ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল
শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময় নির্ধারণ
জীবনযাত্রার ব্যয়ে লাগাম টানার চেষ্টা
মাস্টারমাইন্ড মাহফুজ: ‘জীবন বাঁচাতে চুপ ছিলাম অন্তরীণ সরকারের সময়, তবু এনসিপি-জাশির আক্রমণ থামছে না’
থানায় পিঠ বাঁচলেও ডিসি অফিসে ধোলাই খেলেন পুলিশ হত্যাকারী সমন্বয়ক মাহাদী
দেশরত্ন শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ
তদন্তের আগেই দুই কৃষি কর্মকর্তাকে বদলি, ডিএই’র ডিজি লাঞ্ছিত
ঈদযাত্রায় দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া, দুই দশকের রেকর্ড ভাঙছে এবারের নৈরাজ্য: আদায় হবে অতিরিক্ত ১৫০ কোটি টাকা
যাত্রী কল্যাণ সমিতির সমীক্ষা বলছে, দূরপাল্লার যাত্রায় গড়ে ৩৫০ টাকা করে অতিরিক্ত আদায়ের মাধ্যমে প্রায় ১২১ কোটি ৮০ লাখ টাকা এবং সিটি সার্ভিসে গড়ে ৫০ টাকা করে প্রায় ২৬ কোটি ১০ লাখ টাকা অতিরিক্ত আদায় হতে পারে। সব মিলে যাত্রীদের পকেট থেকে অতিরিক্ত বেরিয়ে যাবে প্রায় ১৪৮ কোটি টাকা।
পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে সড়কপথে যাত্রী পরিবহনে ভাড়া নিয়ে চরম বিশৃঙ্খলার অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নির্ধারিত ভাড়া উপেক্ষা করে দূরপাল্লা থেকে সিটি সার্ভিস—সবখানেই দ্বিগুণ-তিনগুণ পর্যন্ত বেশি ভাড়া আদায়ের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। যাত্রী অধিকার নিয়ে কাজ করা বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি বলছে, এমন পরিস্থিতি গত দুই দশকের মধ্যে নজিরবিহীন।
আজ ১৮ই মার্চ, বুধবার প্রকাশিত
এক সমীক্ষা প্রতিবেদনে সংগঠনটির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী জানান, এবারের ঈদ মৌসুমে অতিরিক্ত ভাড়া বাবদ যাত্রীদের কাছ থেকে প্রায় ১৪৮ কোটি টাকা আদায় হতে পারে। সমীক্ষায় দেখা গেছে, ১৪ থেকে ১৮ই মার্চ পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৮৭ শতাংশ বাস ও মিনিবাস সরকারি ভাড়ার চার্ট অমান্য করছে। ঈদ উপলক্ষে সারা দেশে প্রায় ৪০ লাখ দূরপাল্লার এবং ৬০ লাখ সিটি সার্ভিস ট্রিপ হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে। বিভিন্ন রুটে ভাড়ার অস্বাভাবিক বৃদ্ধির চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে। ঢাকা–পাবনা ও নাটোর রুটে ৫৫০ টাকার ভাড়া বেড়ে ১২০০ টাকা, ঢাকা–রংপুরে ৫০০ টাকার ভাড়া ১৫০০ টাকা এবং ঢাকা–ময়মনসিংহে ২৫০ টাকার ভাড়া ৬০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া
নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, খুলনা ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন রুটেও নিয়মিত ভাড়ার চেয়ে কয়েকশ টাকা বেশি আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনেক ক্ষেত্রে ৫২ আসনের বাসে ৪০ আসনের ভিত্তিতে ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। আবার নির্দিষ্ট গন্তব্যের টিকিট না থাকার অজুহাতে যাত্রীদের দূরের গন্তব্যের টিকিট কিনতে বাধ্য করার ঘটনাও ঘটছে।News মোজাম্মেল হক চৌধুরীর অভিযোগ, সরকার ভাড়া নির্ধারণে শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস অন্তর্ভুক্ত করলেও মালিকরা তা যথাযথভাবে পরিশোধ করেন না। ফলে ঈদ বোনাসের চাপ শেষ পর্যন্ত যাত্রীদের ওপরই পড়ে। পাশাপাশি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, পরিবহন খাতে চাঁদাবাজি এবং অতিরিক্ত মুনাফার প্রবণতাকেও এই পরিস্থিতির কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সরকারি তদারকি ব্যবস্থায় যাত্রী প্রতিনিধিত্ব না থাকায় ভাড়া
