ঋণ খেলাপিদের ১ লাখ কোটি টাকা সুদ মওকুফ: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্তের সমালোচনা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৭ জুলাই, ২০২৬

ঋণ খেলাপিদের ১ লাখ কোটি টাকা সুদ মওকুফ: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্তের সমালোচনা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ জুলাই, ২০২৬ |
বিশেষ পুনঃতফসিল নীতির আওতায় নিয়মিত করা অধিকাংশ ঋণ আবারও খেলাপিতে পরিণত হওয়ায় ঋণগ্রহীতাদের জন্য বড় ধরনের সুদ মওকুফের সুযোগ চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার জারি করা এক সার্কুলারে ব্যাংকগুলোকে ঋণ গ্রাহকদের চার্জড (আরোপিত) ও আনচার্জড (অনারোপিত) উভয় ধরনের সুদ মওকুফের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে সুদ মওকুফের আগে তহবিল খরচ আদায় নিশ্চিত করার যে বাধ্যবাধকতা ছিল, তা শিথিল করা হলো। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর স্থগিত সুদ হিসাবে খেলাপি ঋণের বিপরীতে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকার আনচার্জড সুদ জমেছিল। মন্দ ঋণ চিরতরে মুছে ফেলে ব্যাংকের ব্যালেন্স শিট সাফসুতরো করতে এবং খেলাপিদের খেলাপি তকমা থেকে মুক্ত হতে সাহায্য করার

জন্যই কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই নতুন কৌশল নিয়ে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৬ই আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ৩০শে জুন পর্যন্ত যারা বিশেষ পুনঃতফসিল সুবিধা পেয়েছেন, তারাও এই সুদ মওকুফের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হবেন। নতুন সার্কুলারের আওতায় খেলাপিরা কেবল ঋণের আসল টাকা পরিশোধ করে এককালীন নিষ্পত্তি করার সুযোগ পাবেন—অর্থাৎ তাদের কোনো সুদ দিতে হবে না। ব্যাংকগুলো যদি স্থগিত সুদ হিসাব থেকে ১ লাখ কোটি টাকার অনারোপিত সুদ মওকুফ করে, তবে মোট খেলাপি ঋণের হার ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত রেকর্ড করা ৩০.৬০ শতাংশ থেকে কমে ২৫ শতাংশে নেমে আসবে। স্থগিত সুদ হিসাব হলো ব্যাংকগুলোর একটি সাময়িক হিসাব বা হোল্ডিং অ্যাকাউন্ট, যা

পাওনা কিন্তু এখনো অর্জিত আয় হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি—এমন সুদ নথিভুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। কোনো ঋণগ্রহীতা নির্ধারিত সময়ের পর পেমেন্ট দেওয়া বন্ধ করে দিলে সেই ঋণটি নন-পারফর্মিং লোন (এনপিএল) বা খেলাপি ঋণ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়, আর তখন ব্যাংককে সেই ঋণের অনাদায়ী সুদকে লাভ হিসেবে দেখানো বন্ধ করে তা ‘স্থগিত সুদ হিসাবে’ জমা রাখতে হয়। এই সার্কুলার জারির আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান ব্যাংকগুলোর শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন, যেখানে ব্যাংকের ব্যালেন্স শিটে খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমাতে আসল ও সুদ মওকুফ—উভয় বিকল্প নিয়ে আলোচনা হয়। বেশ কয়েকজন শীর্ষ নির্বাহী জানিয়েছেন, পলিসি কমিটির অনুমোদনে পুনঃতফসিল করা অধিকাংশ ঋণ আবারও খেলাপি হয়ে

