ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতে মরিয়া হয়ে আছে ইরান: ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালি নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘প্ল্যান বি’-র ডাক
২০২৪ সালের নির্বাচনে কমলার হারের ‘অটোপ্সি রিপোর্ট’ প্রকাশ, যা উঠে এলো
বাল্যবিয়েকে আইনি স্বীকৃতি দিচ্ছে তালেবান সরকার
রাশিয়া কেন বেলারুশে আরও পারমাণবিক অস্ত্র পাঠাল?
হজ শেষ হওয়া পর্যন্ত ইরানে হামলা স্থগিত রাখতে যুক্তরাষ্ট্রকে সৌদির আহ্বান
ট্রাম্প-এরদোগান ফোনালাপ, কথা হলো যেসব বিষয়ে
ভারতীয় রুপির রেকর্ড দরপতন
টানা চতুর্থ দিনের মতো মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) ভারতীয় রুপির রেকর্ড পতন হয়েছে। এদিন মার্কিন ডলারের বিপরীতে ভারতীয় রুপির মান কমে দাঁড়িয়েছে ৯০.৮২ তে।
চলতি বছরে ডলারের বিপরীতে রুপির মান প্রায় ৬ শতাংশ কমেছে, যা একে এশিয়ার মধ্যে বছরের সবচেয়ে দুর্বল পারফরম্যান্সের মুদ্রায় পরিণত করেছে। সোমবার যেখানে ১ ডলারের মান ছিল ৯০.৭৮ রুপি, মঙ্গলবার তা আরও কমে ভারতের মুদ্রা বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। খবর গালফ নিউজের।
বাণিজ্য চুক্তির অনিশ্চয়তা, বিদেশি বিনিয়োগ কমে যাওয়া, শেয়ার বাজারের মন্দাভাব ও রিজার্ভ ব্যাংকের কৌশলের কারণে রুপির এই ঐতিহাসিক পতন হয়েছে বলে দেশটির অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন।
তাদের মতে, ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তি
নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না। ভারত একমাত্র বড় অর্থনীতি যাদের সঙ্গে আমেরিকার কোনো দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি নেই। আমেরিকার উচ্চ শুল্ক নীতির কারণে ভারতের রপ্তানি বাজারে প্রতিযোগিতা নিয়ে বিনিয়োগকারীরা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন, যা রুপির ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। এছাড়া ডিসেম্বর মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ভারতীয় শেয়ার বাজার থেকে প্রায় ১ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার তুলে নিয়েছেন। নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে তারা এখন রুপির চেয়ে ডলারের ওপর বেশি ভরসা করছেন। স্থানীয় বাজারে বিনিয়োগ কমে যাওয়ায় রুপির চাহিদা হ্রাস পেয়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক রুপিকে রক্ষা করার চেয়ে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। মুদ্রার পতন ঠেকাতে তারা খুব বেশি আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ নিচ্ছে না। ধারণা করা হচ্ছে,
৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে রুপি প্রতি ডলারে ৯১ ছুঁতে পারে। রুপির দীর্ঘায়িত দুর্বলতা ভারতের শেয়ার বাজারকেও প্রভাবিত করছে। নভেম্বরের রেকর্ড উচ্চতা থেকে নিফটি ৫০ সূচক প্রায় ১ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে। রুপির মান কমতে থাকায় ৫ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলারের বিশাল এই বাজারে বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস কমছে।
নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না। ভারত একমাত্র বড় অর্থনীতি যাদের সঙ্গে আমেরিকার কোনো দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি নেই। আমেরিকার উচ্চ শুল্ক নীতির কারণে ভারতের রপ্তানি বাজারে প্রতিযোগিতা নিয়ে বিনিয়োগকারীরা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন, যা রুপির ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। এছাড়া ডিসেম্বর মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ভারতীয় শেয়ার বাজার থেকে প্রায় ১ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার তুলে নিয়েছেন। নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে তারা এখন রুপির চেয়ে ডলারের ওপর বেশি ভরসা করছেন। স্থানীয় বাজারে বিনিয়োগ কমে যাওয়ায় রুপির চাহিদা হ্রাস পেয়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক রুপিকে রক্ষা করার চেয়ে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। মুদ্রার পতন ঠেকাতে তারা খুব বেশি আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ নিচ্ছে না। ধারণা করা হচ্ছে,
৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে রুপি প্রতি ডলারে ৯১ ছুঁতে পারে। রুপির দীর্ঘায়িত দুর্বলতা ভারতের শেয়ার বাজারকেও প্রভাবিত করছে। নভেম্বরের রেকর্ড উচ্চতা থেকে নিফটি ৫০ সূচক প্রায় ১ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে। রুপির মান কমতে থাকায় ৫ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলারের বিশাল এই বাজারে বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস কমছে।



