ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের ভাঙচুর ও নাশকতার দায় স্বীকার ছাত্রদলের
সারাদেশে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস গুঁড়িয়ে দিয়েছিলাম, ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের স্বীকারোক্তি
জুলাই সিডিআই বলায় শাওনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, নাম আছে মাহিরও
তারেক রহমান: বিচারের নামে কারো প্রতি যেন ‘অবিচার’ করা না হয়
জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ভোটার হওয়ার সময় বাড়ল
‘বিবেক কাজ করেনি’, এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে বিদ্যালয়ে মদ্যপান-মাতলামির পর প্রধান শিক্ষকের ভাষ্য
রাউজানে প্রকাশ্যে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা, দলীয় কোন্দলকে দুষছেন কর্মীরা
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় দিনদুপুরে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদকে (৪৫)।
আজ শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী চৌমুহনী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে চুয়েট সংলগ্ন পাহাড়তলী বাজারে অবস্থান করছিলেন মাসুদ চৌধুরী। এ সময় একদল দুর্বৃত্ত প্রকাশ্যে তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় এবং অত্যন্ত কাছ থেকে মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী এলাকার বাসিন্দা এবং মৃত খালেদ চৌধুরীর ছেলে।
তিনি আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।
রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ
সুপার (এএসপি) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “দুপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাসুদ চৌধুরীর মৃত্যু হয়েছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। হত্যার কারণ উদঘাটন ও জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ চলছে।” এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় তাৎক্ষণিক শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। প্রতিবাদে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা রাউজান-রাঙ্গামাটি সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। নেতাকর্মীরা দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। রাঙ্গুনিয়া থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমাম হোসেন চৌধুরী বলেন, “ঘটনার পরপরই এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। আমরা দ্রুত বিচার চাই।” এখন পর্যন্ত হত্যার পেছনের কারণ ও আততায়ীদের পরিচয় প্রকাশ পায়নি। পুলিশ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে। তবে বিএনপির
দলীয় কোন্দলকে দায়ী করছেন কর্মীরা।
সুপার (এএসপি) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “দুপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাসুদ চৌধুরীর মৃত্যু হয়েছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। হত্যার কারণ উদঘাটন ও জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ চলছে।” এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় তাৎক্ষণিক শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। প্রতিবাদে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা রাউজান-রাঙ্গামাটি সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। নেতাকর্মীরা দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। রাঙ্গুনিয়া থানা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমাম হোসেন চৌধুরী বলেন, “ঘটনার পরপরই এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। আমরা দ্রুত বিচার চাই।” এখন পর্যন্ত হত্যার পেছনের কারণ ও আততায়ীদের পরিচয় প্রকাশ পায়নি। পুলিশ তদন্ত অব্যাহত রেখেছে। তবে বিএনপির
দলীয় কোন্দলকে দায়ী করছেন কর্মীরা।



