ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সরকারের গম কিনতে বাড়তি ব্যয় ৫৪ কোটি টাকা
পুঁজিবাজারে টানা ধস, আস্থার সংকটে বিনিয়োগকারীরা
সিগারেটের দাম বাড়ানোর ইঙ্গিত এনবিআর চেয়ারম্যানের
৩১ মার্চ : আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ
মালয়েশিয়া থেকে এলো ৩০ হাজার টন ডিজেল
ঋণের লাগামহীন বিস্তার: দেড় বছরে অভ্যন্তরীণ দেনা বেড়েছে পৌনে ৩ লাখ কোটি টাকা
ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে ভারতীয় রুপির দর
রেমিট্যান্স ইতিহাসে নতুন রেকর্ড
দেশের ইতিহাসে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স প্রবাহ অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। সদ্যবিদায়ী মাস মার্চে বিভিন্ন দেশ থেকে প্রবাসীরা ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা পৌনে ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। স্বাধীনতার পর এটিই দেশের ইতিহাসে একক কোনো মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ।
বুধবার (১ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
বাংলাদেশের অর্থনীতি সচল রাখার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন প্রবাসীরা।তাদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ওপর ভর করে শক্তিশালী ভিত গড়ে দেশের অর্থনীতি। রীতিমতো ঝলক দেখাচ্ছে প্রবাসী আয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী- মার্চের পুরো সময়ে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ ছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫ হাজার ডলার, যা আগের মাস ফেব্রুয়ারির চেয়ে প্রায়
৭৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার বেশি। আর গত বছরের একই সময়ের চেয়ে (মার্চ ২০২৫) ৪৬ কোটি ডলার বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, দেশের ইতিহাসে এর আগে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল গত বছরের (২০২৫) মার্চ মাসে। সে সময় মোট ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার (৩.২৯ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল দেশে, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল একই বছরের ডিসেম্বরে। ওই মাসে আসে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার (প্রায় ৩.২৩ বিলিয়ন) রেমিট্যান্স। আর তৃতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে চলতি বছরের জানুয়ারিতে। ওই মাসে ৩১৭ কোটি বা ৩.১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠান প্রবাসীরা। এদিকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স
এসেছে ২ হাজার ৫৫০ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১০.৯০ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ১২৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার। রেমিট্যান্স প্রবাহে চাঙাভাব থাকায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে উল্লেখ করেছেন ব্যাংকসংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, বিভিন্ন কৌশলগত নীতিমালা ও কঠোর তদারকির ফলে প্রাতিষ্ঠানিক চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে বৈধ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বৈদেশিক আয় দেশে আনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
৭৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার বেশি। আর গত বছরের একই সময়ের চেয়ে (মার্চ ২০২৫) ৪৬ কোটি ডলার বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, দেশের ইতিহাসে এর আগে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল গত বছরের (২০২৫) মার্চ মাসে। সে সময় মোট ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার (৩.২৯ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল দেশে, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল একই বছরের ডিসেম্বরে। ওই মাসে আসে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার (প্রায় ৩.২৩ বিলিয়ন) রেমিট্যান্স। আর তৃতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে চলতি বছরের জানুয়ারিতে। ওই মাসে ৩১৭ কোটি বা ৩.১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠান প্রবাসীরা। এদিকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স
এসেছে ২ হাজার ৫৫০ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১০.৯০ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ১২৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার। রেমিট্যান্স প্রবাহে চাঙাভাব থাকায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে উল্লেখ করেছেন ব্যাংকসংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, বিভিন্ন কৌশলগত নীতিমালা ও কঠোর তদারকির ফলে প্রাতিষ্ঠানিক চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে বৈধ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বৈদেশিক আয় দেশে আনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।