পড়েছে—এই যুক্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই বিকল্পগুলো তুলে ধরেছিল। তবে ব্যাংকগুলো আসল বা প্রিন্সিপাল ঋণ মওকুফের বিরোধিতা করেছে, কারণ এটি ব্যাংক কোম্পানি আইনের পরিপন্থী। তবে সাসপেন্স অ্যাকাউন্টে থাকা সুদ মওকুফের বিকল্পটি তারা মেনে নিয়েছে, যেহেতু এগুলো ব্যাংকের আয়ে যোগ করা হয়নি। একজন নির্বাহী বলেন, আরোপিত সুদ মওকুফের বিষয়টি কেস-বাই-কেস বিবেচনা করা হবে, কারণ এটি করা হলে ২০২৬ সালে ব্যাংকগুলোর আয় সরাসরি কমে যাবে। তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) চাপের কারণে খেলাপি ঋণ কমাতে মরিয়া হয়েই কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই নতুন বিকল্প নিয়ে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক শিগগির একটি নতুন ঋণ কর্মসূচির জন্য আইএমএফের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে এবং এর আগেই যেকোনো উপায়ে খেলাপি ঋণের

হার কমিয়ে আনতে চাইছে। ২০২৫ সালের শেষে খেলাপি ঋণ, পুনঃতফসিল করা ঋণ ও অবলোপন করা (রাইট-অফ) ঋণসহ দেশের মোট ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০.৮৭ লাখ কোটি টাকা, যা ব্যাংকিং খাতের মোট ঋণের ৬০ শতাংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) সাবেক মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী। তিনি বলেন, “আমি মনে করি, বাংলাদেশ ব্যাংক অত্যন্ত অনৈতিক একটি কাজ করছে। আমানতকারীদের টাকা ক্ষমা করার অধিকার কারো নেই। সুদ মওকুফ করার এই ব্যাংকগুলো কে? এই টাকার আসল মালিক তো আমানতকারীরা। তারা তো এই ঋণ মাফ করেননি, তবু ব্যাংকগুলোকে সুদ মওকুফের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এটিকে কিভাবে যৌক্তিক বলা যায়?” তিনি আরও

বলেন, এর ফলে খেলাপিরা আরও বেশি উৎসাহিত হবে। তার ভাষায়, “আমরা ঋণখেলাপিদের একের পর এক সুবিধা দিয়েই যাচ্ছি, কিন্তু তাতে কোনো উন্নতি হয়নি।” বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর মুহাম্মদ এ (রুমি) আলী বলেন, “ব্যাংকগুলো যদি ইতোমধ্যে আয় হিসেবে বুক করা সুদ মওকুফ করে, তবে আগামী বছরগুলোতে তাদের এই ক্ষতি মেনে নিতে হবে। এর প্রভাব কতটা পড়বে, তা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট ঋণ হিসাবগুলোর আকারের ওপর। বড় বড় মন্দ ঋণের ক্ষেত্রে যদি বিপুল পরিমাণ সুদ মওকুফ করা হয়, তবে ব্যাংকগুলোর আয় এবং মূলধন পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।” তিনি সতর্ক করে আরও বলেন, “এই নীতি ব্যাংকের সক্ষমতা ও স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত

