ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নেত্রকোণায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে জুলাই স্তম্ভে আগুন, ভিডিও বিশ্লেষণ করছে পুলিশ
নোয়াখালীতে শিশুসহ নির্বিচারে গ্রেপ্তার: জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জরুরি নোটিশ
দলীয় পদ নেই, মামলাও নেই; শুধু আওয়ামী লীগ করার অভিযোগে যশোরে কলেজ অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার
কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী
কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী
কক্সবাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
পাবনায় সর্বহারা পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১২ কিমিজুড়ে থেমে থেমে যানজট
প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়েছে গাজীপুরের দুই মহাসড়কে৷ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও যানজটের সৃষ্টি হয়নি৷ তবে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা বাস টার্মিনালের আশপাশের ১২ কিলোমিটার এলাকায় থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরের পর গাজীপুরের ৪০ শতাংশ কারখানা ছুটি হবে৷ এরপরই যাত্রীদের চাপ কয়েকগুণ বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সফিপুর থেকে চন্দ্রা টার্মিনাল পর্যন্ত ও চন্দ্রা-নবীনগর সড়কের বাড়ইপাড়া থেকে চন্দ্রা টার্মিনাল যানজট সৃষ্টি হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ থাকলেও যাত্রী ও যানবাহনের চাপে এই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া মহাসড়ক ঘেঁষা কারখানাগুলোর সামনে বাস দাঁড় করিয়ে রাখায় যানজট সৃষ্টির অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে।
ঢাকা-টাঙ্গাইল ও
নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা অধিকাংশ বাস ভর্তি করে আসছে৷ ওইসব বাসে চন্দ্রা কেন্দ্রীক যাত্রী তোলার সুযোগ কম৷ এসব এলাকার যাত্রীদের বহন করার জন্য মহাসড়কের দুই পাশে অসংখ্য পরিবহণ দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। এসব পরিবহণের অধিকাংশই কারখানা শ্রমিকদের আগে হতে রিজার্ভ করে রাখা। এসব পরিবহণগুলোর জন্য যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া চন্দ্রা এলাকায় আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ঘরমুখো মানুষ জড়ো হওয়ায় যাত্রী তুলতে গিয়ে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে শিল্প অধ্যুষিত গাজীপুরের প্রায় দুই হাজার পোশাক কারখানা তৃতীয় ধাপে ছুটি ঘোষণা হবে। এরপরই যাত্রীদের চাপ আরও বাড়বে। এছাড়া গতকাল মঙ্গলবার
২৫ শতাংশ কারখানা ছুটি হয়েছিল। অনেকেই গতকাল রওনা না হয়ে আজ সকালে রওনা হয়েছে। মোহাম্মদ রফিকুজ্জামান মিয়া নামে এক শ্রমিক বলেন, গতকাল আমার কারখানা ছুটি হয়েছে। তবে আমি গতকাল বের হয়নি আজ সকালে রওনা হয়েছি৷ যানজট থাকলেও পরিবহণের সংকট নেই। ভাড়া কিছু পরিবহণ একটু বেশি চাচ্ছে তবে সমস্যা নেই দামাদামি করে যেকোনো একটি গাড়িতে বাড়ি চলে যাব৷ কোনাবাড়ী আমবাগ এলাকা থেকে আসা নাসিমা আক্তার বলেন, আমাদের কারখানা আজ ছুটি দিয়েছে। আগে থেকেই ব্যাগ প্রয়োজনীয় সব গুছিয়ে নিয়ে বের হয়েছিলাম, কারখানা থেকে সোজা বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে দিয়েছি। লম্বা ১০ দিনের একটা ছুটি পেয়েছি, সঙ্গে বেতন-বোনাসও পেয়েছি তাই ঈদের আনন্দ পরিবারের সবার
