ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রেমিট্যান্স ইতিহাসে নতুন রেকর্ড
সরকারের গম কিনতে বাড়তি ব্যয় ৫৪ কোটি টাকা
সিগারেটের দাম বাড়ানোর ইঙ্গিত এনবিআর চেয়ারম্যানের
৩১ মার্চ : আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ
মালয়েশিয়া থেকে এলো ৩০ হাজার টন ডিজেল
ঋণের লাগামহীন বিস্তার: দেড় বছরে অভ্যন্তরীণ দেনা বেড়েছে পৌনে ৩ লাখ কোটি টাকা
ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে ভারতীয় রুপির দর
পুঁজিবাজারে টানা ধস, আস্থার সংকটে বিনিয়োগকারীরা
সপ্তাহের শুরু থেকেই ধারাবাহিক দরপতনের মধ্যে আটকে আছে দেশের পুঁজিবাজার। প্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। অধিকাংশ শেয়ারের দাম কমে যাওয়ায় বাজারজুড়ে নেতিবাচক প্রবণতাই প্রাধান্য পেয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, নীতিগত অস্থিরতা, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সীমিত উপস্থিতি এবং গুজবনির্ভর লেনদেন—এসব কারণ একসঙ্গে কাজ করায় বাজারে এই ধারাবাহিক পতন দেখা যাচ্ছে।
তারা মনে করেন, টেকসই স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে হলে কেবল সাময়িক পদক্ষেপ নয়, বরং স্বচ্ছতা বাড়ানো, কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার মোট ৩৯৩টি কোম্পানির প্রায় ৩০ কোটি ৪৪ লাখ শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন
হয়েছে। এতে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৬৪ কোটি টাকা। দিনশেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৪১ পয়েন্টের বেশি কমে ৫ হাজার ২৩ পয়েন্টে নেমে এসেছে। একইভাবে ডিএসই-৩০ সূচক প্রায় ১৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৭৯ পয়েন্টে। শরিয়াহভিত্তিক ডিএসইএস সূচকও ৫ পয়েন্টের বেশি হারিয়ে ১ হাজার ৬১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১১১টির, বিপরীতে কমেছে ২৩১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫১টির শেয়ারদর—যা বাজারের সামগ্রিক দুর্বলতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। লেনদেনের শীর্ষে ছিল একমি পেস্টিসাইড, ওরিয়ন ইনফিউশন, ব্র্যাক ব্যাংক, ইনটেক লিমিটেড, টেকনোড্রাগ, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স, খান ব্রাদার্স, এশিয়াটিক ল্যাব, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট ও ফাইন ফুডস। দাম বৃদ্ধির তালিকায় এগিয়ে ছিল খান ব্রাদার্স,
ইনটেক লিমিটেড, আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, আইএসএন লিমিটেড, এপেক্স ট্যানারি, এনার্জিপ্যাক পাওয়ার, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স, কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ, ড্রাগন সুয়েটার ও এশিয়াটিক ল্যাব। অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি দরপতন হয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স, এফএএস ফাইন্যান্স, ফার্স্ট ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং, বিআইএফসি, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, প্রিমিয়ার লিজিং, ফ্যামিলিটেক্স, রিসাইন ও বে-লিজিংয়ের শেয়ারে। একই চিত্র দেখা গেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই)। সেখানে সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২০৫ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৫৭৯ পয়েন্টে নেমেছে। ১৯৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ৫৩টির, কমেছে ১২৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬টির শেয়ারদর। সিএসইতে দিনশেষে প্রায় ৪৫ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় কম।
হয়েছে। এতে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৬৪ কোটি টাকা। দিনশেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৪১ পয়েন্টের বেশি কমে ৫ হাজার ২৩ পয়েন্টে নেমে এসেছে। একইভাবে ডিএসই-৩০ সূচক প্রায় ১৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৭৯ পয়েন্টে। শরিয়াহভিত্তিক ডিএসইএস সূচকও ৫ পয়েন্টের বেশি হারিয়ে ১ হাজার ৬১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১১১টির, বিপরীতে কমেছে ২৩১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫১টির শেয়ারদর—যা বাজারের সামগ্রিক দুর্বলতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। লেনদেনের শীর্ষে ছিল একমি পেস্টিসাইড, ওরিয়ন ইনফিউশন, ব্র্যাক ব্যাংক, ইনটেক লিমিটেড, টেকনোড্রাগ, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স, খান ব্রাদার্স, এশিয়াটিক ল্যাব, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট ও ফাইন ফুডস। দাম বৃদ্ধির তালিকায় এগিয়ে ছিল খান ব্রাদার্স,
ইনটেক লিমিটেড, আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, আইএসএন লিমিটেড, এপেক্স ট্যানারি, এনার্জিপ্যাক পাওয়ার, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স, কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ, ড্রাগন সুয়েটার ও এশিয়াটিক ল্যাব। অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি দরপতন হয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স, এফএএস ফাইন্যান্স, ফার্স্ট ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং, বিআইএফসি, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, প্রিমিয়ার লিজিং, ফ্যামিলিটেক্স, রিসাইন ও বে-লিজিংয়ের শেয়ারে। একই চিত্র দেখা গেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই)। সেখানে সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২০৫ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৫৭৯ পয়েন্টে নেমেছে। ১৯৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ৫৩টির, কমেছে ১২৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬টির শেয়ারদর। সিএসইতে দিনশেষে প্রায় ৪৫ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় কম।



