ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাবেক প্রধান বিচারপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানি পেছাল
৫৫ লাখ গ্রাহক ২৬৪ কোটি টাকার ফাঁদে: প্রিপেইড মিটার ভাড়া নিয়ে বিএনপির প্রচারণা ছিলো গুজব
অ্যাটর্নি জেনারেলকে সহকারীর থাপ্পড়, সুপ্রিম কোর্টে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের দ্বন্দ্ব চরমে
একই গ্রাহকের একই ব্যবহারে প্রি-পেইড মিটারে জুনে বিদ্যুৎ বিল দ্বিগুণ-তিন গুণ!
পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করবে সরকার
রাষ্ট্রপতি: গ্রামবাংলা আমাদের শিকড়, শক্তি ও সম্ভাবনার আধার
জুলাই নিয়ে মন্তব্য: আনিস আলমগীর, পিয়া সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা
রোহিঙ্গাদের হাতে ৮ হাজার একর বনভূমি উজাড়ের ফল: পাহাড় ধসে ৩ ঘণ্টায় ঝরল ৯টি প্রাণ
প্রকৃতির রুদ্ররূপ আর টানা ভারী বর্ষণে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে কক্সবাজারের একাধিক এলাকা। গতকাল রোববার দিবাগত রাত ১টা থেকে সোমবার ভোর ৪টার মধ্যে পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ অন্তত নয়জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে ৮ জনই উখিয়ার বিভিন্ন রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের বাসিন্দা এবং অপরজন কক্সবাজার পৌরসভার স্থানীয় নাগরিক।
আজ ৬ই জুলাই, সোমবার ভোর চারটার দিকে কক্সবাজার পৌরসভার ছাত্তারের ঘোনা এলাকায় গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন একটি পরিবারের ওপর নেমে আসে পাহাড়ের সাক্ষাৎ যম। পাহাড়ের বিশাল একটি অংশ ধসে পড়ে আলী আকবর (৪৫) নামের এক ব্যক্তির বসতঘরের ওপর। মাটির নিচে চাপা পড়েন পরিবারের তিন সদস্য।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রতিবেশীরা দ্রুত তাদের উদ্ধার
করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আলী আকবরকে মৃত ঘোষণা করেন। বেঁচে যাওয়া অপর দুই সদস্য বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী এই মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঝুঁকিপূর্ণ বসতিগুলো থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার জরুরি প্রক্রিয়া চলছে। উখিয়ার বালুখালী, কুতুপালং ও জামতলী আশ্রয়শিবিরে রাত একটা থেকে তিনটার মধ্যে পাহাড় যেন জ্যান্ত কবরে পরিণত হয়। ক্যাম্প-১৫ (জামতলী): রাত দেড়টার দিকে পাহাড়ের বিশাল খণ্ড ধসে পড়ে কামাল হোসাইনের ঘরের ওপর। ঘুমন্ত অবস্থাতেই প্রাণ হারান কামাল হোসাইন (৪৪), তার স্ত্রী হুমায়রা বেগম (৩৯) এবং তাদের মাত্র ৪ বছরের শিশুসন্তান মোহাম্মদ আনাস। ফায়ার সার্ভিস ও রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবীরা মাটি
কেটে এই একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেন। ক্যাম্প-১১ (বালুখালী): রাত সাড়ে তিনটার দিকে আরেকটি পৃথক ধসের ঘটনায় এক পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন—উম্মে হাবিবা (২৭), তার বোন তানজিনা আক্তার (১৩), ভাই হারুনুর রশিদ (৩) এবং মোহাম্মদ রিহান (৫)। ক্যাম্প-৭ (কুতুপালং): রাত দুইটার দিকে পাহাড়ধসের কবলে পড়ে মো. একরাম নামের ৭ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়। ৮ হাজার একরের ক্ষত: ঝুঁকিতে ৮০ হাজার জীবন উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মকর্তা ডলার ত্রিপুরা জানিয়েছেন, অতি ভারী বৃষ্টির কারণে আরও বড় ধরনের পাহাড়ধসের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। আশ্রয়শিবিরের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, ২০১৭ সালে উখিয়া ও টেকনাফের প্রায় ৮ হাজার একর বনভূমি উজাড় করে গড়ে
তোলা হয়েছিল এই আশ্রয়শিবিরগুলো। বর্তমানে ৩৩টি ক্যাম্পে সাড়ে ১৪ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছেন, যার মধ্যে অন্তত ৮০ হাজার রোহিঙ্গা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের ঢালুতে দিনাতিপাত করছেন। ফলে প্রতিবছর বর্ষা এলেই এখানে মৃত্যুর মিছিল বাধ্যতামূলক নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাহাড়ের এই মরণফাঁদ থেকে সাধারণ মানুষ ও বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে না নিলে যেকোনো মুহূর্তে আরও বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আলী আকবরকে মৃত ঘোষণা করেন। বেঁচে যাওয়া অপর দুই সদস্য বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী এই মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঝুঁকিপূর্ণ বসতিগুলো থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার জরুরি প্রক্রিয়া চলছে। উখিয়ার বালুখালী, কুতুপালং ও জামতলী আশ্রয়শিবিরে রাত একটা থেকে তিনটার মধ্যে পাহাড় যেন জ্যান্ত কবরে পরিণত হয়। ক্যাম্প-১৫ (জামতলী): রাত দেড়টার দিকে পাহাড়ের বিশাল খণ্ড ধসে পড়ে কামাল হোসাইনের ঘরের ওপর। ঘুমন্ত অবস্থাতেই প্রাণ হারান কামাল হোসাইন (৪৪), তার স্ত্রী হুমায়রা বেগম (৩৯) এবং তাদের মাত্র ৪ বছরের শিশুসন্তান মোহাম্মদ আনাস। ফায়ার সার্ভিস ও রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবীরা মাটি
কেটে এই একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেন। ক্যাম্প-১১ (বালুখালী): রাত সাড়ে তিনটার দিকে আরেকটি পৃথক ধসের ঘটনায় এক পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন—উম্মে হাবিবা (২৭), তার বোন তানজিনা আক্তার (১৩), ভাই হারুনুর রশিদ (৩) এবং মোহাম্মদ রিহান (৫)। ক্যাম্প-৭ (কুতুপালং): রাত দুইটার দিকে পাহাড়ধসের কবলে পড়ে মো. একরাম নামের ৭ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়। ৮ হাজার একরের ক্ষত: ঝুঁকিতে ৮০ হাজার জীবন উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মকর্তা ডলার ত্রিপুরা জানিয়েছেন, অতি ভারী বৃষ্টির কারণে আরও বড় ধরনের পাহাড়ধসের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। আশ্রয়শিবিরের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, ২০১৭ সালে উখিয়া ও টেকনাফের প্রায় ৮ হাজার একর বনভূমি উজাড় করে গড়ে
তোলা হয়েছিল এই আশ্রয়শিবিরগুলো। বর্তমানে ৩৩টি ক্যাম্পে সাড়ে ১৪ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছেন, যার মধ্যে অন্তত ৮০ হাজার রোহিঙ্গা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের ঢালুতে দিনাতিপাত করছেন। ফলে প্রতিবছর বর্ষা এলেই এখানে মৃত্যুর মিছিল বাধ্যতামূলক নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাহাড়ের এই মরণফাঁদ থেকে সাধারণ মানুষ ও বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে না নিলে যেকোনো মুহূর্তে আরও বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।



