বাংলাদেশসহ ৫ দেশকে ‘হুমকি’ ভাবছে ভারত – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

বাংলাদেশসহ ৫ দেশকে ‘হুমকি’ ভাবছে ভারত

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ |
ভারতের নিরাপত্তা মহল পাঁচ প্রতিবেশী দেশকে সরাসরি হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ভুটান ও মিয়ানমার ছাড়া বাকি পাঁচ দেশ—বাংলাদেশ, পাকিস্তান, চীন, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার সাম্প্রতিক পরিস্থিতিকে ভারত তার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক মনে করছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবরে বলা হয়, কলকাতায় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ড সদর দপ্তরে সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ‘কম্বাইন্ড কমান্ডারস কনফারেন্স’। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এ দ্বিবার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। এবারের প্রতিপাদ্য—‘ইয়ার অব রিফর্মস : ট্রান্সফরমিং ফর দ্য ফিউচার।’ এখানে ভারতের শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্ব একসঙ্গে বসে সামগ্রিক প্রতিরক্ষা কৌশল নির্ধারণ করছে। কেন বাংলাদেশকে হুমকি ভাবছে ভারত? ভারতের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো মনে করছে,

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর উগ্রপন্থি তৎপরতা বেড়েছে। এ ছাড়া ভারতবিরোধী বক্তব্য ও কার্যকলাপও দৃশ্যমান হচ্ছে, যা ভারতের জন্য সরাসরি নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করেছে। এক জ্যেষ্ঠ গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, বছরের পর বছর বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশ হচ্ছে। এতে পশ্চিমবঙ্গ ও আসামের সীমান্তবর্তী জেলার জনসংখ্যার গঠন বদলে যাচ্ছে। এর প্রভাব ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ওপর পড়ছে এবং সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা বাড়ছে। পাকিস্তান ও নেপাল নিয়েও উদ্বেগ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পাকিস্তান এখনো জঙ্গি অর্থায়নের মাধ্যমে ভারতের জন্য বড় হুমকি হয়ে আছে। অন্যদিকে নেপালে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ভারতের সীমান্ত নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করছে। নেপালে ভারতবিরোধী মনোভাবও বাড়ছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার পথে বাধা। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ চীন ভারত

সবচেয়ে বেশি শঙ্কিত চীনকে ঘিরে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল ও দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের আক্রমণাত্মক ভূমিকাকে সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে। লাদাখ, অরুণাচল ও সিকিম সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরে চলা অচলাবস্থা নিয়ে ভারতের শীর্ষ সামরিক নেতৃত্ব বিস্তারিত আলোচনা করেছে। তাদের মতে, সীমান্তে চীনের উপস্থিতি ভারতের জন্য পরোক্ষ হলেও বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনছে। সম্মেলনের মূল লক্ষ্য কী? নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মতে, সম্মেলনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করা, পাকিস্তান ও চীনের সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়া এবং একই সঙ্গে নেপাল, বাংলাদেশসহ অন্যান্য প্রতিবেশী দেশের উদীয়মান চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করা। শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, এখন শুধু যুদ্ধের প্রস্তুতি নয়, বরং শান্তিকালীন সময়েও সমন্বিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব

দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতের সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় কার্যকর কাঠামো, দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাই হবে এ সম্মেলনের বড় অর্জন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
কে এই জার্মান মডেল? যার ছবিতে ‘লাইক’ দিয়ে আলোচনায় কোহলি বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় লাফ, ধস নেমেছে শেয়ার বাজারে ডার্ক ওয়েবে মিলছে টেলিটকের তথ্য রাষ্ট্রপতির হার্টে ব্লক শনাক্ত, বসানো হয়েছে রিং যুদ্ধ শেষ হলেই কমবে মুদ্রাস্ফীতি, তেলের বাজার হবে নিম্নমুখী: ট্রাম্প ভরসার মানুষই ভয়ংকর! বেসরকারি খাতে কয়লা বিক্রির সিদ্ধান্ত জাতীয় পেনশন স্কিমে ৩২ মাসে যুক্ত হয়েছে ৩.৭৭ লাখ মানুষ, জমা ২৫৫ কোটি ১৬ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানের ওপর আরব আমিরাতের নিষেধাজ্ঞা ভিসা আবেদনকারীদের জন্য নতুন নির্দেশনা সারা দেশে টানা ৫ দিন ভারি বৃষ্টির আভাস ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট নিয়ে রেলওয়ের জরুরি বার্তা ‘একটু বিস্কুট দে ভাই, ক্ষুধা লাগছে’ মায়ানমার সীমান্তে নতুন অস্বস্তি: বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত, আরাকান নেতার বিতর্কিত মানচিত্র ঘিরে উদ্বেগ আলুটিলা পাহাড় ইসলামীকরণ: পর্যটন স্থানে জমি দখলের করে ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ; জেলা প্রশাসকের সায় যশোরে পিস্তল, গুলি ও গাঁজাসহ যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আটক নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন সাতক্ষীরার লাখো জেলে, পরিবার নিয়ে দুর্ভোগে বরগুনায় ছাত্রলীগ নেতার পিতাকে পিটিয়ে হত্যা ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটঃ আসন্ন বাজেটে মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় অগ্রিম আয়করের প্রস্তাব রাজবন্দির মুক্তির দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রাজপথ কাঁপিয়ে ছাত্রলীগের মহড়া