ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আন্তর্জাতিক বাজারে কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে আজ
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বাড়ল
ব্যাংক খাত ধ্বংস-ঘোষণা না দিয়ে টাকা ছাপানো: পদ হারালেন বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর
ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম
বহুমুখী সংকটের মুখে বাংলাদেশের পোশাক খাত: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট
দেশে কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে আজ
রমজানে আড়াইটা পর্যন্ত ব্যাংক লেনদেন
বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে বড় পতন: ফেব্রুয়ারিতে ২১ শতাংশ কমে ৩৫০ কোটি ডলারের নিচে
বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে ধারাবাহিক অবনতির মধ্যে ফেব্রুয়ারি মাসে বড় ধাক্কা লেগেছে। Export Promotion Bureau (EPB)-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মোট রপ্তানি আয় হয়েছে প্রায় ৩৪৯ কোটি (৩.৪৯ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার, যা আগের মাস জানুয়ারির তুলনায় প্রায় ২১ শতাংশ কম। জানুয়ারিতে রপ্তানি আয় ছিল ৪৪১ কোটি ডলার।
একই সঙ্গে, গত বছরের ফেব্রুয়ারির তুলনায় এবারের আয় কমেছে ১২.০৩ শতাংশ। গত বছর একই মাসে রপ্তানি থেকে আয় হয়েছিল প্রায় ৩৯৭ কোটি (৩.৯৭ বিলিয়ন) ডলার। প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক (RMG) এই পতনের সবচেয়ে বড় কারণ। ফেব্রুয়ারিতে RMG খাত থেকে আয় হয়েছে মাত্র ২৮১-২৮২ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই মাসের তুলনায়
১৩.২১ শতাংশ কম।চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ হাজার ১৯০-৩১৯১ কোটি (৩১.৯০-৩১.৯১ বিলিয়ন) ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয় ছিল ৩ হাজার ২৯৪ কোটি (৩২.৯৪ বিলিয়ন) ডলারেরও কিছু বেশি। ফলে আট মাসের হিসাবে রপ্তানি কমেছে ৩.১৫ শতাংশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বব্যাপী চাহিদা কমে যাওয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো প্রধান বাজারে অর্ডার হ্রাস এবং অন্যান্য বাহ্যিক চাপের কারণে এই পতন ঘটছে। এটি টানা সাত-আট মাস ধরে চলমান নেতিবাচক প্রবণতার অংশ। সামনের মাসগুলোতেও এই শঙ্কা অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে
পারে। সরকার ও রপ্তানিকারকরা নতুন বাজার অনুসন্ধান, পণ্য বৈচিত্র্যকরণ এবং প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা বাড়ানোর মাধ্যমে এই পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকলে রপ্তানি পুনরুদ্ধারে আরও সময় লাগতে পারে।
১৩.২১ শতাংশ কম।চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ হাজার ১৯০-৩১৯১ কোটি (৩১.৯০-৩১.৯১ বিলিয়ন) ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয় ছিল ৩ হাজার ২৯৪ কোটি (৩২.৯৪ বিলিয়ন) ডলারেরও কিছু বেশি। ফলে আট মাসের হিসাবে রপ্তানি কমেছে ৩.১৫ শতাংশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বব্যাপী চাহিদা কমে যাওয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো প্রধান বাজারে অর্ডার হ্রাস এবং অন্যান্য বাহ্যিক চাপের কারণে এই পতন ঘটছে। এটি টানা সাত-আট মাস ধরে চলমান নেতিবাচক প্রবণতার অংশ। সামনের মাসগুলোতেও এই শঙ্কা অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে
পারে। সরকার ও রপ্তানিকারকরা নতুন বাজার অনুসন্ধান, পণ্য বৈচিত্র্যকরণ এবং প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা বাড়ানোর মাধ্যমে এই পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকলে রপ্তানি পুনরুদ্ধারে আরও সময় লাগতে পারে।



