প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারি নির্দেশনায় রাজনীতির চর্চা: বাধ্যতামূলক হচ্ছে জিয়া পরিবারের ৩ বই – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৭ July, ২০২৬

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারি নির্দেশনায় রাজনীতির চর্চা: বাধ্যতামূলক হচ্ছে জিয়া পরিবারের ৩ বই

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ July, ২০২৬ |
দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লাইব্রেরির জন্য একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। খুদে শিক্ষার্থীদের পড়ার জন্য এখন থেকে প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে তিনটি নির্দিষ্ট বইয়ের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ সেট সংরক্ষণ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের এই সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, তালিকায় থাকা বই তিনটি হলো: ১. ‘প্রেসিডেন্ট জিয়া: রাজনৈতিক জীবনী’, ২. ‘বেগম খালেদা জিয়া: জীবন ও সংগ্রাম’, ৩. ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ অফিস আদেশের নেপথ্যে গত ১৮ই মে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রওশন আরা পলি স্বাক্ষরিত একটি অফিস আদেশে এই নির্দেশনা জারি করা

হয়। আদেশে দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই তিনটি বইয়ের সমন্বয়ে এক সেট বই সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের এই আদেশ পাওয়ার পর মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে (ডিজি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অফিস আদেশটি সম্প্রতি ইন্টারনেটে ও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই এটি নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ করে প্রাথমিক স্তরের শিশুদের জন্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের জীবনীর অন্তর্ভুক্তি নিয়ে নেটিজেন এবং শিক্ষা অনুরাগী মহলে তৈরি হয়েছে নানামুখী গুঞ্জন। কোমলমতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের লাইব্রেরিতে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের জীবনী ও রাজনৈতিক দর্শনের বই রাখার এই সরকারি সিদ্ধান্তকে সহজভাবে নিতে পারছেন না দেশের শিক্ষাবিদ ও

সচেতন সমাজ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করছেন। উদ্বেগ প্রকাশ করে সচেতন মহলের প্রতিনিধিরা বলছেন, প্রাথমিক শিক্ষার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত শিশুদের সৃজনশীলতা, বিজ্ঞানমনস্কতা এবং অরাজনৈতিক নৈতিক শিক্ষার বিকাশ ঘটানো। এত ছোট বয়সেই শিশুদের বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে রাজনৈতিক ঘরানার বইয়ের মুখোমুখি করা হলে তা তাদের মনস্তাত্ত্বিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। শিক্ষাঙ্গনে এমন রাজনৈতিক চর্চা বা দিকনির্দেশনা ভবিষ্যতে শিক্ষার পরিবেশকে আরও বেশি মেরুকরণের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তারা। লাইব্রেরির জন্য বই নির্বাচনের ক্ষেত্রে আরও বেশি সতর্কতা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত ছিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এই সমালোচনা ও উদ্বেগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তরের

ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না গ্রিন ডেল্টাসহ দুই কোম্পানির মেরিন কার্গো বিমা বিক্রিতে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার, মামলায় ৪২ জনের নাম উল্লেখসহ ৩৪২ জন আসামি মিরপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার, ২০টি ককটেল উদ্ধার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন সাফে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছেই পাত্তা পেল না পাকিস্তান শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের হামলা, ৩ আহত, ৯ গ্রেপ্তার তাহসিফ হত্যায় দীপকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন পুলিশের