীর সঙ্গে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করেছি। তারা বারবার আশ্বাস দিয়েছেন, রোদ উঠলে সংস্কার কাজ শুরু হবে। এরপর কতবার রোদ এলো আর গেল, সড়কটি সংস্কার হলো না। উপজেলা প্রকৌশলী সৌরভ দাশ বলেন, বর্ষা বাদলের কারণে কাজ করা হচ্ছে না। বৃষ্টি বন্ধ হলে কাজ শুরু হবে।
আমরা টিকাদারের সঙ্গে বিভিন্ন সময় যোগাযোগ করেছি। তিনি কোনো প্রকার কর্ণপাত করছেন না। পাহাড়িয়াখালীর বাসিন্দা মোহাম্মদ তোহা বলেন, কাজটি বর্ষার আগে শেষ করতে না পারলে খোলা হলো কেন? শুধু শুধু মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলছে। এই রাস্তা দিয়ে অসুস্থ রোগী, স্কুলের বাচ্চারা চলাচল করতে সমস্যায় পড়ছে। আমরা এ রাস্তার দ্রুত সংস্কার চাই। সড়কগুলোর পাশে রয়েছে তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। হোসনেআরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, রহমানিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা ও প্রতিশ্রুতি স্কুল অ্যান্ড কলেজ। সড়কের বেহাল দশায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের। এ বিষয়ে হোসনেআরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোস্তফা আলী বলেন, সড়কগুলো খোলার আগে ভালো ছিল। এখন
খুলে ফেলার পর থেকে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এর ফলে ছাত্রীদের চলাচলে বেশ ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। স্কুলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি দিনদিন কমছে। তিনি বলেন, আমরা চাই, অন্তত শিক্ষার্থীদের দিক বিবেচনা করে তাড়াতাড়ি রাস্তাটি সংস্কার হোক। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মোহাম্মদ ইউনুস বলেন, এই রাস্তা নিয়ে প্রকৌশলীর সঙ্গে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করেছি। তারা বারবার আশ্বাস দিয়েছেন, রোদ উঠলে সংস্কার কাজ শুরু হবে। এরপর কতবার রোদ এলো আর গেল, সড়কটি সংস্কার হলো না। উপজেলা প্রকৌশলী সৌরভ দাশ বলেন, বর্ষা বাদলের কারণে কাজ করা হচ্ছে না। বৃষ্টি বন্ধ হলে কাজ শুরু হবে।



