ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাবেক প্রধান বিচারপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানি পেছাল
৫৫ লাখ গ্রাহক ২৬৪ কোটি টাকার ফাঁদে: প্রিপেইড মিটার ভাড়া নিয়ে বিএনপির প্রচারণা ছিলো গুজব
রোহিঙ্গাদের হাতে ৮ হাজার একর বনভূমি উজাড়ের ফল: পাহাড় ধসে ৩ ঘণ্টায় ঝরল ৯টি প্রাণ
একই গ্রাহকের একই ব্যবহারে প্রি-পেইড মিটারে জুনে বিদ্যুৎ বিল দ্বিগুণ-তিন গুণ!
পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করবে সরকার
রাষ্ট্রপতি: গ্রামবাংলা আমাদের শিকড়, শক্তি ও সম্ভাবনার আধার
জুলাই নিয়ে মন্তব্য: আনিস আলমগীর, পিয়া সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা
অ্যাটর্নি জেনারেলকে সহকারীর থাপ্পড়, সুপ্রিম কোর্টে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের দ্বন্দ্ব চরমে
অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে সংঘটিত ঘটনার বিষয়ে নতুন তথ্য মিলেছে। প্রাথমিকভাবে চার ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের বিরুদ্ধে অসংযত আচরণ, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও সরকারি কাজে বিঘ্ন সৃষ্টির অভিযোগ এনে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও, সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ঘটনার একপর্যায়ে অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজলকে তারই এক সহকারী শারীরিকভাবে আঘাত করেন।
একাধিক প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সহকারী তাকে থাপ্পড় মারেন। এরপর কার্যালয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
সূত্রগুলো বলছে, বেঞ্চে মামলা পরিচালনার দায়িত্ব বণ্টনকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ কয়েকজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল রোববার দুপুরে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে যান। সেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং হাতাহাতির ঘটনাও
ঘটে। তবে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় থেকে জারি করা কারণ দর্শানোর নোটিশে শারীরিক হামলার কোনো উল্লেখ নেই। নোটিশে বলা হয়েছে, চার ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল, মো. জহিরুল ইসলাম (সুমন), মো. রফিকুল ইসলাম (মন্টু), মুহাম্মদ মাসুদ রানা ও মো. আশিকুজ্জামান (নজরুল) অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে অসংযত আচরণ করেন, ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার হুমকি দেন। ঘটনাটি কার্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজে ধারণ করা হয়েছে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়। নোটিশে চার কর্মকর্তাকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে এবং কেন তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তার জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জহিরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল দায়িত্ব নেওয়ার
পর থেকে অনেক ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলকে আদালতে মামলা পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে কথা বলতেই তারা তার কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। নোটিশে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলো সত্য নয় বলে দাবি করেন তিনি। এদিকে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক আইনজীবীর দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপিপন্থী হিসেবে পরিচিত আইনজীবীদের একটি অংশের মধ্যে নেতৃত্ব, প্রভাব এবং রাষ্ট্রের পক্ষে মামলা পরিচালনার দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে বিরোধ ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। তাদের মতে, অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের সর্বশেষ ঘটনাটি সেই দ্বন্দ্বেরই বহিঃপ্রকাশ। তবে অ্যাটর্নি জেনারেলকে থাপ্পড় মারার অভিযোগ সম্পর্কে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের বক্তব্যও জানা সম্ভব হয়নি।
ঘটে। তবে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় থেকে জারি করা কারণ দর্শানোর নোটিশে শারীরিক হামলার কোনো উল্লেখ নেই। নোটিশে বলা হয়েছে, চার ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল, মো. জহিরুল ইসলাম (সুমন), মো. রফিকুল ইসলাম (মন্টু), মুহাম্মদ মাসুদ রানা ও মো. আশিকুজ্জামান (নজরুল) অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে অসংযত আচরণ করেন, ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার হুমকি দেন। ঘটনাটি কার্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজে ধারণ করা হয়েছে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়। নোটিশে চার কর্মকর্তাকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে এবং কেন তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তার জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জহিরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল দায়িত্ব নেওয়ার
পর থেকে অনেক ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলকে আদালতে মামলা পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে কথা বলতেই তারা তার কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। নোটিশে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলো সত্য নয় বলে দাবি করেন তিনি। এদিকে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক আইনজীবীর দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে বিএনপিপন্থী হিসেবে পরিচিত আইনজীবীদের একটি অংশের মধ্যে নেতৃত্ব, প্রভাব এবং রাষ্ট্রের পক্ষে মামলা পরিচালনার দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে বিরোধ ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। তাদের মতে, অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের সর্বশেষ ঘটনাটি সেই দ্বন্দ্বেরই বহিঃপ্রকাশ। তবে অ্যাটর্নি জেনারেলকে থাপ্পড় মারার অভিযোগ সম্পর্কে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের বক্তব্যও জানা সম্ভব হয়নি।



