শেখ হাসিনার জাদুকরী নেতৃত্ব: এক যুগে দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেল আড়াই কোটি মানুষ, বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে ঐতিহাসিক সাফল্যের চিত্র – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
     ৪:৪১ অপরাহ্ণ

আরও খবর

ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী

চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন

নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি

এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন

নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী

জাহাজ কেনার বাকি ২ মাস ঋণ চুক্তিতে ব্যর্থ সরকার

ক্ষমতা ছাড়ার আগে ব্যাপক লুটপাট, ৬ মাসে সরকারের ঋণ ৬০ হাজার কোটি

শেখ হাসিনার জাদুকরী নেতৃত্ব: এক যুগে দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেল আড়াই কোটি মানুষ, বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে ঐতিহাসিক সাফল্যের চিত্র

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ | ৪:৪১ 115 ভিউ
গত দেড় দশকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তর এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সাফল্যকে স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন ‘বাংলাদেশ পভার্টি অ্যাসেসমেন্ট-২০২৫’-এ উঠে এসেছে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার এক অভূতপূর্ব চিত্র। প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়েছে, ২০১০ থেকে ২০২২ সাল—এই ১২ বছরে বাংলাদেশে দারিদ্র্য বিমোচনে যে গতি দেখা গেছে, তা এক কথায় ঐতিহাসিক। বিশ্বব্যাংকের তথ্যমতে, শেখ হাসিনার শাসনামলের এই সময়কালে (২০১০-২০২২) প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের কশাঘাত থেকে মুক্তি পেয়েছে। এটি কেবল একটি পরিসংখ্যান নয়, বরং এটি প্রমাণ করে যে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নেওয়া জনবান্ধব নীতিগুলো তৃণমূল পর্যায়ে কতটা কার্যকর ছিল। একই সময়ে অতি দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে

এসেছে আরও ৯০ লাখ মানুষ। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১০ সালে যেখানে চরম দারিদ্র্যের হার ছিল ১২.২ শতাংশ, ২০২২ সালে তা অবিশ্বাস্যভাবে কমে ৫.৬ শতাংশে নেমে এসেছে। এছাড়া মাঝারি দারিদ্র্য ৩৭.১ শতাংশ থেকে কমে ১৮.৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে, শেখ হাসিনার ‘দিন বদলের সনদ’ এবং ‘ভিশন ২০২১’ কোনো স্লোগান ছিল না, বরং তা ছিল একটি পরিকল্পিত অর্থনৈতিক মুক্তির দলিল। শুধুমাত্র আয় বৃদ্ধি নয়, শেখ হাসিনার সরকার মানুষের জীবনমানের মৌলিক সূচকগুলোতেও আমূল পরিবর্তন এনেছিল। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ, শিক্ষা এবং পয়ঃনিষ্কাশনের মতো জরুরি সেবাগুলোতে মানুষের প্রবেশাধিকার ব্যাপকভাবে বেড়েছে। শেখ হাসিনার সরকারের ‘ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ’ কর্মসূচি এবং স্যানিটেশন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন যে

গ্রামীণ ও শহরের মানুষের জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য এনেছে, এই প্রতিবেদন তারই দালিলিক প্রমাণ। প্রতিবেদনে যদিও কর্মসংস্থান ও বৈষম্য নিয়ে কিছু চ্যালেঞ্জের কথা বলা হয়েছে, তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন, গত ১৫ বছরে শেখ হাসিনা যে মেগা প্রজেক্ট ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন (যেমন—পদ্মা সেতু, মেট্রো রেল, ও অর্থনৈতিক অঞ্চল) করেছেন, তা আগামী দিনে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। বিশ্বব্যাংক দরিদ্র-বান্ধব নীতি এবং আধুনিক শিল্পে বিনিয়োগের যে সুপারিশ এখন করছে, শেখ হাসিনার সরকার ইকোনমিক জোন এবং হাই-টেক পার্ক নির্মাণের মাধ্যমে সেই কাজগুলো অনেক আগেই শুরু করে দিয়ে গিয়েছিল। এছাড়া সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনী শক্তিশালী করার মাধ্যমে বয়স্ক, বিধবা ও প্রান্তিক মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার যে

নীতি সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করেছিলেন, তা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে এবং বিশ্বব্যাংকের এই ডেটাতেও তার প্রতিফলন ঘটেছে। বিশ্বব্যাংকের এই প্রতিবেদনটি মূলত শেখ হাসিনার দেড় দশকের শাসনের একটি ‘সাফল্যের সনদ’। করোনা মহামারি এবং বিশ্বমন্দার মতো কঠিন বৈশ্বিক পরিস্থিতি মোকাবেলা করেও তিনি যেভাবে বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষকে দারিদ্র্যসীমার উপরে তুলে এনেছেন, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। আগামীর বাংলাদেশ গড়তে হলে শেখ হাসিনার রেখে যাওয়া এই শক্ত অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েই কর্মসংস্থান ও শিল্পায়নের পথে হাঁটতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে? কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই, ৫ পুলিশ হাসপাতালে জাহাজ কেনার বাকি ২ মাস ঋণ চুক্তিতে ব্যর্থ সরকার ২০২৫ সালে সড়কে মৃত্যু ১০০৮ শিশুর বায়ুদূষণে শীর্ষে দিল্লি, ঢাকার খবর কী সরকারি সিদ্ধান্তে নিজের মতামতের গুরুত্ব নেই মনে করে ৭৩% মানুষ আজ যেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া রাজধানীতে আজ কোথায় কী