ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বছরে ৫ হাজার কোটি টাকার গ্যাস চুরি
বিশ্বের সবচেয়ে কম বাসযোগ্য শহর ঢাকা
সাবেক প্রধান বিচারপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানি পেছাল
৫৫ লাখ গ্রাহক ২৬৪ কোটি টাকার ফাঁদে: প্রিপেইড মিটার ভাড়া নিয়ে বিএনপির প্রচারণা ছিলো গুজব
রোহিঙ্গাদের হাতে ৮ হাজার একর বনভূমি উজাড়ের ফল: পাহাড় ধসে ৩ ঘণ্টায় ঝরল ৯টি প্রাণ
অ্যাটর্নি জেনারেলকে সহকারীর থাপ্পড়, সুপ্রিম কোর্টে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের দ্বন্দ্ব চরমে
একই গ্রাহকের একই ব্যবহারে প্রি-পেইড মিটারে জুনে বিদ্যুৎ বিল দ্বিগুণ-তিন গুণ!
যার পদত্যাগ একদিন দাবি করেছিল বিএনপি, আজ তাকেই মন্ত্রিসভায় বসানো হয়েছে।
“রাষ্ট্র নিরাপত্তা নিয়ে পরীক্ষা করার সুযোগ নেই। মানবিক করিডরের নামে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। দেশকে অনিরাপদ করার এই ষড়যন্ত্রের দায় নিয়ে ড. খলিলুর রহমানকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে।”
— ২২ মে ২০২৫, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী
ড. খলিলুর রহমানকে একসময় রাষ্ট্র নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে আখ্যা দিয়ে বিএনপি তার পদত্যাগ দাবি করেছিল, সময়ের ব্যবধানে তাকেই এখন ক্ষমতার কেন্দ্রের কাছাকাছি, এমনকি স্পর্শকাতর মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে দেখার বাস্তবতা সামনে এসেছে।
এটি নিছক অবস্থান বদল নয়। এটি ক্ষমতার বিনিময়ে নীতিগত আত্মসমর্পণের প্রতিফলন। অভিযোগ উঠেছে, তারেক রহমান-এর নেতৃত্বাধীন ক্ষমতার সমীকরণে বিদেশি স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত চাহিদা বাস্তবায়নে বিদেশি নাগরিকদের ব্যবহার করা
হচ্ছে। বিশেষ করে “মানবিক করিডর” নামের প্রস্তাবকে ঘিরে যে নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা একসময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নিজেই বলেছিল, আজ সেই একই ব্যক্তি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে প্রভাব রাখছেন। এতে করে দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও স্বাধীন নীতিনির্ধারণ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। “যে ব্যক্তি একদিন রাষ্ট্রের জন্য ঝুঁকি ছিলেন, তিনি কীভাবে রাতারাতি রাষ্ট্রের রক্ষক হয়ে যান, তার ব্যাখ্যা জনগণ পায়নি।” এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ-এর রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা আদৌ কার হাতে, সেই প্রশ্নটাই এখন মুখ্য।
হচ্ছে। বিশেষ করে “মানবিক করিডর” নামের প্রস্তাবকে ঘিরে যে নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা একসময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নিজেই বলেছিল, আজ সেই একই ব্যক্তি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে প্রভাব রাখছেন। এতে করে দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও স্বাধীন নীতিনির্ধারণ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। “যে ব্যক্তি একদিন রাষ্ট্রের জন্য ঝুঁকি ছিলেন, তিনি কীভাবে রাতারাতি রাষ্ট্রের রক্ষক হয়ে যান, তার ব্যাখ্যা জনগণ পায়নি।” এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ-এর রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা আদৌ কার হাতে, সেই প্রশ্নটাই এখন মুখ্য।



