ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ না তুললে পাকিস্তানে ইরানের প্রতিনিধি দল যাবে না
প্রতিনিধিরা আলোচনার জন্য পাকিস্তানে যাচ্ছেন, শান্তি চুক্তি ‘হবে’ : ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ না তোলা পর্যন্ত হরমুজ বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি
শত্রুর মোকাবিলায় এক চুলও ছাড় নয়: ইরানের সেনাপ্রধান
ইরানে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল শুরু কবে থেকে, জানা গেল
হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানি রাষ্ট্রদূতকে তলব
যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করায় হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি
ভারতের সামগ্রী দিয়ে ড্রোন বানিয়ে পাকিস্তানকে দিয়েছিল তুরস্ক
‘অপারেশন সিঁদুর’কে কেন্দ্র করে চলা ‘যুদ্ধে’ পাকিস্তানকে সরাসরি সমর্থন করায় তুরস্কের বিরুদ্ধে ফুঁসছে গোটা ভারত। এরইমধ্যে নয়াদিল্লি-আঙ্কারার বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য।
ভারত থেকে আমদানি করা সামগ্রীতেই নাকি ফৌজি ড্রোন তৈরি করছে তুরস্ক। তারপর সেগুলি তুলে দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানের হাতে। এমন খবর বের হতেই তুরস্কে ড্রোন নির্মাণ সামগ্রী অবিলম্বে রপ্তানি বন্ধের দাবি তুলেছেন ভারতীয়রা।
এমনিতেই নয়াদিল্লিকে অস্ত্র বিক্রির ব্যাপারে অনাগ্রহ আছে আঙ্কারার। ড্রোন সংক্রান্ত প্রতিরক্ষা চুক্তির ব্যাপারে তো সরাসরি ‘না’ বলতে এতটুকু দেরি করেননি তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিচেপ তায়িপ এর্ডোয়ান। অথচ ভারত থেকে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণে ইঞ্জিনিয়ারিং সামগ্রী আমদানি করে দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের এই সাবেক অটোমান রাষ্ট্র। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের দাবি, সেগুলি
ড্রোন তৈরিতে অনায়াসে ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে তাদের। সূত্রের খবর, ভারত থেকে অ্যালুমিনিয়াম পণ্য, গাড়ি নির্মাণ, টেলিকম ও বিমানের যন্ত্রাংশ এবং বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক্স সরঞ্জাম আমদানি করে তুরস্ক। এ ছাড়া নয়াদিল্লির রফতানি সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ব্যাটারি, রিসিভার, ভিডিয়ো ট্রান্সমিটার এবং অ্যান্টেনা। এগুলিকে ড্রোন উৎপাদনের কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহারের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত তার কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অত্যাধুনিক ফৌজি ড্রোন তৈরিতে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রীর প্রয়োজন হয়। সেগুলি হল, ইলেকট্রনিক স্পিড কন্ট্রোল, ফ্লাইট কন্ট্রোল মডিউল, ক্যামেরা, প্রপেলার, মোটর, ফ্রেম এবং কন্ট্রোলার। এই সরঞ্জামগুলিও বিপুল পরিমাণে ভারত থেকে আমদানি করে তুরস্ক। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই আঙ্কারার বিরুদ্ধে সন্দেহ দানা বেঁধেছে ভারতের।
ড্রোন তৈরিতে অনায়াসে ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে তাদের। সূত্রের খবর, ভারত থেকে অ্যালুমিনিয়াম পণ্য, গাড়ি নির্মাণ, টেলিকম ও বিমানের যন্ত্রাংশ এবং বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক্স সরঞ্জাম আমদানি করে তুরস্ক। এ ছাড়া নয়াদিল্লির রফতানি সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ব্যাটারি, রিসিভার, ভিডিয়ো ট্রান্সমিটার এবং অ্যান্টেনা। এগুলিকে ড্রোন উৎপাদনের কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহারের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত তার কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অত্যাধুনিক ফৌজি ড্রোন তৈরিতে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রীর প্রয়োজন হয়। সেগুলি হল, ইলেকট্রনিক স্পিড কন্ট্রোল, ফ্লাইট কন্ট্রোল মডিউল, ক্যামেরা, প্রপেলার, মোটর, ফ্রেম এবং কন্ট্রোলার। এই সরঞ্জামগুলিও বিপুল পরিমাণে ভারত থেকে আমদানি করে তুরস্ক। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই আঙ্কারার বিরুদ্ধে সন্দেহ দানা বেঁধেছে ভারতের।