নিয়ন্ত্রণ কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে। সমীক্ষা অনুযায়ী, দূরপাল্লার যাত্রায় গড়ে ৩৫০ টাকা করে অতিরিক্ত আদায়ের মাধ্যমে প্রায় ১২১ কোটি ৮০ লাখ টাকা এবং সিটি সার্ভিসে গড়ে ৫০ টাকা করে প্রায় ২৬ কোটি ১০ লাখ টাকা অতিরিক্ত আদায় হতে পারে। সব মিলে যাত্রীদের পকেট থেকে অতিরিক্ত বেরিয়ে যাবে প্রায় ১৪৮ কোটি টাকা। সংগঠনটির আশঙ্কা, এই ভাড়া বিশৃঙ্খলা সামাজিক অস্থিরতা বাড়ানোর পাশাপাশি সড়ক নিরাপত্তাকেও ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। পরিস্থিতি সামাল দিতে গণপরিবহনে ডিজিটাল ভাড়া ব্যবস্থা চালু, নগদ লেনদেন সীমিত করা এবং মহাসড়কে নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছে তারা।
এক সমীক্ষা প্রতিবেদনে সংগঠনটির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী জানান, এবারের ঈদ মৌসুমে অতিরিক্ত ভাড়া বাবদ যাত্রীদের কাছ থেকে প্রায় ১৪৮ কোটি টাকা আদায় হতে পারে। সমীক্ষায় দেখা গেছে, ১৪ থেকে ১৮ই মার্চ পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৮৭ শতাংশ বাস ও মিনিবাস সরকারি ভাড়ার চার্ট অমান্য করছে। ঈদ উপলক্ষে সারা দেশে প্রায় ৪০ লাখ দূরপাল্লার এবং ৬০ লাখ সিটি সার্ভিস ট্রিপ হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে। বিভিন্ন রুটে ভাড়ার অস্বাভাবিক বৃদ্ধির চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে। ঢাকা–পাবনা ও নাটোর রুটে ৫৫০ টাকার ভাড়া বেড়ে ১২০০ টাকা, ঢাকা–রংপুরে ৫০০ টাকার ভাড়া ১৫০০ টাকা এবং ঢাকা–ময়মনসিংহে ২৫০ টাকার ভাড়া ৬০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া
নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, খুলনা ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন রুটেও নিয়মিত ভাড়ার চেয়ে কয়েকশ টাকা বেশি আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনেক ক্ষেত্রে ৫২ আসনের বাসে ৪০ আসনের ভিত্তিতে ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। আবার নির্দিষ্ট গন্তব্যের টিকিট না থাকার অজুহাতে যাত্রীদের দূরের গন্তব্যের টিকিট কিনতে বাধ্য করার ঘটনাও ঘটছে।News মোজাম্মেল হক চৌধুরীর অভিযোগ, সরকার ভাড়া নির্ধারণে শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস অন্তর্ভুক্ত করলেও মালিকরা তা যথাযথভাবে পরিশোধ করেন না। ফলে ঈদ বোনাসের চাপ শেষ পর্যন্ত যাত্রীদের ওপরই পড়ে। পাশাপাশি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, পরিবহন খাতে চাঁদাবাজি এবং অতিরিক্ত মুনাফার প্রবণতাকেও এই পরিস্থিতির কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সরকারি তদারকি ব্যবস্থায় যাত্রী প্রতিনিধিত্ব না থাকায় ভাড়া
নিয়ন্ত্রণ কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে। সমীক্ষা অনুযায়ী, দূরপাল্লার যাত্রায় গড়ে ৩৫০ টাকা করে অতিরিক্ত আদায়ের মাধ্যমে প্রায় ১২১ কোটি ৮০ লাখ টাকা এবং সিটি সার্ভিসে গড়ে ৫০ টাকা করে প্রায় ২৬ কোটি ১০ লাখ টাকা অতিরিক্ত আদায় হতে পারে। সব মিলে যাত্রীদের পকেট থেকে অতিরিক্ত বেরিয়ে যাবে প্রায় ১৪৮ কোটি টাকা। সংগঠনটির আশঙ্কা, এই ভাড়া বিশৃঙ্খলা সামাজিক অস্থিরতা বাড়ানোর পাশাপাশি সড়ক নিরাপত্তাকেও ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। পরিস্থিতি সামাল দিতে গণপরিবহনে ডিজিটাল ভাড়া ব্যবস্থা চালু, নগদ লেনদেন সীমিত করা এবং মহাসড়কে নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছে তারা।



