ফাইনালে সুপার ওভারে হেরে বাংলাদেশের স্বপ্নভঙ্গ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৪ নভেম্বর, ২০২৫
     ৭:১৬ পূর্বাহ্ণ

ফাইনালে সুপার ওভারে হেরে বাংলাদেশের স্বপ্নভঙ্গ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৪ নভেম্বর, ২০২৫ | ৭:১৬ 58 ভিউ
দোহা যেন শ্বাস ধরে তাকিয়ে ছিল শেষ বল পর্যন্ত। ২০ ওভারের লড়াই শেষে দু’দল সমান সমান, শেষ ওভারের শেষ বলে রান–সমতা, আর এরপর সুপার ওভারের স্মরণীয় রোমাঞ্চ—এশিয়া কাপ রাইজিং স্টার্স ফাইনালে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের স্বপ্ন শেষ পর্যন্ত গুঁড়িয়ে দিল পাকিস্তান শাহিন্স। মাত্র ৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ট্রফি উঠল পাকিস্তানের হাতে। ওয়েস্ট এন্ড পার্ক ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রোববার রাতটা হতে পারত লাল-সবুজের। শেষ ওভারে ৭ রান দরকার ছিল, হাতে মাত্র এক উইকেট। আবদুল গাফফার সাকলাইন–রিপন মণ্ডলের ঝড়ো তিন ছক্কায় সম্ভব হয়েছিল অসম্ভবকে ছোঁয়া। কিন্তু শেষ বলে দুই রান চাই, পাওয়া গেল মাত্র এক। ম্যাচ গড়াল সুপার ওভারে, আর সেখানে আরেকবার ভাগ্যের

কাছে হার মানল বাংলাদেশ। বাংলাদেশ বেছে নেয় ব্যাটিং। কিন্তু আহমেদ সানিয়ালের প্রথম বলেই সাকলাইন ফিরলেন শূন্য রানে—অভিশপ্ত সূচনা। পরের বল ওয়াইড হয়ে চার গেলেও এরপর ড্যানিয়াল মাত্র ছয় রানই দেন। মাত্র ৬ রানে থামে বাংলাদেশের সুপার ওভার। ৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম বলে লেগ-বাই, এরপর সাদাকাতের সিঙ্গেল—চাপ একদমই নেই। সাদ মাসুদের তৃতীয় বলের চারেই ম্যাচ প্রায় শেষ, আর শেষ দিকে ইনসাইড–এজে আসে জয়সূচক রান। এর আগে মূল ম্যাচেই বাংলােদশ নাটকীয় এক গল্প রচনা করেছিল। পাকিস্তানের ১২৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথমদিকে দুর্দান্ত গতি ছিল—হাবিবুর রহমান সোহণ (২৬ বলে ১৭) ও জিশান আলম (৬) দ্রুত রান তোলেন। কিন্তু শুরু হওয়া পতন আর

থামেনি। তৃতীয় ওভারেই আরাফাত মিনহাস জিশানকে ফেরান, পরের ওভারেই হাবিবুরকে ফেরান সাদ মাসুদ। একের পর এক উইকেট হারিয়ে ১০ ওভারে ৫৩–৭—ম্যাচ তখন পাকিস্তানের ঘরে। সেখানে থেকে রাকিবুল হাসান–এসএম মেহরবের অসাধারণ ৩৭ রানের জুটি দলকে ৮৮ পর্যন্ত ওঠায়। ১৭তম ওভারে ড্যানিয়াল ভেঙে দেন প্রতিরোধ—মেহরব (১৯)–রাকিবুল (২৪) ফিরলে প্রয়োজন পড়ে নীচের সারির অলৌকিক কিছু। আর তা প্রায় অসম্ভবকেও বাস্তবে রূপ দিয়েছিলেন সাকলাইন–রিপন। শাহিদ আজিজের ওভারে তিন ছক্কা—স্টেডিয়াম তখন দুলছিল। ১৯তম ওভারে দল পৌঁছায় ১১৮–৯। শেষ ওভারে ৭ রানে ফিনিশ করার সুযোগ ছিল, কিন্তু হয়নি—হয়েছে রুদ্ধশ্বাস টাই। শাহিন্সের ইনিংসও শুরু হয়েছিল ধস দিয়ে—প্রথম বলেই ইয়াসির রানআউট, দ্বিতীয় ওভারে ফাইক আউট হয়ে ২–২। এরপর ঘোরি–সাদাকাতের ২৩ রানের

