ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যেসব কারণে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ
২০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন ভবনে হামলা, ককটেল নিক্ষেপ
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২২টি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক চুরি
গুরু পাপে লঘু দণ্ড পুঁজিবাজারে, উৎসাহিত হচ্ছে কারসাজি চক্র
সুন্দরবনে থামছে না হরিণ শিকার, ৩৪৫৩ কেজি মাংস উদ্ধার!
কে হচ্ছেন নতুন রাষ্ট্রপতি
আগস্টে পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন না হলে সরকারি কর্মচারীদের বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা
বিএনপি সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প: রংপুরে নির্মাণের ১৫ দিনেই সড়কে ফাটল, উঠে গেছে কার্পেটিং
সরকারি অর্থে সংস্কার করা একটি সড়ক উদ্বোধনের মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যেই বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে যেতে শুরু করেছে। কোথাও বড় বড় গর্ত, কোথাও ফাটল, আবার কোথাও হাতের সামান্য চাপেই উঠে আসছে পিচ ও খোয়া।
প্রায় ৮৭ লাখ ৫৩ হাজার টাকা ব্যয়ে সম্পন্ন হওয়া এই সড়কের এমন বেহাল চিত্র স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার বেতগাড়ী ইউনিয়নের কিশামত শেরপুর এলাকায় সড়কটির বর্তমান অবস্থা নিয়ে উঠেছে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং তদারকির গাফিলতির অভিযোগ।
যদিও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এসব অভিযোগ অস্বীকার করে অতিবৃষ্টিকে দায়ী করেছে।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পর্যায়বৃত্ত রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির (পিএমপি) আওতায় কিশামত শেরপুর এলাকায় ২ হাজার
৬০০ বর্গমিটার সড়কে কার্পেটিং করা হয়। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয় ৮৭ লাখ ৫৩ হাজার টাকা। কাজটি বাস্তবায়ন করে ‘হোসাইন ট্রেডার্স অ্যান্ড কর্পোরেশন’। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই সড়কের বিভিন্ন অংশে কার্পেটিং উঠে যাওয়ার অভিযোগ সামনে আসে। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন অংশে কার্পেটিং উঠে ছোট-বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। কোথাও বিটুমিন ও পাথরের সংযোগ আলগা হয়ে গেছে, আবার কোথাও পিচের স্তর সহজেই উঠে আসছে। এছাড়া সড়কের দুই পাশের এজিংয়ের ইট মূল কার্পেটিংয়ের তুলনায় উঁচু করে বসানো হয়েছে। ফলে বৃষ্টির পানি দ্রুত সরে যেতে না পেরে সড়কের ওপর জমে থাকছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এতে নতুন কার্পেটিং আরও দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা আরিফুল
হক বলেন, লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়ক যদি ১৫ দিনও টিকতে না পারে, তাহলে নির্মাণকাজের মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। তার দাবি, হাত দিয়ে ঘষা দিলেই পিচ উঠে আসে, যা নিম্নমানের কাজেরই প্রমাণ। আরেক বাসিন্দা মো. বেলালের প্রশ্ন, সড়কের দুই পাশের ইট এত উঁচু করে বসানো হয়েছে যে পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথই বন্ধ হয়ে গেছে। সাধারণ মানুষ বিষয়টি বুঝতে পারলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী ও তদারককারীরা কীভাবে কাজটি অনুমোদন দিলেন—সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। বেতগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাইমিনুল ইসলাম জানান, নির্মাণকাজের সময় তিনি একাধিকবার ঠিকাদারকে কাজের মান নিশ্চিত করার বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। তবে তার দাবি, ঠিকাদার সে পরামর্শ গুরুত্ব দেননি। অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদারি
প্রতিষ্ঠান হোসাইন ট্রেডার্স অ্যান্ড কর্পোরেশনের প্রতিনিধি রেদোয়ান ইকবাল বলেন, নির্মাণকাজ চলাকালে অতিবৃষ্টির কারণে সড়কের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিম্নমানের কাজের অভিযোগ তিনি প্রত্যাখ্যান করেন। বিএনপি নেতার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের এই প্রতিনিধির ভাষ্য, যেসব স্থানে সমস্যা দেখা দিয়েছে, সেগুলো প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব অর্থায়নে পুনরায় মেরামত করছে। রংপুর সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান বলেন, এজিংয়ের ইট উঁচু থাকার কারণে পানি জমে কার্পেটিং নষ্ট হওয়ার বিষয়টি গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা নয়। পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তিনি জানান, তদন্তে তদারকির গাফিলতি, নির্মাণকাজে অনিয়ম কিংবা নিম্নমানের কাজের প্রমাণ মিললে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয়দের মতে, সরকারি অর্থ ব্যয়ে নির্মিত অবকাঠামো যদি কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যায়,
তবে শুধু ঠিকাদার নয়, কাজের তদারকি ও গুণগত মান যাচাইয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাদের দাবি, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলে ভবিষ্যতে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও নিম্নমানের কাজ অনেকটাই রোধ করা সম্ভব হবে।
৬০০ বর্গমিটার সড়কে কার্পেটিং করা হয়। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয় ৮৭ লাখ ৫৩ হাজার টাকা। কাজটি বাস্তবায়ন করে ‘হোসাইন ট্রেডার্স অ্যান্ড কর্পোরেশন’। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই সড়কের বিভিন্ন অংশে কার্পেটিং উঠে যাওয়ার অভিযোগ সামনে আসে। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন অংশে কার্পেটিং উঠে ছোট-বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। কোথাও বিটুমিন ও পাথরের সংযোগ আলগা হয়ে গেছে, আবার কোথাও পিচের স্তর সহজেই উঠে আসছে। এছাড়া সড়কের দুই পাশের এজিংয়ের ইট মূল কার্পেটিংয়ের তুলনায় উঁচু করে বসানো হয়েছে। ফলে বৃষ্টির পানি দ্রুত সরে যেতে না পেরে সড়কের ওপর জমে থাকছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এতে নতুন কার্পেটিং আরও দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা আরিফুল
হক বলেন, লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়ক যদি ১৫ দিনও টিকতে না পারে, তাহলে নির্মাণকাজের মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। তার দাবি, হাত দিয়ে ঘষা দিলেই পিচ উঠে আসে, যা নিম্নমানের কাজেরই প্রমাণ। আরেক বাসিন্দা মো. বেলালের প্রশ্ন, সড়কের দুই পাশের ইট এত উঁচু করে বসানো হয়েছে যে পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথই বন্ধ হয়ে গেছে। সাধারণ মানুষ বিষয়টি বুঝতে পারলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী ও তদারককারীরা কীভাবে কাজটি অনুমোদন দিলেন—সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। বেতগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাইমিনুল ইসলাম জানান, নির্মাণকাজের সময় তিনি একাধিকবার ঠিকাদারকে কাজের মান নিশ্চিত করার বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। তবে তার দাবি, ঠিকাদার সে পরামর্শ গুরুত্ব দেননি। অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদারি
প্রতিষ্ঠান হোসাইন ট্রেডার্স অ্যান্ড কর্পোরেশনের প্রতিনিধি রেদোয়ান ইকবাল বলেন, নির্মাণকাজ চলাকালে অতিবৃষ্টির কারণে সড়কের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিম্নমানের কাজের অভিযোগ তিনি প্রত্যাখ্যান করেন। বিএনপি নেতার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের এই প্রতিনিধির ভাষ্য, যেসব স্থানে সমস্যা দেখা দিয়েছে, সেগুলো প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব অর্থায়নে পুনরায় মেরামত করছে। রংপুর সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান বলেন, এজিংয়ের ইট উঁচু থাকার কারণে পানি জমে কার্পেটিং নষ্ট হওয়ার বিষয়টি গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা নয়। পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তিনি জানান, তদন্তে তদারকির গাফিলতি, নির্মাণকাজে অনিয়ম কিংবা নিম্নমানের কাজের প্রমাণ মিললে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয়দের মতে, সরকারি অর্থ ব্যয়ে নির্মিত অবকাঠামো যদি কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যায়,
তবে শুধু ঠিকাদার নয়, কাজের তদারকি ও গুণগত মান যাচাইয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাদের দাবি, ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলে ভবিষ্যতে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও নিম্নমানের কাজ অনেকটাই রোধ করা সম্ভব হবে।



