ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নিয়ন্ত্রণের ছায়া, স্বাধীনতার প্রশ্ন
ঋণ করে আমলাদের ঘি খাওয়ানো বন্ধ হবে কবে?
জোরপূর্বক চাপিয়ে দেয়া কালচারাল হেজিমনি আসলে কোনটা?
১৭ এপ্রিল-বাংলাদেশের নূতন সূর্যোদয়
শেখ হাসিনা খাঁটি দেশপ্রেমিক, মানুষ ভুল বুঝতে পেরে তাঁকে ফেরত চাইবে’
বিশ্লেষণঃ গনহত্যার দায় ও আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধকরণ
জুলাই-আগস্টের ৭.৬২ মি.মি. বুলেটের সুত্র অনুসন্ধান: বরখাস্তকৃত লেঃ কর্নেল ও সেনাবাহিনীর আর্টিলারি বিভাগের সম্পৃক্ততা
যাই, ব্যারিস্টার সারা হোসেনকে আরেকটি লাইক দিয়ে আসি…
ব্যারিস্টার সারা হোসেন মিষ্টভাষী। গুছিয়ে গোল গোল কথা বলেন। ৫ আগস্টের পর কোন এক অনুষ্ঠানে এক হুজুর বারবার তার কথা কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করলে শান্তভাবে তিনি ‘আমি একটু শেষ করি..’ বলছিলেন। লাল নারীরা সাথে সাথে তার বিরাট ভক্ত হয়ে গেল। শেখ হাসিনাকে তাদের পছন্দ না। উনার দীর্ঘ সংগ্রাম, অর্ধ শতাব্দীর রাজনীতি তারা দেখেনা। তিনি নাকি পরিবারতন্ত্রের ফসল। অথচ বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত পরিবারের বিশাল বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত সারা হোসেন তাদের আদর্শ।
সেই সারা হোসেন আবার হাততালি কুড়োচ্ছেন ঐকমত্য কমিশন নিয়ে বক্তব্যে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন এবং এর কার্যপদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেছেন, কয়েকজনকে নিয়ে বসে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এই প্রক্রিয়াটিকে কোনোভাবেই ‘গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া’ বলা
যায় না, এটি একটি ‘সিলেক্টিভ প্রসেস’ বা বাছাইকৃত প্রক্রিয়া। সমালোচনা করেছেন নারী সদস্য না থাকায়। এখন, এতো মাস পর মুহাম্মদ ইউনূস নামের শিশুহত্যাকারীটির বিরুদ্ধে কিছু বললেই তো আমরা বর্তে যাই। ঐকমত্য কমিশন নামের ছাগলামো নিয়ে সারা হোসেন কথা বলায় আমরা তাকে নিয়ে আদিখ্যেতায় টলমল হয়ে গেছি। কেউ একবারো তাকে জিজ্ঞেস করছিনা, আঠারো মাস কোথায় ছিলেন? সাথে এটাও ভুলে যাচ্ছি, এই সারা হোসেনরা ছিলেন ৫ আগস্টের বুদ্ধিজীবী অংশ। এরা এইসব আন্দোলনকে বুদ্ধিবৃত্তিক সহায়তা দিয়েছেন। দিয়েছেন সুললিত ভাষায় সুকুমার সমর্থন। ইউনূস প্রসঙ্গে এই গং সবসময়েই উচ্ছসিত। একটু টক মিষ্টি সমালোচনা করলেও এরা ইউনূসেরই অনুসারি। তার প্রমাণ দেখুন। সম্প্রতি ইউনূসের আরেক সহযোগী প্রথম আলো সরকারের সমালোচনা
করায় গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে একটি প্রতিবেদন করে। সেখানে সারা হোসেন বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অনলাইন-অফলাইনে সমালোচনা হলেও তুলনামূলকভাবে কম আইনি পদক্ষেপ দেখা গেছে। তবে নির্বাচনের পর আবার এমন কিছু ঘটনা ঘটছে, যেখানে বক্তব্য বা মত প্রকাশকে কেন্দ্র করে—যেখানে সরাসরি কোনো ক্ষতি বা হুমকির অভিযোগ নেই—সেসব ক্ষেত্রেও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সরকারকে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি যারা এ ধরনের ঘটনায় জড়িত, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানান সারা হোসেন। মানে হলো তিনি বলতে চাচ্ছেন মুহম্মাদ ইউনূসের সময় তুলনামূলক ভালো বাক স্বাধীনতা ছিল। এটা কত বড় মিথ্যে তিনি জানেন। শুধুমাত্র ‘জয় বাংলা’ বলায় জামিন পাননি এমন অনেক লাল লোকজন আছেন, এটা সারা হোসেন