সঙ্গে ভাগাভাগি করতে বাড়িতে যাচ্ছি। কারখানা ও শিল্প পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গাজীপুরে ছোটবড় প্রায় ৫ হাজার শিল্পকারখানা রয়েছে৷ এবারের ছুটি ধাপে ধাপে দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার অধিকাংশ কারখানা ছুটি হবে৷ সর্বশেষ আগামীকাল বৃহস্পতিবার ৮৩৩টি কারখানা ছুটি হবে। তাই বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীদের চাপও আস্তে আস্তে বাড়ছে। কোনাবাড়ী নাওজোর হাইওয়ে থানার ওসি সওগাতুল আলম বলেন, গতকাল হতে যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। আজ দুপুরের পর চাপ আরও কয়েকগুণ বাড়বে৷ মহাসড়কের পাশে অসংখ্য গাড়ি বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা ভাড়া করে রেখেছেন, এর কারণেই চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা অধিকাংশ বাস ভর্তি করে আসছে৷ ওইসব বাসে চন্দ্রা কেন্দ্রীক যাত্রী তোলার সুযোগ কম৷ এসব এলাকার যাত্রীদের বহন করার জন্য মহাসড়কের দুই পাশে অসংখ্য পরিবহণ দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। এসব পরিবহণের অধিকাংশই কারখানা শ্রমিকদের আগে হতে রিজার্ভ করে রাখা। এসব পরিবহণগুলোর জন্য যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া চন্দ্রা এলাকায় আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ঘরমুখো মানুষ জড়ো হওয়ায় যাত্রী তুলতে গিয়ে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে শিল্প অধ্যুষিত গাজীপুরের প্রায় দুই হাজার পোশাক কারখানা তৃতীয় ধাপে ছুটি ঘোষণা হবে। এরপরই যাত্রীদের চাপ আরও বাড়বে। এছাড়া গতকাল মঙ্গলবার
২৫ শতাংশ কারখানা ছুটি হয়েছিল। অনেকেই গতকাল রওনা না হয়ে আজ সকালে রওনা হয়েছে। মোহাম্মদ রফিকুজ্জামান মিয়া নামে এক শ্রমিক বলেন, গতকাল আমার কারখানা ছুটি হয়েছে। তবে আমি গতকাল বের হয়নি আজ সকালে রওনা হয়েছি৷ যানজট থাকলেও পরিবহণের সংকট নেই। ভাড়া কিছু পরিবহণ একটু বেশি চাচ্ছে তবে সমস্যা নেই দামাদামি করে যেকোনো একটি গাড়িতে বাড়ি চলে যাব৷ কোনাবাড়ী আমবাগ এলাকা থেকে আসা নাসিমা আক্তার বলেন, আমাদের কারখানা আজ ছুটি দিয়েছে। আগে থেকেই ব্যাগ প্রয়োজনীয় সব গুছিয়ে নিয়ে বের হয়েছিলাম, কারখানা থেকে সোজা বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে দিয়েছি। লম্বা ১০ দিনের একটা ছুটি পেয়েছি, সঙ্গে বেতন-বোনাসও পেয়েছি তাই ঈদের আনন্দ পরিবারের সবার
সঙ্গে ভাগাভাগি করতে বাড়িতে যাচ্ছি। কারখানা ও শিল্প পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গাজীপুরে ছোটবড় প্রায় ৫ হাজার শিল্পকারখানা রয়েছে৷ এবারের ছুটি ধাপে ধাপে দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার অধিকাংশ কারখানা ছুটি হবে৷ সর্বশেষ আগামীকাল বৃহস্পতিবার ৮৩৩টি কারখানা ছুটি হবে। তাই বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীদের চাপও আস্তে আস্তে বাড়ছে। কোনাবাড়ী নাওজোর হাইওয়ে থানার ওসি সওগাতুল আলম বলেন, গতকাল হতে যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। আজ দুপুরের পর চাপ আরও কয়েকগুণ বাড়বে৷ মহাসড়কের পাশে অসংখ্য গাড়ি বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা ভাড়া করে রেখেছেন, এর কারণেই চাপ সৃষ্টি হয়েছে।



