ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভারতীয় সন্দেহে বিজিবি গাড়ি বহরের উপর আক্রমণে নিহত সন্ত্রাসীরা স্থান পেলো জুলাই শহিদ গেজেটে
সংসদ, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড কোথাও ঠাঁই না পেয়ে ১১ দলীয় জোট ছাড়ছেন ইসলামিক দলগুলো
সারাদেশে ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগে চরম অনিয়ম: রাজনৈতিক প্রভাব ও বহিরাগতদের দাপটে প্রশ্নবিদ্ধ পরীক্ষা
চট্টগ্রাম রেলওয়েতে ছাত্রদল নেতার মাস্তানি, বখরা না পেয়ে দপ্তরে হামলা, প্রকৌশলী লাঞ্ছিত
বিএনপি সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প: রংপুরে নির্মাণের ১৫ দিনেই সড়কে ফাটল, উঠে গেছে কার্পেটিং
প্রশাসনকে দলীয়করণে অতীতের সকল রেকর্ড ভাঙ্গলো বিএনপি
মেট্রোরেলে নাশকতার ২ বছর: সমন্বয়ক হাসিবের স্বীকারোক্তির পরও কেন দুই সরকারের আমলে হয়নি বিচার?
রবীন্দ্র সরোবরে বর্ষামঙ্গল উদযাপন: গান-কবিতা-নৃত্যে মুখরিত হলো ধানমন্ডি
ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে গতকাল শনিবার (২৫ জুলাই) বর্ষামঙ্গল উৎসবের আয়োজন করা হয়। বাংলার ঋতু-উৎসবের ঐতিহ্য অনুসরণে গান, কবিতা, নৃত্য ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় মুখর হয়ে ওঠে এই জনপ্রিয় স্থান। বর্ষার সৌন্দর্য ও প্রকৃতির উদযাপনকে কেন্দ্র করে এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।
উৎসবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বর্ষা-বিষয়ক গানসহ বিভিন্ন শিল্পীর পরিবেশনা ছিল মূল আকর্ষণ। ‘ঐ আসে ঐ অতিভৈরব হরষে’ কিংবা অন্যান্য ক্লাসিক বর্ষার গানে মাতিয়ে তোলেন শিল্পীরা। নৃত্য পরিবেশনায় বর্ষার ঝরনা, মেঘের গর্জন ও প্রকৃতির সজীবতা ফুটে ওঠে। আবৃত্তি ও কবিতা পাঠের মাধ্যমে বর্ষার সাংস্কৃতিক তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। উদীচীসহ স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর উদ্যোগে এমন অনুষ্ঠান প্রায়ই হয়ে থাকে, যা বাঙালির ঋতু-চেতনাকে জাগ্রত করে।
রবীন্দ্র সরোবরের
সবুজ পরিবেশ ও জলাশয় বর্ষামঙ্গলের জন্য উপযুক্ত স্থান। দর্শনার্থীরা বৃষ্টির ছন্দে মিশে উৎসব উপভোগ করেন। অনেকে বলেন, শহুরে জীবনে বর্ষা প্রায়ই যানজট ও জলাবদ্ধতার প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়, কিন্তু এই ধরনের উৎসব বর্ষাকে তার সাংস্কৃতিক রূপে ফিরিয়ে আনে—নবজীবন, সজীবতা ও আনন্দের প্রতীক হিসেবে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজে শান্তিনিকেতনে বর্ষামঙ্গল উৎসবের প্রচলন করেছিলেন। তাঁর গান ও কবিতায় বর্ষা বারবার এসেছে নবযৌবনা, শ্যামগম্ভীর রূপে। এই ঐতিহ্য অনুসরণ করে আধুনিক উৎসবগুলোতে গান-নাচের পাশাপাশি প্রকৃতি সচেতনতা, বৃক্ষরোপণের মতো উপাদানও যুক্ত হয়। এবারের আয়োজনে স্থানীয় শিল্পী, সাংস্কৃতিক কর্মী ও দর্শকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বর্ষার মেঘলা আকাশের নিচে এই উদযাপন বাঙালি সংস্কৃতির সমৃদ্ধি ও ঐক্যের প্রতিফলন ঘটিয়েছে।
আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও এমন উৎসব চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্ষামঙ্গল শুধু উৎসব নয়, বাংলার প্রকৃতি ও সংস্কৃতির সঙ্গে গভীর যোগসূত্রের স্মারক। রবীন্দ্র সরোবরের মতো স্থানে এর আয়োজন সেই ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয়।
সবুজ পরিবেশ ও জলাশয় বর্ষামঙ্গলের জন্য উপযুক্ত স্থান। দর্শনার্থীরা বৃষ্টির ছন্দে মিশে উৎসব উপভোগ করেন। অনেকে বলেন, শহুরে জীবনে বর্ষা প্রায়ই যানজট ও জলাবদ্ধতার প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়, কিন্তু এই ধরনের উৎসব বর্ষাকে তার সাংস্কৃতিক রূপে ফিরিয়ে আনে—নবজীবন, সজীবতা ও আনন্দের প্রতীক হিসেবে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজে শান্তিনিকেতনে বর্ষামঙ্গল উৎসবের প্রচলন করেছিলেন। তাঁর গান ও কবিতায় বর্ষা বারবার এসেছে নবযৌবনা, শ্যামগম্ভীর রূপে। এই ঐতিহ্য অনুসরণ করে আধুনিক উৎসবগুলোতে গান-নাচের পাশাপাশি প্রকৃতি সচেতনতা, বৃক্ষরোপণের মতো উপাদানও যুক্ত হয়। এবারের আয়োজনে স্থানীয় শিল্পী, সাংস্কৃতিক কর্মী ও দর্শকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বর্ষার মেঘলা আকাশের নিচে এই উদযাপন বাঙালি সংস্কৃতির সমৃদ্ধি ও ঐক্যের প্রতিফলন ঘটিয়েছে।
আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও এমন উৎসব চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্ষামঙ্গল শুধু উৎসব নয়, বাংলার প্রকৃতি ও সংস্কৃতির সঙ্গে গভীর যোগসূত্রের স্মারক। রবীন্দ্র সরোবরের মতো স্থানে এর আয়োজন সেই ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয়।



