ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রাউজানে বিএনপির সমর্থককে গুলি করে হত্যা
চলন্ত ট্রেনে নারীকে ধর্ষণ গ্রেফতার ১
নোয়াখালীতে দিনেদুপুরে ব্যাংক এজেন্টের ১২ লাখ টাকা ছিনতাই: অস্ত্রের মুখে হাতকড়া পরিয়ে অপহরণ
চলন্ত ট্রেনে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১
অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে গৃহবধূর মরদেহ ধর্ষণের চেষ্টা, চালক আটক
প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাই, বিমানবন্দর ছাত্রদলের সভাপতি-সম্পাদকসহ গ্রেফতার ৩
পটিয়ায় পুলিশ কর্মকর্তাকে পিটিয়ে স্বর্ণালঙ্কার ও পৌনে আট লাখ টাকা লুট
পাবনায় দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৪
পাবনার সাঁথিয়ায় পাবনা-ঢাকা মহাসড়কে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে চারজনে দাঁড়িয়েছে। ঘটনার পর মারা যান দুইজন। পরে হাসপাতালে আরও দুইজন মারা গেছেন। এ ছাড়া গুরুতর আহত হয়েছেন দুই বাসের অন্তত অর্ধ শতাধিক যাত্রী।
মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন মাধপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুস্তাফিজার রহমান। এর আগে মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে উপজেলার আতাইকুলা থানার শোলাবাড়িয়া ব্রিজের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, পাবনা সদর উপজেলার বলরামপুর গ্রামের আব্দুল প্রামাণিকের ছেলে কামাল হোসেন (৪২), পাবনা পৌর সদরের শিবরামপুর মহল্লার চমন মোল্লার ছেলে হেলপার মেহেদি হাসান জিহাদ (২৮), আটঘরিয়ার উপজেলার নরজান গ্রামের খোরশেদ আলীর ছেলে আলমগীর হোসেন
(৩৬) ও পাবনা সদর উপজেলার রাজাপুর গ্রামের মাজন আলীর ছেলে আলেফ উদ্দিন (৩৫)। নিহতদের মধ্যে কামাল হোসেন শাহজাদপুর ট্রাভেলসের চালক ও জিহাদ মাছরাঙার এক্সপ্রেসের হেলপার ছিলেন। বাকি দুজন মাছরাঙা এক্সপ্রেসের যাত্রী ছিলেন। মাধপুর হাইওয়ে থানার ওসি মুস্তাফিজার রহমান জানান, সকালে যাত্রীবাহী শাহজাদপুর ট্রাভেলসের একটি বাসটি পাবনা থেকে ঢাকায় যাচ্ছিল। পথে শোলাবাড়িয়া ব্রিজের কাছে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীবাহী মাছরাঙা এক্সপ্রেসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে মারা যান মাছরাঙা এক্সপ্রেসের হেলপার জিহাদ। খবর পেয়ে মাধপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করে। পাশাপাশি দুর্ঘটনা কবলিত বাস দুটি মহাসড়ক থেকে সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে। দুর্ঘটনার পর বাস দুটি দুমচে মুচড়ে
যায়। আহতদের উদ্ধার করে সাঁথিয়া ও পাবনার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাহজাদপুর ট্রাভেলসের চালক কামাল হোসেন, পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর আলমগীর হোসেন এবং পাবনা থেকে রাজশাহী নেওয়ার পথে আলেফ উদ্দিন মারা যান। পাবনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) জাহিদুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনায় আহত ৩২ জনকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় ছয়জনকে রাজশাহী মেডিকলে কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। ওসি মুস্তাফিজার জানান, নিহতদের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাস দুটি জব্দ করে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে। নিহতের পরিবারের কেউ অভিযোগ দিলে মামলা হবে। আর
তাদের কেউ অভিযোগ না দিলে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করবে।
(৩৬) ও পাবনা সদর উপজেলার রাজাপুর গ্রামের মাজন আলীর ছেলে আলেফ উদ্দিন (৩৫)। নিহতদের মধ্যে কামাল হোসেন শাহজাদপুর ট্রাভেলসের চালক ও জিহাদ মাছরাঙার এক্সপ্রেসের হেলপার ছিলেন। বাকি দুজন মাছরাঙা এক্সপ্রেসের যাত্রী ছিলেন। মাধপুর হাইওয়ে থানার ওসি মুস্তাফিজার রহমান জানান, সকালে যাত্রীবাহী শাহজাদপুর ট্রাভেলসের একটি বাসটি পাবনা থেকে ঢাকায় যাচ্ছিল। পথে শোলাবাড়িয়া ব্রিজের কাছে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা যাত্রীবাহী মাছরাঙা এক্সপ্রেসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে মারা যান মাছরাঙা এক্সপ্রেসের হেলপার জিহাদ। খবর পেয়ে মাধপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করে। পাশাপাশি দুর্ঘটনা কবলিত বাস দুটি মহাসড়ক থেকে সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে। দুর্ঘটনার পর বাস দুটি দুমচে মুচড়ে
যায়। আহতদের উদ্ধার করে সাঁথিয়া ও পাবনার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাহজাদপুর ট্রাভেলসের চালক কামাল হোসেন, পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর আলমগীর হোসেন এবং পাবনা থেকে রাজশাহী নেওয়ার পথে আলেফ উদ্দিন মারা যান। পাবনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) জাহিদুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনায় আহত ৩২ জনকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় ছয়জনকে রাজশাহী মেডিকলে কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। ওসি মুস্তাফিজার জানান, নিহতদের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাস দুটি জব্দ করে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে। নিহতের পরিবারের কেউ অভিযোগ দিলে মামলা হবে। আর
তাদের কেউ অভিযোগ না দিলে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করবে।



