ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তিনজনকে আহত করা চিতা বাঘের গন্তব্য অজানা
বিএনপি নেতা আরাফাত রহমান ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলচেষ্টার অভিযোগ
রাজধানীতে আট মাসে ৪০০ বেওয়ারিশ লাশ দাফন, বেড়ে চলেছে সংখ্যা
সুনামগঞ্জে এক বছরে অন্তত ১৫ ছাত্র মাদ্রাসার মুহতামিমের ধর্ষণের শিকার, ধামাচাপার চেষ্টা স্থানীয় মাওলানাদের
সীতাকুণ্ডে বিএনপি কর্মীরা কুপিয়ে হত্যা করল আওয়ামী লীগ কর্মীকে
যুবলীগ নেতা ছেলেকে জ্যান্ত পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টা, মামলা করতে গিয়ে ৬৮ বছরের বৃদ্ধা মা বিএনপি অফিস ভাঙার মামলায় কারাগারে!
ধর্ষণের শিকার ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু: পরিবারের বরাতে পুলিশ
এডিসিকে ২৪ দিনে ৩ বার বদলি, নেপথ্যে কে?
২৪ দিনে ৩ বার বদলি করা হয় নরসিংদীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহমুদা বেগমকে। ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনুও রাখতে পারেনি তাকে। তিনি বলেন, এমন তো হওয়ার কথা নয়, বিষয়টি স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী মনিটরিং করছেন। মাহমুদা বেগমের বদলির নেপথ্যে কে, বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
গত ২৫ দিনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মাহমুদা বেগমকে তিনবার বদলি করেছে। বারবার তাকে বদলির পেছনে ইন্ধন দিচ্ছেন উপসচিব মো. মোস্তফা মনোয়ার। তিনি বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা বিভাগে কর্মরত। ৩০ বিসিএসের এই কর্মকর্তা ২০২৪ সালের ২১ মার্চ থেকে ৯ জুন পর্যন্ত অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) হিসাবে নরসিংদীতে দায়িত্ব পালন করেন।
এডিসি হিসাবে আড়াই মাস দায়িত্বে থেকে এই কর্মকর্তা
ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণে ৩৫৯ কোটি টাকার চেক হস্তান্তর করে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কমিশন নিয়ে গেছেন। এ সংক্রান্ত কিছু অডিও-ভিডিও যুগান্তরের কাছে সংরক্ষিত। গুরুত্বপূর্ণ ৩টি এলএ কেসের অ্যাওয়ার্ড বই (ক্ষতিপূরণ নির্ধারণী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত) মো. মোস্তফা মনোয়ার প্রস্তুত করেন। এরমধ্যে ১৫নং এলএ কেসের ২৪০ কোটি, ১৪নং এলএ কেসের ৪৮ কোটি এবং ১০নং এলএ কেসে ৭১ কোটিসহ মোট ৩৫৯ কোটি টাকার চেক হস্তান্তর করেন। এসব এলএ কেসে জমি অধিগ্রহণ আইন ও নিয়মনীতি কোনোটাই অনুসরণ করা হয়নি। ত্রুটিপূর্ণ সিদ্ধান্তে রাষ্ট্রের শত শত কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশে তদন্ত করছে ভূমি মন্ত্রণালয়। এ অবস্থায় অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের একটি বড় অংশ অধিগ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ
নথিপত্র (ফিল্ডবই ও জমির আগের অবস্থানসংক্রান্ত ভিডিও) সরিয়ে ফেলতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এ বিষয়ে উপসচিব মো. মোস্তফা মনোয়ার যুগান্তরকে বলেন, আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ সঠিক নয়। সব সময় নিয়ম মেনে কাজ করেছি। কেউ কোনো প্রমাণ দেখাতে পারবে না। অধিগ্রহণের বিল পরিশোধের বিপরীতে কমিশন নেওয়ার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ যুগান্তরের কাছে রয়েছে-এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, এগুলো তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।
ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণে ৩৫৯ কোটি টাকার চেক হস্তান্তর করে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কমিশন নিয়ে গেছেন। এ সংক্রান্ত কিছু অডিও-ভিডিও যুগান্তরের কাছে সংরক্ষিত। গুরুত্বপূর্ণ ৩টি এলএ কেসের অ্যাওয়ার্ড বই (ক্ষতিপূরণ নির্ধারণী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত) মো. মোস্তফা মনোয়ার প্রস্তুত করেন। এরমধ্যে ১৫নং এলএ কেসের ২৪০ কোটি, ১৪নং এলএ কেসের ৪৮ কোটি এবং ১০নং এলএ কেসে ৭১ কোটিসহ মোট ৩৫৯ কোটি টাকার চেক হস্তান্তর করেন। এসব এলএ কেসে জমি অধিগ্রহণ আইন ও নিয়মনীতি কোনোটাই অনুসরণ করা হয়নি। ত্রুটিপূর্ণ সিদ্ধান্তে রাষ্ট্রের শত শত কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশে তদন্ত করছে ভূমি মন্ত্রণালয়। এ অবস্থায় অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের একটি বড় অংশ অধিগ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ
নথিপত্র (ফিল্ডবই ও জমির আগের অবস্থানসংক্রান্ত ভিডিও) সরিয়ে ফেলতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এ বিষয়ে উপসচিব মো. মোস্তফা মনোয়ার যুগান্তরকে বলেন, আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ সঠিক নয়। সব সময় নিয়ম মেনে কাজ করেছি। কেউ কোনো প্রমাণ দেখাতে পারবে না। অধিগ্রহণের বিল পরিশোধের বিপরীতে কমিশন নেওয়ার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ যুগান্তরের কাছে রয়েছে-এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, এগুলো তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।





