ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গুরু পাপে লঘু দণ্ড পুঁজিবাজারে, উৎসাহিত হচ্ছে কারসাজি চক্র
সুন্দরবনে থামছে না হরিণ শিকার, ৩৪৫৩ কেজি মাংস উদ্ধার!
কে হচ্ছেন নতুন রাষ্ট্রপতি
আগস্টে পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন না হলে সরকারি কর্মচারীদের বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা
‘লীগ নেতা’ ট্যাগে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, না পেয়ে ব্যবসায়ীকে আয়নাঘরে নির্যাতনের পর পুলিশে দিল বিএনপি নেতা
রবীন্দ্র সরোবরে বর্ষামঙ্গল উদযাপন: গান-কবিতা-নৃত্যে মুখরিত হলো ধানমন্ডি
ভারতীয় সন্দেহে বিজিবি গাড়ি বহরের উপর আক্রমণে নিহত সন্ত্রাসীরা স্থান পেলো জুলাই শহিদ গেজেটে
ফেনীতে মাটিলুট ও চাঁদাবাজির জেরে যুবদল-ছাত্রদলের দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১
ফেনীর ছাগলনাইয়ায় ফসলি জমির মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে যুবদল-ছাত্রদলের দুপক্ষের সংঘর্ষে হোনা মিয়া নামে এক যুবদলকর্মী নিহত হয়েছেন।
১৫ই মার্চ, রোববার ভোররাতে উপজেলার পাঠাননগর ইউনিয়নের কন্ট্রাকটর মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আবু আহাম্মদ হোনা মিয়া (৩৭) ছাগলনাইয়া উপজেলার পুর্ব পাঠানগড় গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে।
এই হত্যাকাণ্ডে উপজেলা ছাত্রদল নেতাসহ ৭ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ছাগলনাইয়া থানার ওসি।
জানা গেছে, ২০২৪-এর ৫ই আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে ছাগলনাইয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ফসলি জমির মাটি কাটার এক ‘মহোৎসব’ শুরু হয়। এ মাটিলুটের নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদার ভাগাভাগি নিয়ে ছাত্রদল-যুবদলসহ সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জের ধরেই রোববার ভোররাতে উভয়পক্ষ
সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে যুবদলকর্মী আবু আহাম্মদ হোনা মিয়া প্রাণ হারান। ছাগলনাইয়া থানার ওসি মো. শাহিন মিয়া বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে উপজেলা ছাত্রদল নেতা জাহিদ হোসেন জিহাদ ও মাহাতির মজুমদারসহ সাতজনকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে বলে জানান তিনি। ওসি আরও বলেন, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। জেলা যুবদলের সদস্য সচিব বরাত চৌধুরী বলেন, মাটিলুট বা একাজে চাঁদাবাজির বিষয়ে দলের পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। যারা এতে জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে দল কঠিন পদক্ষেপ নেবে।
সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে যুবদলকর্মী আবু আহাম্মদ হোনা মিয়া প্রাণ হারান। ছাগলনাইয়া থানার ওসি মো. শাহিন মিয়া বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে উপজেলা ছাত্রদল নেতা জাহিদ হোসেন জিহাদ ও মাহাতির মজুমদারসহ সাতজনকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে বলে জানান তিনি। ওসি আরও বলেন, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। জেলা যুবদলের সদস্য সচিব বরাত চৌধুরী বলেন, মাটিলুট বা একাজে চাঁদাবাজির বিষয়ে দলের পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। যারা এতে জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে দল কঠিন পদক্ষেপ নেবে।



