ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাবেক প্রধান বিচারপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানি পেছাল
৫৫ লাখ গ্রাহক ২৬৪ কোটি টাকার ফাঁদে: প্রিপেইড মিটার ভাড়া নিয়ে বিএনপির প্রচারণা ছিলো গুজব
রোহিঙ্গাদের হাতে ৮ হাজার একর বনভূমি উজাড়ের ফল: পাহাড় ধসে ৩ ঘণ্টায় ঝরল ৯টি প্রাণ
অ্যাটর্নি জেনারেলকে সহকারীর থাপ্পড়, সুপ্রিম কোর্টে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের দ্বন্দ্ব চরমে
একই গ্রাহকের একই ব্যবহারে প্রি-পেইড মিটারে জুনে বিদ্যুৎ বিল দ্বিগুণ-তিন গুণ!
পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করবে সরকার
রাষ্ট্রপতি: গ্রামবাংলা আমাদের শিকড়, শক্তি ও সম্ভাবনার আধার
দুই মহাসড়কে যাত্রীর চাপ, স্থবির যানবাহন
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে বুধবার দুপুরের পর থেকে সকল পোশাক তৈরির কারখানা ছুটির পর থেকেই যাত্রীর চাপ বেড়ে যায়। এতে যানবাহন স্থবির হয়ে পড়ে। এতে চন্দ্রা ত্রিমোড় থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এদিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কেও উত্তরার আব্দুল্লাহপুর থেকে শ্রীপুর উপজেলার জৈনাপুর এলাকা পর্যন্ত কখনো স্থবির আবার কখনো ধীরগতিতে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে।
ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী, বোর্ডবাজার, চেরাগ আলী, হোসেনপুর, চন্দ্রা চৌরাস্তা, মাস্টার বাড়ি, সালনা এলাকার পোশাক তৈরি কারখানার শ্রমিকরা নাড়ীর টানে বাড়ি যাওয়ার জন্য বাস স্টেশনগুলোতে ভিড় করছেন। বিকেলের দিকে শিলা বৃষ্টি হওয়ায় যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অপরদিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুর বাইপাস, নাওজোড়, কোনাবাড়ী
,মৌচাক সফিপুর কালিয়াকৈর নবীনগর সড়কের বাড়ই পাড়া, জিরানী ও আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় শত শত যাত্রীদের ভিড় রয়েছে। যাত্রীবাহী পরিবহন সংকটের কারণে এসকল যাত্রীদের ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে বলে জানায় যাত্রীরা। জানা যায়, বুধবার দুপুরে শিল্প অধ্যুষিত গাজীপুরের প্রায় দুই হাজার পোশাক কারখানা তৃতীয় ধাপে ছুটি ঘোষণা হয়েছে। এরপরই যাত্রীদের চাপ আরও বাড়ে গেছে। মঙ্গলবার ২৫ শতাংশ কারখানা ছুটি হয়েছিল। অনেকেই গতকাল রওনা না হয়ে বুধবার রওনা হয়েছে। ফলে বুধবার বাকী শিল্পকারখানাগুলো ছুটি হওয়াতে একযোগে শ্রমিকরা দুই মহাসড়ক দিয়ে রওনা হওয়াতে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দুপুরের পর থেকেই চন্দ্রা বাস টার্মিনালের আশপাশের ৩০ কিলোমিটার থেমে থেমে যানজট লেগেই রয়েছে। বুধবার দুপুরের দিকে
গাজীপুরের ৪০ শতাংশ কারখানা ছুটি হওয়ায় যাত্রীদের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। আব্দুল হাই নামে এক শ্রমিকের সঙ্গে কথা হয় চন্দ্রা ফ্লাইওভারের নিচে। তিনি বলেন, দুপুরের পর কারখানা ছুটি হয়েছে। আমি সঙ্গে সঙ্গেই রওনা হয়েছি। চন্দ্রা এলাকায় সিরাজগঞ্জের কোনো বাস পাচ্ছি না। প্রায় দুই ঘণ্টা দাঁড়িয়ে আছি। অপরদিকে নাবিল পরিবহনের চালক আব্দুর রহিম বলেন, দুপুরের পর থেকে যানজটে আটকা আছি। একটু পর পর আধা ঘণ্টার জন্য দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। নাওজোর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সওগাতুল আলম বলেন, দুপুরের পর থেকে শ্রমিকদের রিজার্ভ বাসের সংখ্যা বেড়ে গিয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ যানজট নিরসনে কাজ করে যাচ্ছে।
,মৌচাক সফিপুর কালিয়াকৈর নবীনগর সড়কের বাড়ই পাড়া, জিরানী ও আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় শত শত যাত্রীদের ভিড় রয়েছে। যাত্রীবাহী পরিবহন সংকটের কারণে এসকল যাত্রীদের ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে বলে জানায় যাত্রীরা। জানা যায়, বুধবার দুপুরে শিল্প অধ্যুষিত গাজীপুরের প্রায় দুই হাজার পোশাক কারখানা তৃতীয় ধাপে ছুটি ঘোষণা হয়েছে। এরপরই যাত্রীদের চাপ আরও বাড়ে গেছে। মঙ্গলবার ২৫ শতাংশ কারখানা ছুটি হয়েছিল। অনেকেই গতকাল রওনা না হয়ে বুধবার রওনা হয়েছে। ফলে বুধবার বাকী শিল্পকারখানাগুলো ছুটি হওয়াতে একযোগে শ্রমিকরা দুই মহাসড়ক দিয়ে রওনা হওয়াতে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দুপুরের পর থেকেই চন্দ্রা বাস টার্মিনালের আশপাশের ৩০ কিলোমিটার থেমে থেমে যানজট লেগেই রয়েছে। বুধবার দুপুরের দিকে
গাজীপুরের ৪০ শতাংশ কারখানা ছুটি হওয়ায় যাত্রীদের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। আব্দুল হাই নামে এক শ্রমিকের সঙ্গে কথা হয় চন্দ্রা ফ্লাইওভারের নিচে। তিনি বলেন, দুপুরের পর কারখানা ছুটি হয়েছে। আমি সঙ্গে সঙ্গেই রওনা হয়েছি। চন্দ্রা এলাকায় সিরাজগঞ্জের কোনো বাস পাচ্ছি না। প্রায় দুই ঘণ্টা দাঁড়িয়ে আছি। অপরদিকে নাবিল পরিবহনের চালক আব্দুর রহিম বলেন, দুপুরের পর থেকে যানজটে আটকা আছি। একটু পর পর আধা ঘণ্টার জন্য দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। নাওজোর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সওগাতুল আলম বলেন, দুপুরের পর থেকে শ্রমিকদের রিজার্ভ বাসের সংখ্যা বেড়ে গিয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ যানজট নিরসনে কাজ করে যাচ্ছে।



