ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দুধ দিয়ে গোসল করে দল ত্যাগ করলেন জামায়াতের গুপ্ত কর্মী তারেক
নানা অজুহাতে সাধারণ কৃষকদের ধান ফেরত, প্রভাবশালীদের নিম্নমানের ধান কিনছে সরকার
ফায়ার স্টেশনের ভেতরে বহিরাগত নারী এনে আপত্তিকর নাচ-গানের আসর স্টেশন অফিসারের
ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের মামলায় সেই শিবির নেতা জিসান গ্রেফতার
এডিসিকে ২৪ দিনে ৩ বার বদলি, নেপথ্যে কে?
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক
এলএনজি টার্মিনাল রক্ষণাবেক্ষণে গ্যাসের স্বল্পচাপ, ভোগান্তিতে গ্রাহকরা
বগুড়ায় একরাতে তিন মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুর, জড়িতদের পরিচয় অজানা
বগুড়ার মোকামতলা উপজেলায় একই রাতে পর পর তিনটি মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সকালে স্থানীয়রা মন্দিরে গিয়ে প্রতিমাগুলো ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান।
উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের কানছগাড়ি এলাকায় তিনটি মন্দিরে এ ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত মন্দিরগুলো হলো কানছগাড়ি মহাশ্মশানের শিব মন্দির, কানছগাড়ি শীতলা মন্দির এবং কালী মন্দির।
কানছগাড়ি মহাশ্মশান পরিচালনা কমিটির সদস্য উজ্জ্বল জানান, প্রতি মাসের মতো শনিবার সকালে তাঁর স্ত্রী পূজার জন্য মন্দিরে গেলে প্রতিমা ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। পরে বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদকে জানানো হয়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মোকামতলা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান। তিনি মহাশ্মশান পরিচালনা কমিটির সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ঘটনার
বিস্তারিত খোঁজ নেন। শিবগঞ্জ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুবীর কুমার দত্ত বলেন, “কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানা যায়নি। বিষয়টি জানার পর আমরা মন্দির পরিদর্শন করেছি এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশকে অনুরোধ করেছি।” মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আলমাস হোসেন জানান, ঘটনায় কারা জড়িত তা এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে এই ঘটনায় আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। তারা দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করে বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
বিস্তারিত খোঁজ নেন। শিবগঞ্জ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুবীর কুমার দত্ত বলেন, “কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানা যায়নি। বিষয়টি জানার পর আমরা মন্দির পরিদর্শন করেছি এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশকে অনুরোধ করেছি।” মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আলমাস হোসেন জানান, ঘটনায় কারা জড়িত তা এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে এই ঘটনায় আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। তারা দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করে বিচারের দাবি জানিয়েছেন।



