ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সড়কে স্ত্রীকে মারধর করতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার যুবক, ভিডিও ভাইরাল
‘পশ্চিম বাংলাদেশ’ হওয়া থেকে বেঁচে গেছে পশ্চিমবঙ্গ: অগ্নিমিত্রা
হরমুজ ‘চিরতরে’ বন্ধ ও বাহরাইনকে চরম পরিণতির হুঁশিয়ারি দিল ইরান
ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় সংরক্ষণের প্রস্তাব পুতিনের
মুন্সীগঞ্জে হত্যাকাণ্ড: নিউইয়র্কে ভাতিজার ১৫ বছরের কারাদণ্ড
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী
যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ‘যথাসময়ে’ জবাব দেবে ইরান
যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিল ইরান
পরমাণু ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনার মধ্যেই কঠোর হুঁশিয়ারি বার্তা দিল ইরান। দেশটি বলেছে, তাদের পারমাণবিক স্থাপনায় ইসরাইল কোনো হামলা চালালে তার দায় যুক্তরাষ্ট্রকেও নিতে হবে।
মঙ্গলবার সিএনএন এক প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানায়, চলমান আলোচনা সত্ত্বেও ইসরাইল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জাতিসংঘে দেওয়া এক চিঠিতে বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে যদি ইসরাইল হামলা চালায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র সরকারকেও তাৎপর্যপূর্ণভাবে দায় নিতে হবে এবং তারা আইনগতভাবে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবে।
তিনি আরও বলেন, জায়নবাদী রেজিমের যে কোনো দুঃসাহসিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ইরান কঠোরভাবে হুঁশিয়ারি দিচ্ছে এবং ওই শাসনের যেকোনো হুমকি বা অবৈধ
কার্যক্রমের জবাবে কড়া প্রতিক্রিয়া জানানো হবে। এই পারমাণবিক আলোচনা ১২ এপ্রিল শুরু হয়েছিল, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ২০১৮ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে ঐতিহাসিক পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা সরে আসার পর দুই দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের যোগাযোগ। মার্কিন প্রতিনিধি দলে থাকবেন আলোচক স্টিভ উইটকফ এবং মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নীতিনির্ধারণ প্রধান মাইকেল অ্যান্টন, যিনি এই আলোচনা সংক্রান্ত কারিগরি বিষয়েও যুক্ত। এএফপি বলছে, আলোচনায় সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ইস্যু। ২০১৫ সালের চুক্তিতে ইরানকে শুধুমাত্র বেসামরিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কম মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে ইরান ৬০ শতাংশ মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে, যা ওই চুক্তিতে নির্ধারিত ৩.৬৭
শতাংশ সীমা ছাড়িয়ে গেছে। তবে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে প্রয়োজনীয় ৯০ শতাংশের নিচে রয়েছে।
কার্যক্রমের জবাবে কড়া প্রতিক্রিয়া জানানো হবে। এই পারমাণবিক আলোচনা ১২ এপ্রিল শুরু হয়েছিল, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ২০১৮ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে ঐতিহাসিক পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা সরে আসার পর দুই দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের যোগাযোগ। মার্কিন প্রতিনিধি দলে থাকবেন আলোচক স্টিভ উইটকফ এবং মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নীতিনির্ধারণ প্রধান মাইকেল অ্যান্টন, যিনি এই আলোচনা সংক্রান্ত কারিগরি বিষয়েও যুক্ত। এএফপি বলছে, আলোচনায় সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ইস্যু। ২০১৫ সালের চুক্তিতে ইরানকে শুধুমাত্র বেসামরিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কম মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে ইরান ৬০ শতাংশ মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে, যা ওই চুক্তিতে নির্ধারিত ৩.৬৭
শতাংশ সীমা ছাড়িয়ে গেছে। তবে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে প্রয়োজনীয় ৯০ শতাংশের নিচে রয়েছে।