জুটি ভাঙেন রাকিবুল, জিশান ফেরান সাদাকাতকে (২৩)। আরাফাত (২৫)–ইরফান (৯) লড়াই করলেও সাকলাইন–রাকিবুল দুজনকেই ফেরান। সবচেয়ে বড় লড়াই দেন সাদ মাসুদ—২৬ বলে ৩৮, তিন চার–তিন ছয়ে দলকে ১০০ পের করান। শেষাংশে রিপন মণ্ডলের দারুণ স্পেল (৩ উইকেট) ও সাকলাইনের ধারাবাহিক আঘাতে পাকিস্তান থামে ১২৫–৯। এই দলটাই প্রমাণ করে দিল—সংকটে পড়েও শেষ পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার সাহসই তাদের শক্তি। সুপার ওভারে হারলেও ম্যাচজুড়ে যে মানসিকতা দেখিয়েছে, তা ভবিষ্যতের জন্য বড় আশার আলো। দোহা রাতটা শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের হলেও, বাংলাদেশের ক্রিকেটের উঠতি তারকারা জানিয়ে দিল—মঞ্চটা খুব শিগগিরই তাদের হয়ে উঠবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
১৭ মাসে মাজারে ৯৭ হামলা, ৬১% ধর্মীয় মতবিরোধে চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় হামলায় ১০ সাংবাদিক আহত, গ্রেপ্তার ২ স্বাদের হালুয়া অ্যাসিডিটির সমস্যা কমান ঘরোয়া উপায়ে খাঁটি স্বর্ণ চেনার উপায় সূর্যের শক্তিতে চলে খুদে গাড়ি গণপরিষদ নির্বাচন নিয়ে দেশের রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়ছে দেশদ্রোহী ইউনুসের শেষ সময়ের মহাডাকাতি ইউনূসের আয়নায় নিজের মুখ: বাংলাদেশের আসল জালিয়াত কে? জামায়াতের আমীরের ইতিহাস বিকৃতি, বিপজ্জনক রাজনীতির পুরোনো কৌশল ফ্যাসিস্ট ইউনূস গংদের আজ্ঞাবহ আদালতের তথাকথিত রায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ক্যাঙ্গারু কোর্টের রায়ে আইনের অপমান: বঙ্গবন্ধু পরিবারকে টার্গেট করে দখলদার শাসনের নগ্ন রাজনৈতিক প্রতিহিংসা সংস্কার নয়, ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার ফন্দি ইউনুস গংয়ের : রেহমান সোবহানের বক্তব্য স্বীকারোক্তি নাকি সমালোচনা? On Both Sides of the Prison Gate: Bangladesh 2.0 গনপরিষদ নাকি মাইনাস – 2 ? জামায়েতের দুই নীতি নারী এবং মুক্তিযুদ্ধ ভীতি শেখ হাসিনার সঙ্গে জেফ্রি এপস্টিনের অ্যাসিস্ট্যান্টের কোনো গোপন বিষয়ে একমত হওয়ার দাবিটি ভুয়া। গণভোটের ব্যালটে নেই কোন সিরিয়াল নম্বর, গণভোটের নামে মুক্তিযুদ্ধের সংবিধান পরিবর্তনের গভীর ষড়যন্ত্রের এক নীল নকশা ক্ষমতার আড়ালে পৈশাচিকতা: এপস্টাইন ফাইলস ও সভ্যতার খসে পড়া মুখোশ ৫ আগস্ট-পরবর্তী ৯১.৭% সহিংসতার সঙ্গে বিএনপি সম্পৃক্ত, ২০.৭%-এর সঙ্গে আ.লীগ: টিআইবি