ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গুলশান ফ্ল্যাট দখল ও হামলা: গিকা চৌধুরীর দুই ছেলেসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
ইংরেজি শিখতে সরকারি ৩৫০ কর্মকর্তাকে থাইল্যান্ড পাঠাচ্ছে সরকার!
আলোচনায় প্রেস সচিব: উপদেষ্টার সাবেক এপিএস-এর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
ইউনূসের সংবিধান সংস্কার-বাস্তবায়ন আদেশ জাতীয় প্রতারণার দলিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
এআইআইবি সহায়তা অনিশ্চিত, জ্বালানি বাজার অস্থিরতায় বাজেট বাস্তবায়নে বাড়ছে চাপ
ইউনূস সরকারের ‘বিলাসী’ ঋণের বিশাল বোঝা জেন জির কাঁধে?
ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে শিশুদের গণহারে পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আইসিটি রায় নিয়ে আন্তর্জাতিক আইনি আপত্তি, বিচার প্রক্রিয়াকে “অবৈধ” দাবি
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)-এর দেওয়া রায় ও বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর আপত্তি জানিয়ে একটি বিস্তারিত আইনি চিঠি পাঠানো হয়েছে।
লন্ডনভিত্তিক আইন প্রতিষ্ঠান কিংসলে ন্যাপলি এলএলপি শেখ হাসিনার পক্ষে এই চিঠি প্রেরণ করে, যেখানে বিচার প্রক্রিয়াকে আন্তর্জাতিক আইনের মানদণ্ডের পরিপন্থী এবং সম্পূর্ণ অবৈধ বলে দাবি করা হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয় যে, শেখ হাসিনার বিচার অনুপস্থিত অবস্থায় (in absentia) পরিচালিত হয়েছে এবং তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে—যা আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতিমালা লঙ্ঘন করে।
আইনজীবীরা উল্লেখ করেন, এই বিচার প্রক্রিয়ায় ন্যায্যতা, স্বচ্ছতা এবং যথাযথ আইনি অধিকার নিশ্চিত করা হয়নি।
চিঠিতে একাধিক গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়েছে। এতে বলা হয়, আইসিটির বিচারক
প্যানেল পুনর্গঠন নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে এবং নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারকদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ও অভিজ্ঞতার অভাব বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন করেছে। বিচার চলাকালে বিচারকের পক্ষপাতদুষ্ট মন্তব্যও সামনে এসেছে, যা নিরপেক্ষতার অভাব নির্দেশ করে। প্রসিকিউশনের ক্ষেত্রেও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রধান প্রসিকিউটরের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং বিরোধী দলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিচার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করেছে বলে দাবি করা হয়। এমনকি বিচার চলাকালীন সময়েও তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। চিঠিতে আরও বলা হয়, শেখ হাসিনাকে অভিযোগ সম্পর্কে যথাযথভাবে অবহিত করা হয়নি এবং তাকে নিজের পছন্দের আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়নি। আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য পর্যাপ্ত সময় ও সুযোগ না দেওয়াও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ
করা হয়েছে। আইনজীবীরা উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক আইনে বিশেষ পরিস্থিতি ছাড়া অনুপস্থিতিতে বিচার গ্রহণযোগ্য নয়। কিন্তু এই ক্ষেত্রে সেই শর্ত পূরণ করা হয়নি। এছাড়া মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে যে কঠোর আইনি মানদণ্ড প্রযোজ্য, তা অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। চিঠিতে আইসিটির এখতিয়ার নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বলা হয়, এই ট্রাইব্যুনাল মূলত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন অপরাধ বিচারের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের আন্দোলন-সংক্রান্ত ঘটনায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা পরিচালনা আইসিটির এখতিয়ারের বাইরে। আইন সংশোধন করে পেছনের তারিখ থেকে প্রয়োগ করাও আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এই বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
তাদের মতে, বিচারটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ন্যায্যতার মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ। চিঠিতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানানো হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দেওয়া রায় অবিলম্বে বাতিল করা, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না করার নিশ্চয়তা প্রদান, ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বিচার পরিচালনা এবং সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। আইনজীবীরা সতর্ক করে বলেছেন, এই বিচার প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন এবং এটি একটি বৈধ রায় হিসেবে গণ্য হতে পারে না। তারা ১৪ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক জবাব প্রত্যাশা করেছেন এবং প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
প্যানেল পুনর্গঠন নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে এবং নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারকদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ও অভিজ্ঞতার অভাব বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে ক্ষুণ্ন করেছে। বিচার চলাকালে বিচারকের পক্ষপাতদুষ্ট মন্তব্যও সামনে এসেছে, যা নিরপেক্ষতার অভাব নির্দেশ করে। প্রসিকিউশনের ক্ষেত্রেও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রধান প্রসিকিউটরের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং বিরোধী দলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিচার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করেছে বলে দাবি করা হয়। এমনকি বিচার চলাকালীন সময়েও তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। চিঠিতে আরও বলা হয়, শেখ হাসিনাকে অভিযোগ সম্পর্কে যথাযথভাবে অবহিত করা হয়নি এবং তাকে নিজের পছন্দের আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়নি। আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য পর্যাপ্ত সময় ও সুযোগ না দেওয়াও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ
করা হয়েছে। আইনজীবীরা উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক আইনে বিশেষ পরিস্থিতি ছাড়া অনুপস্থিতিতে বিচার গ্রহণযোগ্য নয়। কিন্তু এই ক্ষেত্রে সেই শর্ত পূরণ করা হয়নি। এছাড়া মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে যে কঠোর আইনি মানদণ্ড প্রযোজ্য, তা অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। চিঠিতে আইসিটির এখতিয়ার নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বলা হয়, এই ট্রাইব্যুনাল মূলত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন অপরাধ বিচারের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের আন্দোলন-সংক্রান্ত ঘটনায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা পরিচালনা আইসিটির এখতিয়ারের বাইরে। আইন সংশোধন করে পেছনের তারিখ থেকে প্রয়োগ করাও আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এই বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
তাদের মতে, বিচারটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ন্যায্যতার মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ। চিঠিতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানানো হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দেওয়া রায় অবিলম্বে বাতিল করা, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না করার নিশ্চয়তা প্রদান, ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বিচার পরিচালনা এবং সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। আইনজীবীরা সতর্ক করে বলেছেন, এই বিচার প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন এবং এটি একটি বৈধ রায় হিসেবে গণ্য হতে পারে না। তারা ১৪ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক জবাব প্রত্যাশা করেছেন এবং প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন।



