ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কারাগারে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মৃত্যু,নির্যাতনের অভিযোগ স্বজনদের
মুক্তিযুদ্ধের সংজ্ঞা থেকে জামায়াত-মুসলিম লীগ-নেজামে ইসলামের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার
জাতীয় সংসদ প্রাঙ্গণে মার্কিন স্বাধীনতা দিবস উদযাপন নিয়ে হঠাৎই জ্বলে উঠলেন আনু মুহাম্মদ
জুলাই নিয়ে মন্তব্য করায় আনিস আলমগীর, পিয়া সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা
৩০০ দরিদ্রের উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ ৮ কোটি, দেশি-বিদেশি ৪৭৩ পরামর্শকের ব্যয় ৫৩ কোটি!
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক মারা গেছেন
নতুন জটিলতায় পে স্কেল, গেজেট কবে?
ইংরেজি শিখতে সরকারি ৩৫০ কর্মকর্তাকে থাইল্যান্ড পাঠাচ্ছে সরকার!
ইংরেজি ভাষা শেখাতে সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের থাইল্যান্ডে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
এ পরিকল্পনার আওতায় উপ-সচিব থেকে সিনিয়র সচিব পর্যায়ের প্রায় সাড়ে ৩৫০ কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণের জন্য বিদেশে পাঠানো হতে পারে।
জানা গেছে, নির্ধারিত প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি পর্যটননির্ভর শহর পাতায়া থেকে প্রায় এক ঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত। বিষয়টি ইতোমধ্যে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
সূত্র জানায়, দেশে আয়োজিত প্রশিক্ষণে কর্মকর্তাদের অনাগ্রহের কারণে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেতে পারে বিয়াম ফাউন্ডেশন।
বিএনপি সরকারের প্রথম একনেক বৈঠকেই প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হতে পারে বলে জানা গেছে।
তবে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে এমন উদ্যোগকে অপ্রয়োজনীয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সাবেক সচিব এ
কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, রাজনীতি ও আমলাতন্ত্রে শুদ্ধাচার ও সদিচ্ছা না থাকলে কোনো ক্ষেত্রেই ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব নয়। অন্যদিকে, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এ উদ্যোগকে প্রশ্নবিদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন। তার মতে, ইংরেজি না জেনে উচ্চপদে আসীন হওয়াই উদ্বেগজনক। প্রয়োজনে দেশে বসেই এ ধরনের দক্ষতা অর্জন সম্ভব। ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, কোনো সচিব যদি ইংরেজি শেখার জন্য বিদেশে যাওয়াকে অপরিহার্য মনে করেন, তাহলে তার যোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন ওঠে। তিনি আরও বলেন, সামান্য ঘাটতি থাকলে তা দেশের ভেতরেই সহজে পূরণ করা সম্ভব। সরকারি কর্মকর্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও সেবার মান বাড়াতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম থাকলেও, এই বিশেষ প্রকল্প নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে রাজি
হননি বিয়াম ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক। তারা জানান, আগে কৃচ্ছ্রসাধন নীতির কারণে প্রকল্পটি অনুমোদন পায়নি; এবার নতুন করে অনুমোদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, রাজনীতি ও আমলাতন্ত্রে শুদ্ধাচার ও সদিচ্ছা না থাকলে কোনো ক্ষেত্রেই ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব নয়। অন্যদিকে, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এ উদ্যোগকে প্রশ্নবিদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন। তার মতে, ইংরেজি না জেনে উচ্চপদে আসীন হওয়াই উদ্বেগজনক। প্রয়োজনে দেশে বসেই এ ধরনের দক্ষতা অর্জন সম্ভব। ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, কোনো সচিব যদি ইংরেজি শেখার জন্য বিদেশে যাওয়াকে অপরিহার্য মনে করেন, তাহলে তার যোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন ওঠে। তিনি আরও বলেন, সামান্য ঘাটতি থাকলে তা দেশের ভেতরেই সহজে পূরণ করা সম্ভব। সরকারি কর্মকর্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও সেবার মান বাড়াতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম থাকলেও, এই বিশেষ প্রকল্প নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে রাজি
হননি বিয়াম ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক। তারা জানান, আগে কৃচ্ছ্রসাধন নীতির কারণে প্রকল্পটি অনুমোদন পায়নি; এবার নতুন করে অনুমোদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।