জানেন। তার অজানা থাকার কথা নয় আওয়ামী লীগ হবার অপরাধে, যাদের সমালোচনা করারো সামর্থ হয়নি তাদের লাশ ভেসে উঠেছে নদীতে, শিক্ষা জীবন শেষ হয়ে গেছে তাদের; জেলখানা ভরে গেছে সেইসব বন্দীদের ভিড়ে। সারা হোসেনের অবিদিত থাকার কথা নয়, বিরুদ্ধমত দমনের জন্য শুধু আইন নয়, কীকরে মবকে প্রেশারগ্রুপ নাম দিয়ে নির্যাতনকে বৈধ করা হয়েছে। এইসব কিছু সারা হোসেনের চোখে পড়েনা। তিনি অবলীলায় বলেন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় কথা বলার জন্য খুব বেশি গ্রেপ্তার, আইনী নির্যাতন ঘটেনি। একটা বড় আপাত নিরীহ বক্তব্যের মধ্যে এই ছোট্ট বাক্য দিয়ে কী সুকৌশলে তিনি মুহাম্মদ ইউনূসকে বাক স্বাধীনতার ত্রাতা বানিয়ে দেন। আর পরদিনই ঐকমত্য কমিশনকে বকে দিয়ে আড়াল করে
দেন এর পেছনে ইউনূসের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা। ইউনূসের আসলে বিশাল ভাগ্য। এতোগুলো শিশু মেরে ফেলার পরেও তার ফাঁসি হবেনা। দেশ বিদেশে বেড়াবে তিনটা শূণ্য বিক্রি করে। আর এদের মহান বানাবে সারা হোসেনের মতো মানুষেরা। যাই। সারা হোসেনকে আরেকটা লাইক দিয়ে আসি। লেখক পরিচিতি: শিক্ষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক
যায় না, এটি একটি ‘সিলেক্টিভ প্রসেস’ বা বাছাইকৃত প্রক্রিয়া। সমালোচনা করেছেন নারী সদস্য না থাকায়। এখন, এতো মাস পর মুহাম্মদ ইউনূস নামের শিশুহত্যাকারীটির বিরুদ্ধে কিছু বললেই তো আমরা বর্তে যাই। ঐকমত্য কমিশন নামের ছাগলামো নিয়ে সারা হোসেন কথা বলায় আমরা তাকে নিয়ে আদিখ্যেতায় টলমল হয়ে গেছি। কেউ একবারো তাকে জিজ্ঞেস করছিনা, আঠারো মাস কোথায় ছিলেন? সাথে এটাও ভুলে যাচ্ছি, এই সারা হোসেনরা ছিলেন ৫ আগস্টের বুদ্ধিজীবী অংশ। এরা এইসব আন্দোলনকে বুদ্ধিবৃত্তিক সহায়তা দিয়েছেন। দিয়েছেন সুললিত ভাষায় সুকুমার সমর্থন। ইউনূস প্রসঙ্গে এই গং সবসময়েই উচ্ছসিত। একটু টক মিষ্টি সমালোচনা করলেও এরা ইউনূসেরই অনুসারি। তার প্রমাণ দেখুন। সম্প্রতি ইউনূসের আরেক সহযোগী প্রথম আলো সরকারের সমালোচনা
করায় গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে একটি প্রতিবেদন করে। সেখানে সারা হোসেন বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে অনলাইন-অফলাইনে সমালোচনা হলেও তুলনামূলকভাবে কম আইনি পদক্ষেপ দেখা গেছে। তবে নির্বাচনের পর আবার এমন কিছু ঘটনা ঘটছে, যেখানে বক্তব্য বা মত প্রকাশকে কেন্দ্র করে—যেখানে সরাসরি কোনো ক্ষতি বা হুমকির অভিযোগ নেই—সেসব ক্ষেত্রেও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সরকারকে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি যারা এ ধরনের ঘটনায় জড়িত, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানান সারা হোসেন। মানে হলো তিনি বলতে চাচ্ছেন মুহম্মাদ ইউনূসের সময় তুলনামূলক ভালো বাক স্বাধীনতা ছিল। এটা কত বড় মিথ্যে তিনি জানেন। শুধুমাত্র ‘জয় বাংলা’ বলায় জামিন পাননি এমন অনেক লাল লোকজন আছেন, এটা সারা হোসেন
জানেন। তার অজানা থাকার কথা নয় আওয়ামী লীগ হবার অপরাধে, যাদের সমালোচনা করারো সামর্থ হয়নি তাদের লাশ ভেসে উঠেছে নদীতে, শিক্ষা জীবন শেষ হয়ে গেছে তাদের; জেলখানা ভরে গেছে সেইসব বন্দীদের ভিড়ে। সারা হোসেনের অবিদিত থাকার কথা নয়, বিরুদ্ধমত দমনের জন্য শুধু আইন নয়, কীকরে মবকে প্রেশারগ্রুপ নাম দিয়ে নির্যাতনকে বৈধ করা হয়েছে। এইসব কিছু সারা হোসেনের চোখে পড়েনা। তিনি অবলীলায় বলেন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় কথা বলার জন্য খুব বেশি গ্রেপ্তার, আইনী নির্যাতন ঘটেনি। একটা বড় আপাত নিরীহ বক্তব্যের মধ্যে এই ছোট্ট বাক্য দিয়ে কী সুকৌশলে তিনি মুহাম্মদ ইউনূসকে বাক স্বাধীনতার ত্রাতা বানিয়ে দেন। আর পরদিনই ঐকমত্য কমিশনকে বকে দিয়ে আড়াল করে
দেন এর পেছনে ইউনূসের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা। ইউনূসের আসলে বিশাল ভাগ্য। এতোগুলো শিশু মেরে ফেলার পরেও তার ফাঁসি হবেনা। দেশ বিদেশে বেড়াবে তিনটা শূণ্য বিক্রি করে। আর এদের মহান বানাবে সারা হোসেনের মতো মানুষেরা। যাই। সারা হোসেনকে আরেকটা লাইক দিয়ে আসি। লেখক পরিচিতি: শিক্ষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক



