ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইতিহাস গড়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের সিরিজ জয়
কিউইদের বিপক্ষে হৃদয়-শামীমের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের জয়
পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪৪, ফিরলেন সাইফ
বিশ্বকাপ মিসের পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নতুন শুরুর লক্ষ্য লিটনের
বিশ্বকাপে না খেলা নিয়ে মুখ খুললেন লিটন
অসামান্য প্রতিভা দিয়ে বিশ্বকাপ মাতাতে পারেন ফ্রান্সের অলিসে
নাহিদ ও মোস্তাফিজকে এবার আর পিএসএলে যেতে দেবে না বিসিবি
রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ
রবিবার শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে পাকিস্তানের সালমান আঘার শতক টাইগার শিবিরে কিছুটা শঙ্কা জাগালেও, ১১ রানের জয় নিয়ে ২-১ ব্যবধানে তিন ম্যাচের সিরিজ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশের বোলাররা।
ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে ওপেনার তানজিদ তামিমের ১০৭ রানের (১০৭ বল) ওপর ভর করে বাংলাদেশ ৫ উইকেটে ২৯০ রান সংগ্রহ করার পর, টাইগার পেসাররা শুরুতেই আঘাত হানেন। গতি তারকা তাসকিন আহমেদের (৪-৪৯) নেতৃত্বে প্রথম তিন ওভারেই তিন উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানকে চাপে ফেলে দেয় বাংলাদেশ।
তাসকিন সেই স্পেলে দুইবার আঘাত হেনে সাহেবজাদা ফারহান (৬) ও মোহাম্মদ রিজওয়ানকে (৪) বিদায় করেন। অন্যদিকে নাহিদ রানা (২-৬২) ওপেনার মাজ সাদাকাতকে (৬) সাজঘরে পাঠালে ১৭ রানেই
৩ উইকেট হারায় পাকিস্তান। পাওয়ারপ্লের পর রানা পুনরায় ফিরে এসে গাজী ঘোরিকে (২৯) আউট করেন এবং মোস্তাফিজুর রহমান (৩-৫৪) আব্দুল সামাদকে (৩৪) উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দিতে বাধ্য করলে ১৭.৪ ওভারে সফরকারীদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৮২-৫। আঘা ও সাদ মাসুদের মধ্যে ৭৯ রানের জুটি সাময়িকভাবে বিপর্যয় রুখে দিলেও, মোস্তাফিজুর ফিরে এসে ৩২তম ওভারে মাসুদকে (৩৮) বোল্ড করেন। এতে ৩১.২ ওভারে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৬১-৬। তবে আঘা ফাহিম আশরাফ (৯) ও শাহীন আফ্রিদির সঙ্গে যথাক্রমে ৪৮ ও ৫২ রানের জুটি গড়ে পাকিস্তানকে লড়াইয়ে টিকিয়ে রাখেন এবং একই সঙ্গে একটি দর্শনীয় শতক তুলে নেন। অবশেষে তাসকিন সেই প্রতিরোধ ভেঙে দেন। ৪৮তম ওভারে একটি স্লোয়ার ডেলিভারিতে আঘাকে (৯৮ বলে
১০৬ রান) পরাস্ত করে বাংলাদেশকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যান তিনি। এরপর শাহীন কিছুটা নাটকীয়তা তৈরি করেন। তিনি ৪৯তম ওভারে মোস্তাফিজুরকে ১৪ রান মারেন, যদিও এই বাঁহাতি পেসার হারিস রউফকে আউট করে পাল্টা জবাব দেন। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৪ রান প্রয়োজন ছিল। লেগ-স্পিনার রিশাদ হোসেন মাথা ঠান্ডা রেখে শাহীনকে (৩৮ বলে ৩৭ রান) আউট করার মাধ্যমে পাকিস্তানকে ২৭৯ রানে অলআউট করে জয় নিশ্চিত করেন।
৩ উইকেট হারায় পাকিস্তান। পাওয়ারপ্লের পর রানা পুনরায় ফিরে এসে গাজী ঘোরিকে (২৯) আউট করেন এবং মোস্তাফিজুর রহমান (৩-৫৪) আব্দুল সামাদকে (৩৪) উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দিতে বাধ্য করলে ১৭.৪ ওভারে সফরকারীদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৮২-৫। আঘা ও সাদ মাসুদের মধ্যে ৭৯ রানের জুটি সাময়িকভাবে বিপর্যয় রুখে দিলেও, মোস্তাফিজুর ফিরে এসে ৩২তম ওভারে মাসুদকে (৩৮) বোল্ড করেন। এতে ৩১.২ ওভারে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৬১-৬। তবে আঘা ফাহিম আশরাফ (৯) ও শাহীন আফ্রিদির সঙ্গে যথাক্রমে ৪৮ ও ৫২ রানের জুটি গড়ে পাকিস্তানকে লড়াইয়ে টিকিয়ে রাখেন এবং একই সঙ্গে একটি দর্শনীয় শতক তুলে নেন। অবশেষে তাসকিন সেই প্রতিরোধ ভেঙে দেন। ৪৮তম ওভারে একটি স্লোয়ার ডেলিভারিতে আঘাকে (৯৮ বলে
১০৬ রান) পরাস্ত করে বাংলাদেশকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যান তিনি। এরপর শাহীন কিছুটা নাটকীয়তা তৈরি করেন। তিনি ৪৯তম ওভারে মোস্তাফিজুরকে ১৪ রান মারেন, যদিও এই বাঁহাতি পেসার হারিস রউফকে আউট করে পাল্টা জবাব দেন। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৪ রান প্রয়োজন ছিল। লেগ-স্পিনার রিশাদ হোসেন মাথা ঠান্ডা রেখে শাহীনকে (৩৮ বলে ৩৭ রান) আউট করার মাধ্যমে পাকিস্তানকে ২৭৯ রানে অলআউট করে জয় নিশ্চিত করেন।



