ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শাপলা চত্বরে ৩২ জনকে হত্যার প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর
আইন ভাঙলে অটো নোটিশ, হাজিরা না দিলে গ্রেফতারি পরোয়ানা
ঢাকার একাংশে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ
বিএসটিআইয়ের নতুন মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক
হাওড়ে কৃষকের স্বপ্নভঙ্গ
প্রশিক্ষণ নিতে পাকিস্তান যাচ্ছেন ১১ সরকারি কর্মকর্তা
থানায় ডেকে নারীর কাছে ঘুস নেওয়ায় ওসি ক্লোজড
মশায় অতিষ্ঠ রাজধানীর মানুষ
রাজধানীজুড়ে মশার ভয়াবহ উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে নগরবাসী। দিনভর কোনোভাবে সময় কাটলেও সন্ধ্যা নামতেই শুরু হয় মশার ঝাঁকে ঝাঁকে আক্রমণ। এতে স্বাভাবিক জীবনযাপন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও ঘুম সবকিছুতেই বিঘ্ন ঘটছে। ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
তেজকুনিপাড়া এলাকার টং দোকানি মিজানুর রহমান বলেন, মশার যন্ত্রণায় সারাদিন বসে থাকতে হয়। সন্ধ্যা হলেই মশা হাত-পায়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দোকানে বসে ব্যবসা করাই কঠিন হয়ে যায়।
তিনি জানান, টংয়ের দুই পাশে সব সময় দুটি কয়েল জ্বালিয়ে রাখেন, তারপরও মশা কমে না।
শুধু তেজকুনিপাড়া নয়, একই অবস্থা রাজধানীর প্রায় সব এলাকায়।
মশার দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ হয়ে সম্প্রতি এক আইনজীবী স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে আইনি
নোটিশ পাঠিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, কয়েক মাস ধরে মশার উপদ্রব বাড়লেও দায়িত্বশীল সংস্থাগুলোর কার্যকর উদ্যোগ ছিল না। মাঝেমধ্যে ওষুধ ছিটানো হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম ছিল। মশা বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় ড্রেন, বক্স-কালভার্ট ও বিভিন্ন জলাধারে পানি জমে পচে গেছে। পানির প্রবাহ না থাকায় এসব জায়গা মশার বংশবিস্তারের আদর্শ পরিবেশে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি শীত শেষ হয়ে তাপমাত্রা বাড়াও মশা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। এছাড়া মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমও ঠিকমতো পরিচালিত হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারাও একই অভিযোগ করেছেন। রামপুরা এলাকার বাসিন্দা অশোক দে বলেন, বাসার আশপাশে এত মশা যে টেকা দায় হয়ে গেছে। বাজারে মশা তাড়ানোর বৈদ্যুতিক
যন্ত্রও পাওয়া যাচ্ছে না। মগবাজারের বাসিন্দা নুসরাত ফাতেমা বলেন, সিটি কর্পোরেশন মাঝে মাঝে ফগিং করা হলেও তা নিয়মিত নয় এবং কোনো স্থায়ী ফলও পাওয়া যাচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন মশক নিধন কার্যক্রমের তদারকি দুর্বল থাকায় ড্রেন পরিষ্কার, খাল থেকে বর্জ্য অপসারণ ও জলাশয়ে ওষুধ প্রয়োগের কাজ নিয়মিত হয়নি। ফলে মশার বংশবিস্তারের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি দুই সিটি কর্পোরেশন ক্রাশ প্রোগ্রামসহ বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু করলেও এখনো নগরবাসী মশার যন্ত্রণা থেকে স্বস্তি পাচ্ছেন না। নগরবাসীর দাবি, নিয়মিত ও কার্যকর মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
নোটিশ পাঠিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, কয়েক মাস ধরে মশার উপদ্রব বাড়লেও দায়িত্বশীল সংস্থাগুলোর কার্যকর উদ্যোগ ছিল না। মাঝেমধ্যে ওষুধ ছিটানো হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম ছিল। মশা বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় ড্রেন, বক্স-কালভার্ট ও বিভিন্ন জলাধারে পানি জমে পচে গেছে। পানির প্রবাহ না থাকায় এসব জায়গা মশার বংশবিস্তারের আদর্শ পরিবেশে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি শীত শেষ হয়ে তাপমাত্রা বাড়াও মশা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। এছাড়া মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমও ঠিকমতো পরিচালিত হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারাও একই অভিযোগ করেছেন। রামপুরা এলাকার বাসিন্দা অশোক দে বলেন, বাসার আশপাশে এত মশা যে টেকা দায় হয়ে গেছে। বাজারে মশা তাড়ানোর বৈদ্যুতিক
যন্ত্রও পাওয়া যাচ্ছে না। মগবাজারের বাসিন্দা নুসরাত ফাতেমা বলেন, সিটি কর্পোরেশন মাঝে মাঝে ফগিং করা হলেও তা নিয়মিত নয় এবং কোনো স্থায়ী ফলও পাওয়া যাচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন মশক নিধন কার্যক্রমের তদারকি দুর্বল থাকায় ড্রেন পরিষ্কার, খাল থেকে বর্জ্য অপসারণ ও জলাশয়ে ওষুধ প্রয়োগের কাজ নিয়মিত হয়নি। ফলে মশার বংশবিস্তারের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি দুই সিটি কর্পোরেশন ক্রাশ প্রোগ্রামসহ বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু করলেও এখনো নগরবাসী মশার যন্ত্রণা থেকে স্বস্তি পাচ্ছেন না। নগরবাসীর দাবি, নিয়মিত ও কার্যকর মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।



