ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ
আচরণবিধি ভাঙায় পাকিস্তানের আঘা সালমানকে আইসিসির তিরস্কার ও ডিমেরিট
জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অ্যাথলেট মিমু আর নেই
চোট পেয়ে হাসপাতালে পাকিস্তানি ক্রিকেটার
রান আউট নিয়ে উত্তপ্ত মিরপুর, রেগে হেলমেট ছুঁড়ে মারলেন পাকিস্তানের সালমান
স্মার্টফোন যেভাবে শনাক্ত করতে পারে ভূমিকম্প
সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে টসে জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ
মিরপুরে এমন পিচ নিয়ে যা জানালেন তারা
বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ওয়ানডেতে মিরপুরের উইকেট নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা। গাঢ় বাদামি রঙের উইকেট, একফোঁটা ঘাস নেই-এমন দৃশ্য দেখে চমকে গেছেন অনেকে। তবে এটি একেবারেই অপ্রত্যাশিত ছিল না।ম্যাচের আগের দিনই এ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান কোচ ড্যারেন স্যামিকে। তিনি তখন বলেছিলেন, ‘অধিনায়ক শাই হোপ এখনো উইকেট দেখেনি, তবে আমি দেখেছি। আমরা এমন উইকেট বানাতে পারব না-এমন কিছু আগে কখনো দেখিনি।’
অন্যদিকে বাংলাদেশের কোচ ফিল সিমন্স বলেন, ‘এটা স্বাভাবিক মিরপুরের উইকেটের মতোই দেখাচ্ছে। সাধারণত এখানে কিছুটা টার্ন থাকে, যা ভালোই।’
সাবেক শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডার ও ধারাভাষ্যকার ফারভেজ মাহারুফ ম্যাচ শুরুর আগে উইকেট রিপোর্টে বলেন, ‘দুই বছর আগে এখানে শেষ
ওয়ানডে হয়েছিল। এবার সম্পূর্ণ আলাদা এক ধরনের উইকেট দেখছি। আমি অনেক ম্যাচ কাভার করেছি, কিন্তু এই প্রথম একটাও ঘাস দেখলাম না। বল করার আগেই মাটি নড়ছে, মানে উইকেটটা ধীরগতির হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটা ধীর উইকেট, স্পিনারদের ভূমিকা বড় হবে। ব্যাটসম্যানদের জন্য কাজটা কঠিন হবে, বিশেষ করে মাঝের ওভারগুলোতে।’ মাহারুফের সেই ভবিষ্যদ্বাণী হুবহু সত্যি হয় ম্যাচে। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ৩০তম ওভারে গিয়ে পৌঁছায় মাত্র ১০০ রানে। পরে কোনোভাবে দলীয় স্কোর ২০৭ পর্যন্ত নিতে পারে তারা। সম্প্রচারকারীদের দেখানো পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনার গুডাকেশ মোতি, রস্টন চেজ ও খারি পিয়ের উইকেট থেকে গড়ে ৪ থেকে ৪.৫ ডিগ্রির বেশি
টার্ন পাচ্ছিলেন। এমনকি জাস্টিন গ্রিভসের কাটার আর মাঝারি গতির বলেও রান তুলতে হিমশিম খেয়েছেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। এরপর রিশাদ হোসেন তো সব আলোই কেড়ে নিলেন। ৬ উইকেট তুলে নিয়ে তিনি একাই ধসিয়ে দিয়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। যার ফলে ২০৭ রান করেও ৭৪ রানের বিশাল এক জয় পায় বাংলাদেশ।
ওয়ানডে হয়েছিল। এবার সম্পূর্ণ আলাদা এক ধরনের উইকেট দেখছি। আমি অনেক ম্যাচ কাভার করেছি, কিন্তু এই প্রথম একটাও ঘাস দেখলাম না। বল করার আগেই মাটি নড়ছে, মানে উইকেটটা ধীরগতির হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটা ধীর উইকেট, স্পিনারদের ভূমিকা বড় হবে। ব্যাটসম্যানদের জন্য কাজটা কঠিন হবে, বিশেষ করে মাঝের ওভারগুলোতে।’ মাহারুফের সেই ভবিষ্যদ্বাণী হুবহু সত্যি হয় ম্যাচে। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ৩০তম ওভারে গিয়ে পৌঁছায় মাত্র ১০০ রানে। পরে কোনোভাবে দলীয় স্কোর ২০৭ পর্যন্ত নিতে পারে তারা। সম্প্রচারকারীদের দেখানো পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনার গুডাকেশ মোতি, রস্টন চেজ ও খারি পিয়ের উইকেট থেকে গড়ে ৪ থেকে ৪.৫ ডিগ্রির বেশি
টার্ন পাচ্ছিলেন। এমনকি জাস্টিন গ্রিভসের কাটার আর মাঝারি গতির বলেও রান তুলতে হিমশিম খেয়েছেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। এরপর রিশাদ হোসেন তো সব আলোই কেড়ে নিলেন। ৬ উইকেট তুলে নিয়ে তিনি একাই ধসিয়ে দিয়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। যার ফলে ২০৭ রান করেও ৭৪ রানের বিশাল এক জয় পায় বাংলাদেশ।