তা আমানতকারীদেরও প্রভাবিত করবে।” তিনি এই পদক্ষেপের কর ব্যবস্থার ওপর প্রভাবের কথাও তুলে ধরেন। তাঁর ব্যাখ্যায়, অনেক ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো ইতোমধ্যে সুদ আয়ের ওপর কর দিয়ে দিয়েছে, যা পরে হয়তো মওকুফ করতে হতে পারে, অথচ এই মওকুফের জন্য ব্যাংকগুলো কোনো কর সুবিধা বা সমন্বয় পাবে কি না তা এখনো স্পষ্ট নয়। রুমি আলী আরও বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক কার্যত পূর্বানুমতি ছাড়াই সুদ মওকুফের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ব্যাংকগুলোর ওপর ছেড়ে দিয়েছে, যা নমনীয়তা দিলেও ঝুঁকি বাড়ায়, বিশেষ করে আর্থিকভাবে দুর্বল ব্যাংকগুলোর জন্য। তিনি বলেন, “আমানতকারীদের জন্য নিশ্চিতভাবেই ঝুঁকি রয়েছে, বিশেষ করে যেসব ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা ইতিমধ্যে নাজুক। এই ধরনের ব্যাংকগুলোকে যদি আরও বেশি আয় রাইট-অফ করতে হয় এবং বড় লোকসান দেখাতে হয়, তবে তাদের আর্থিক ভিত্তি আরও দুর্বল হয়ে পড়বে।” বড় খেলাপিদের ক্রমাগত ছাড় দেওয়ার নীতিরও সমালোচনা করেন রুমি আলী। তার যুক্তি, তাদের অনেকেরই বিপুল সম্পদ রয়েছে, যা ব্যাংক ঋণ আদায়ের জন্য বিক্রি করা যেতে পারে। তাদেরকে আরও ছাড় দেওয়ার আগে ঋণের টাকায় দেশে ও বিদেশে গড়ে তোলা সম্পদ খুঁজে বের করে আইনি প্রক্রিয়ায় আনা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। এদিকে একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের এক শীর্ষ নির্বাহী জানান, নতুন সার্কুলারে সাসপেন্স অ্যাকাউন্টে রাখা সুদ মওকুফের নিয়ম শিথিল করা হয়েছে এবং ব্যাংকগুলো একমত হয়েছে যে এই স্থগিত সুদগুলো ব্যাংকের প্রকৃত আয় হিসেবে গণ্য হয় না, কারণ এগুলো আদায় করা হয়নি। তাঁর ব্যাখ্যায়, যদি স্থগিত সুদের বিপরীতে ইতোমধ্যে প্রভিশন রাখা হয়ে থাকে, তবে মওকুফের ফলে মূলত প্রভিশন সমন্বয় হবে এবং মুনাফায় তেমন বড় প্রভাব পড়বে না। তবে প্রভিশন না থাকলে এবং সুদটি আগে আয় হিসেবে দেখানো হয়ে থাকলে এই মওকুফ ব্যাংকের মুনাফা কমিয়ে দেবে বলে তিনি জানান। অতীতে কেন এই সুবিধা দেওয়া হয়নি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঋণগ্রহীতারা ঋণ পরিশোধ করুক আর না করুক, ব্যাংকগুলোকে আমানতকারীদের ফান্ডের খরচ ঠিকই দিতে হয়, তাই অতিরিক্ত সুদ মওকুফ ব্যাংকের মুনাফায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে তার মতে, এককালীন নিষ্পত্তির মাধ্যমে এই অর্থ সরিয়ে ফেলা হলে সার্বিক শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ কমে আসতে পারে; বারবার ঋণ পুনঃতফসিল করা কেবল সমস্যাটিকে এড়িয়ে যাওয়া, সমাধান নয়। তার মতে এই নীতির প্রাথমিক সুবিধা হলো জমে থাকা সুদ মওকুফের সম্ভাবনা, যা সংকটাপন্ন ঋণগ্রহীতাদের ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে বের হয়ে যাওয়া এবং ব্যাংকগুলোর জন্য তাদের অনাদায়ী ঋণের অন্তত কিছু অংশ উদ্ধার করা সহজ করে তুলবে। তবে তিনি মনে করেন, ব্যাংকিং খাতের সমস্যার টেকসই সমাধানের জন্য আরও ব্যাপক কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন, বিশেষ করে একটি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি (এএমসি) গঠন এবং সংকটাপন্ন সম্পদ ও দীর্ঘমেয়াদি খেলাপিদের মোকাবিলার জন্য আরও কার্যকর ব্যবস্থা তৈরি করা, যাতে এই কোম্পানিগুলো ব্যাংক থেকে ছাড়কৃত মূল্যে সংকটাপন্ন সম্পদ কিনে ব্যাংকগুলোকে ব্যালেন্স শিট পরিষ্কার করতে ও আর্থিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সাহায্য করতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো ২০২৪ ও ২০২৫—এই দুই বছরে ২.৫৬ লাখ কোটি টাকারও বেশি ঋণ পুনঃতফসিল করেছে, যার ৪০ শতাংশই আবার খেলাপি হয়ে গেছে। এ বিষয়ে অপর একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের একজন শীর্ষ নির্বাহী বলেন, এর কারণ হলো খেলাপি কোম্পানিগুলোর মূল সমস্যার সমাধান না হওয়া। তার ব্যাখ্যায়, ওই খেলাপি কোম্পানিগুলোর বেশির ভাগই চলার মতো অবস্থায় ছিল না, কারণ তাদের ঋণ-ইকুইটি অনুপাত ১০০ শতাংশ ছাড়িয়ে গিয়েছিল, অর্থাৎ তাদের কোনো মূলধন ছিল না। এই অবস্থায় পুঁজি জোগান বা সম্পদ বিক্রি তাদের বাঁচাতে পারত, কিন্তু তার বদলে তাদের আরও ঋণ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়, যা দায়ের বোঝা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। নিজ ব্যাংকের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “আমরা পলিসি কমিটির অনুমোদন অনুযায়ী একটি পুনঃতফসিলের কেসও মেনে চলিনি। বরং আমরা গ্রাহকদের ঋণ পরিশোধের জন্য সম্পদ বিক্রি করতে, আরও ঋণের সুবিধার জন্য সম্পদ বন্ধক রাখতে এবং ব্যবসার পরিধি ছোট করতে বাধ্য করেছি, যা তাদের টিকে থাকতে সাহায্য করেছে।” তিনি জানান, এসব কঠোর পদক্ষেপের কারণে ওই কোম্পানিগুলো গ্রেস পিরিয়ড না নিয়েও সর্বোচ্চ ৮ বছরের জন্য ঋণ পুনঃতফসিল করার পর এখনো ঋণ পরিশোধ করে যাচ্ছে। তার মতে, অন্যদিকে পলিসি কমিটি ২ বছরের গ্রেস পিরিয়ড অনুমোদন করায় কিস্তির পরিমাণ বেড়ে যায়, ফলে অনেকে আর ঋণ পরিশোধ চালিয়ে যেতে পারেনি এবং শেষ পর্যন্ত আবারও খেলাপি হয়ে পড়ে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ভারত থেকে ২০০ রেলকোচ ক্রয়: শেখ হাসিনা সরকারের করা চুক্তি বাতিল নয়, বাস্তবায়ন করছে বিএনপি, এ মাসেই আসছে ২০টি কোচ ঋণ খেলাপিদের ১ লাখ কোটি টাকা সুদ মওকুফ: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্তের সমালোচনা সাবেক প্রধান বিচারপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানি পেছাল যা-ই ঘটুক না কেন, মাথা উঁচু করে বিদায় নেব: রোনালদো নাহিদের রেকর্ড ম্লান, হারারেতে বেহাল ব্যাটিংয়ে হারল বাংলাদেশ ইয়ামাল: মুসলিম হওয়ায় আমি শরীরে ট্যাটু আঁকাতে পারব না প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারি নির্দেশনায় রাজনীতির চর্চা: বাধ্যতামূলক হচ্ছে জিয়া পরিবারের ৩ বই পানছড়িতে ইউপিডিএফ-জেএসএস গোলাগুলিতে নিহত ৩ ৫৫ লাখ গ্রাহক ২৬৪ কোটি টাকার ফাঁদে: প্রিপেইড মিটার ভাড়া নিয়ে বিএনপির প্রচারণা ছিলো গুজব ব্যালোগানের শাস্তি স্থগিতের ঘটনায় ফিফা ‘সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে’: উয়েফা রোহিঙ্গাদের হাতে ৮ হাজার একর বনভূমি উজাড়ের ফল: পাহাড় ধসে ৩ ঘণ্টায় ঝরল ৯টি প্রাণ অ্যাটর্নি জেনারেলকে সহকারীর থাপ্পড়, সুপ্রিম কোর্টে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের দ্বন্দ্ব চরমে আওয়ামী লীগ আমলে গুরুত্বপূর্ণ পদে অবদান রাখা ৩৩ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দুই বিদেশি নারীকে অপহরণের পর গণধর্ষণে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যসহ আটক ৪ একই গ্রাহকের একই ব্যবহারে প্রি-পেইড মিটারে জুনে বিদ্যুৎ বিল দ্বিগুণ-তিন গুণ! পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করবে সরকার মালয়েশিয়ায় রাতভর সাঁড়াশি অভিযানে বাংলাদেশিসহ আটক ২০০ রাষ্ট্রপতি: গ্রামবাংলা আমাদের শিকড়, শক্তি ও সম্ভাবনার আধার জুলাই নিয়ে মন্তব্য: আনিস আলমগীর, পিয়া সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা ট্রাম্পের এক ফোন কলেই বদলে গেল ফিফার নিয়ম, বিতর্কের ঝড়