ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সংরক্ষিত বনের ভেতরে এলজিইডির রাস্তা: বন বিভাগের আপত্তি উপেক্ষা করে অনড় স্থানীয় সংসদ সদস্য
হামে শিশুমৃত্যুর দায়ে ইউনূস-নুরজাহানের বিচার দাবিতে মহাখালীতে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল
৬ শিশুর মৃত্যুতে তড়িঘড়ি ব্যবস্থা, ৬ শতাধিক শিশুর খুনিরা দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ায়! ন্যায়বিচার কোথায়?
একসময়ের পানির উৎস, এখন মরণফাঁদ: সাড়ে ৩০০ বছরের ইতিহাস এখন ময়লার ভাগাড়
ছয় দেশের ৭০ জন চিহ্নিত, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আতিউরসহ ১০ কর্মকর্তা
২১১২ কোটি টাকা ব্যয়ে আরও ৩ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার
বেনজীরকে দেশে আনতে সামনে যেসব বাধা
শূন্যরেখায় বেড়া দিয়ে ভারত কোন আইন লঙ্ঘন করেছে?
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম সীমান্তে আইন লঙ্ঘন করে শূন্যরেখা (নো ম্যান্স ল্যান্ড) বরাবর কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এ ঘটনায় সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
শূন্যরেখার ১৫০ গজের মধ্যে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ শুরু করে, যা ১৯৭৫ সালের চুক্তি অনুযায়ী নিষিদ্ধ। এই চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, শূন্যরেখা থেকে ১৫০ গজের মধ্যে কোনো প্রতিরক্ষা কাঠামো বা স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না।
বাংলাদেশ-ভারত যুগ্ম সীমান্ত নির্দেশাবলী-১৯৭৫ অনুযায়ী উভয় দেশের শূন্য লাইনের ১৫০ গজের মধ্যে প্রতিরক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেকোন কাজ সম্পন্ন করার বিষয়ে সুস্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এই বেড়া নির্মাণে আপত্তি জানিয়ে কাজ বন্ধ করতে বাধ্য করেছে। স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, "সীমান্তে আমাদের জায়গা কাউকে দেব না। সীমান্তে আমাদের ব্যাপক শক্তি আছে।" Tourism guides বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই ধরনের কার্যক্রম দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়াতে পারে এবং তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। সাবেক জাতিসংঘ কর্মকর্তা মোস্তাক আহমেদ বলেন, "দুই পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে এটি সুরাহা করা উচিত।" সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং আন্তর্জাতিক চুক্তির শর্তাবলী মেনে চলতে উভয় দেশেরই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, "সীমান্তে আমাদের জায়গা কাউকে দেব না। সীমান্তে আমাদের ব্যাপক শক্তি আছে।" Tourism guides বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই ধরনের কার্যক্রম দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়াতে পারে এবং তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। সাবেক জাতিসংঘ কর্মকর্তা মোস্তাক আহমেদ বলেন, "দুই পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে এটি সুরাহা করা উচিত।" সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং আন্তর্জাতিক চুক্তির শর্তাবলী মেনে চলতে উভয় দেশেরই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।



