ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা: ক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ নয়, তবে জনগণের প্রতি নিজের দায়বদ্ধতা উপেক্ষা করতে পারি না
রাজপথে সন্তানের সাথে মিছিলে মা, ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়
‘যুদ্ধবিরতি’র পরেও থামছে না হত্যা — গাজায় ইসরায়েলি হামলায় মৃতের সংখ্যা ৯৮৩
২৭ কোটি থেকে বাড়িয়ে ১,০৮১ কোটির বরাদ্দ: ইমাম-মুয়াজ্জিনের জীবন বদলাবে, নাকি ভোটের মাঠ গরম হবে?
রাউজানে প্রকাশ্যে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা, দলীয় কোন্দলকে দুষছেন কর্মীরা
আকারে নয়, বাস্তবায়নে বাজেটের সাফল্য: সিপিডি
আদ্-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল, হাসপাতাল ছাড়ছেন রোগীরা
শক্তিশালী মহলের প্রভাবে ধামাচাপা পড়ে গেল স্বামী-শাশুড়ির নির্যাতনে নিহত ডা. নাফিসা দিপ্রার নাম
এফসিপিএসে অধ্যয়নরত চিকিত্সক ডা. নাফিসা তাবাসসুম দিপ্রার ‘রহস্যজনক’ মৃত্যুকে অনেকেই ‘হত্যাকাণ্ড’ বলে অভিহিত করছেন। তার সহপাঠী, সহকর্মী ও পরিবারের সদস্যরা শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের নির্যাতন, মানসিক ও শারীরিক টর্চারের অভিযোগ তুলেছেন। তবে ক্ষমতাশালী শ্বশুরবাড়ির প্রভাবে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
গত ৪ জুন শ্বশুরবাড়িতে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হলে ডা. দিপ্রাকে শাহবাগের ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে (বারডেম) নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর থেকেই তার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, বন্ধুদের সঙ্গে চ্যাট এবং ডাক্তারদের গ্রুপের স্ক্রিনশটে দীর্ঘদিনের নির্যাতনের কথা উঠে এসেছে। অভিযোগ, তাকে খাবার না দিয়ে আটকে রাখা হয়েছিল, মানসিক চাপ ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছিল।
প্রভাবশালী শ্বশুরবাড়ির ভূমিকা
দিপ্রার শ্বশুর
ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতাল ও বারডেমের উচ্চপদস্থ প্রফেসর এবং যশোর হার্ট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। অভিযোগ উঠেছে, তার প্রভাবে মৃত্যুকে ‘হার্ট অ্যাটাক’ হিসেবে উপস্থাপন করে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়া হয়েছে। দিপ্রার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলো ডিঅ্যাকটিভ বা সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ডাক্তারদের গ্রুপ থেকে তার পোস্ট মুছে ফেলা হয়েছে এবং গ্রুপ অ্যাডমিনকে দিয়ে ‘ভুয়া’ বলিয়ে মাফ চাওয়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ। দিপ্রার স্বামীর বড় বোন সাবনাজ রশীদ দিয়া মেটার (ফেসবুক) আঞ্চলিক ম্যানেজার ছিলেন। তার স্বামী সিমু নাসের প্রথম আলোর সঙ্গে যুক্ত এবং ইয়ার্কি মিম পেজসহ জনপ্রিয় পেজ চালান। অভিযোগ, তাদের প্রভাবে মূলধারার গণমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে খবর প্রকাশ বন্ধ রাখা হয়েছে। দিপ্রার ননদদেরও নির্যাতনে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের
নীরবতা দিপ্রার বাবা ও ভাই জানিয়েছেন, নাতি-নাতনির ভবিষ্যৎ চিন্তা করে তারা আইনি পদক্ষেপ নেবেন না। অন্যদিকে শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। সহপাঠীরা মানববন্ধন করে সুষ্ঠু ময়নাতদন্ত ও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগকারীরা বলছেন, ক্ষমতা ও প্রভাবের কারণে এই হত্যাকাণ্ড বিচারের আওতায় আসছে না। পুলিশও স্বপ্রণোদিত হয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। ফলে দিপ্রার মতো একজন মেধাবী চিকিত্সকের মৃত্যু নীরবে ধামাচাপা পড়তে চলেছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করে সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন অনেকে। দুই বছরের একটি শিশুর মা ডা. দিপ্রার অকালমৃত্যু দেশের চিকিত্সক সমাজে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতাল ও বারডেমের উচ্চপদস্থ প্রফেসর এবং যশোর হার্ট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। অভিযোগ উঠেছে, তার প্রভাবে মৃত্যুকে ‘হার্ট অ্যাটাক’ হিসেবে উপস্থাপন করে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়া হয়েছে। দিপ্রার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলো ডিঅ্যাকটিভ বা সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ডাক্তারদের গ্রুপ থেকে তার পোস্ট মুছে ফেলা হয়েছে এবং গ্রুপ অ্যাডমিনকে দিয়ে ‘ভুয়া’ বলিয়ে মাফ চাওয়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ। দিপ্রার স্বামীর বড় বোন সাবনাজ রশীদ দিয়া মেটার (ফেসবুক) আঞ্চলিক ম্যানেজার ছিলেন। তার স্বামী সিমু নাসের প্রথম আলোর সঙ্গে যুক্ত এবং ইয়ার্কি মিম পেজসহ জনপ্রিয় পেজ চালান। অভিযোগ, তাদের প্রভাবে মূলধারার গণমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে খবর প্রকাশ বন্ধ রাখা হয়েছে। দিপ্রার ননদদেরও নির্যাতনে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের
নীরবতা দিপ্রার বাবা ও ভাই জানিয়েছেন, নাতি-নাতনির ভবিষ্যৎ চিন্তা করে তারা আইনি পদক্ষেপ নেবেন না। অন্যদিকে শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। সহপাঠীরা মানববন্ধন করে সুষ্ঠু ময়নাতদন্ত ও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগকারীরা বলছেন, ক্ষমতা ও প্রভাবের কারণে এই হত্যাকাণ্ড বিচারের আওতায় আসছে না। পুলিশও স্বপ্রণোদিত হয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। ফলে দিপ্রার মতো একজন মেধাবী চিকিত্সকের মৃত্যু নীরবে ধামাচাপা পড়তে চলেছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করে সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন অনেকে। দুই বছরের একটি শিশুর মা ডা. দিপ্রার অকালমৃত্যু দেশের চিকিত্সক সমাজে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।



