ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মার্কিন আগ্রাসন চললে কখনই খুলবে না হরমুজ প্রণালি: ইরান
হরমুজ প্রণালিতে ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প
পদত্যাগ করলেন ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী
হুথিদের অভিযোগের তির এবার সৌদির দিকে!
মালয়েশিয়ায় বয়লার বিস্ফোরণে বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত
ঘূর্ণিঝড় ‘বাভিতে’ ফিলিপাইনে নিহত ১৮, আঘাত হেনেছে চীনে
হরমুজ প্রণালি এড়াতে যৌথ পাইপলাইন পরিকল্পনা
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি ব্যার্থ: টানা চতুর্থ রাতেও হামলা, হরমুজ প্রণালীতে নতুন করে নৌ-অবরোধ
দুবাই/ওয়াশিংটন — হরমুজ প্রণালী ঘিরে সংঘাত চরমে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কমান্ড (CENTCOM) জানায়, তারা ইরানে টানা চতুর্থ রাতের মতো বিমান হামলা চালিয়েছে। একই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরের ওপর তাদের নৌ-অবরোধও পুনরায় কার্যকর করেছে।
সর্বশেষ ঘটনাপ্রবাহ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার (১৩ জুলাই) ঘোষণা দেন, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালীর “রক্ষক” হিসেবে কাজ করবে এবং বন্দরগুলোতে ফের অবরোধ বসাবে। এই ঘোষণার একদিন পর, স্থানীয় সময় সোমবার সন্ধ্যা ৪টায় (পূর্বাঞ্চলীয় সময়) নৌ-অবরোধ কার্যকর হয়। CENTCOM জানায়, হরমুজ প্রণালী এলাকায় ইরানের সক্ষমতা আরও দুর্বল করতে তারা নতুন করে হামলা চালিয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, বন্দর আব্বাস বন্দর শহর ও সিরিক এলাকার আশপাশে বিস্ফোরণ ঘটেছে। এছাড়া
ইরানের কিশ দ্বীপে একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র মার্কিন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেছে সেখানকার বিদ্যুৎ সংস্থা — যদিও রিসোর্ট দ্বীপ হিসেবে পরিচিত কিশে নৌ ও রাডার স্থাপনাও রয়েছে। জবাবে ইরান জর্ডানে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে বলে ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। কারণ কী গত ৭ জুলাই ইরান ওমানের জলসীমায় হরমুজ প্রণালীর কাছে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে গুলি চালায় বলে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান। জবাবে যুক্তরাষ্ট্র একে “শাস্তিমূলক” হামলা বলে অভিহিত করে ইরানে বিমান হামলা শুরু করে। এরপর থেকে প্রতিদিনই দুই পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্যবস্তু করে চলেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এর আগে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে হামলা চালানোর হুমকিও দিয়েছেন, এবং সোমবার তিনি “আগামী
সপ্তাহে” এমন হামলার আশঙ্কাও জানিয়েছেন। শান্তি আলোচনা এখনো চলছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো — এই সামরিক সংঘাতের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা সম্পূর্ণ থেমে যায়নি। জুন মাসে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (memorandum of understanding) ভিত্তিতে যুদ্ধ শেষ করতে দুই দেশের প্রতিনিধি দল আলোচনায় বসেছিল। তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পরও উভয় পক্ষ সীমিত পরিসরে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, আর হরমুজ প্রণালীই এই সংঘাতের মূল কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। এছাড়া, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সতর্ক করে বলেছেন, শত্রুতা অব্যাহত থাকলে ইসরায়েল আরও আগ্রাসী হবে। প্রভাব এই সংঘাতের জেরে তেলের বাজারে বড় প্রভাব পড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম গত ছয় বছরের মধ্যে একদিনে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন দূতাবাস
অ-জরুরি কনস্যুলার অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাতিল করেছে এবং অ-জরুরি কর্মীদের সরিয়ে নিয়েছে। সংক্ষেপে বলা যায় — জুন মাসে স্বাক্ষরিত যুদ্ধ-সমাপ্তির চুক্তি কার্যত ভেঙে পড়েছে, তবে কূটনৈতিক চ্যানেল পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। কাতার ও পাকিস্তান মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যদিও মাঠপর্যায়ে প্রতিদিনই নতুন হামলার খবর আসছে।
ইরানের কিশ দ্বীপে একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র মার্কিন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেছে সেখানকার বিদ্যুৎ সংস্থা — যদিও রিসোর্ট দ্বীপ হিসেবে পরিচিত কিশে নৌ ও রাডার স্থাপনাও রয়েছে। জবাবে ইরান জর্ডানে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে বলে ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। কারণ কী গত ৭ জুলাই ইরান ওমানের জলসীমায় হরমুজ প্রণালীর কাছে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে গুলি চালায় বলে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান। জবাবে যুক্তরাষ্ট্র একে “শাস্তিমূলক” হামলা বলে অভিহিত করে ইরানে বিমান হামলা শুরু করে। এরপর থেকে প্রতিদিনই দুই পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্যবস্তু করে চলেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এর আগে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে হামলা চালানোর হুমকিও দিয়েছেন, এবং সোমবার তিনি “আগামী
সপ্তাহে” এমন হামলার আশঙ্কাও জানিয়েছেন। শান্তি আলোচনা এখনো চলছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো — এই সামরিক সংঘাতের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা সম্পূর্ণ থেমে যায়নি। জুন মাসে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (memorandum of understanding) ভিত্তিতে যুদ্ধ শেষ করতে দুই দেশের প্রতিনিধি দল আলোচনায় বসেছিল। তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পরও উভয় পক্ষ সীমিত পরিসরে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, আর হরমুজ প্রণালীই এই সংঘাতের মূল কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। এছাড়া, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সতর্ক করে বলেছেন, শত্রুতা অব্যাহত থাকলে ইসরায়েল আরও আগ্রাসী হবে। প্রভাব এই সংঘাতের জেরে তেলের বাজারে বড় প্রভাব পড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম গত ছয় বছরের মধ্যে একদিনে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন দূতাবাস
অ-জরুরি কনস্যুলার অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাতিল করেছে এবং অ-জরুরি কর্মীদের সরিয়ে নিয়েছে। সংক্ষেপে বলা যায় — জুন মাসে স্বাক্ষরিত যুদ্ধ-সমাপ্তির চুক্তি কার্যত ভেঙে পড়েছে, তবে কূটনৈতিক চ্যানেল পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। কাতার ও পাকিস্তান মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যদিও মাঠপর্যায়ে প্রতিদিনই নতুন হামলার খবর আসছে।



