
ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর

দাবি না মানলে ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক শিক্ষকদের আমরণ অনশন

সিলেট সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত ১, আহত ৪

জামালপুরে প্রতারণা মামলায় গুপ্ত সংগঠন শিবিরের সভাপতি গ্রেপ্তার

কুশিয়ারার সাদা বালি হরিলুট

হত্যাকাণ্ডের বৈধতা দিতে কনটেন্ট বানাতেন তৌহিদ আফ্রিদি

সংস্কারের নামে খোলা হলো ভালো রাস্তা, দুর্ভোগে ১৩ গ্রামের মানুষ

পরিচয় মিলেছে ভারতে গ্রেফতার বাংলাদেশি পুলিশ কর্মকর্তার
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলেছে ১২ কোটি ৯ লাখ টাকা

কিশোরগঞ্জ শহরের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদে ১০টি লোহার সিন্দুক ও ৩টি ট্রাঙ্কের দানবাক্স খোলা হয়েছে। গণনা শেষে ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার ২০৩ টাকা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে কতৃপক্ষ।
শনিবার (৩০ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে এ তথ্য জানিয়েছেন রূপালী ব্যাংক ও মসজিদ কমিটির সদস্যরা।
এর আগে ৪ মাস ১৮দিন পর শনিবার সকাল ৭টায় দানবাক্সগুলো খুলে ৩২ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। দুপুর আড়াইটা বিরতির সময় পর্যন্ত ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা গণনা করা হয়।
মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য, মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, পার্শ্ববর্তী জামিয়া এমদাদিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, রূপালী ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মাচারীসহ চার শতাধিক মানুষের একটি দল টাকা গণনার কাজে অংশ নিয়েছেন। তিন
মাস পর পর দানবাক্সগুলো খোলার কথা থাকলেও মাদ্রাসা-কলেজের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাজনিত কারণে এবার ৪ মাস ১৮ দিন পর দানবাক্স গুলো খোলা হয়। এ কারণে এবার নতুন করে বসানো হয়েছে আরও ৩টি দানবাক্স। এর আগেও অনিবার্য কারণে ৪ মাস ১২দিন পর চলতি বছরের ১২ এপ্রিল পাগলা মসজিদের দানবাক্সগুলো খুলে ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা পাওয়া যায়। এছাড়াও পাওয়া গিয়েছিল বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক এরশাদুল আহমেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজাবে রহমত ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান
চৌধুরী, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলীর উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এছাড়াও বিপুল সংখ্যক সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্য উপস্থিত ছিলেন। মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খান বলেন, আমরা দানবাক্স থেকে প্রাপ্ত টাকায় পাগলা মসজিদ কমপ্লেক্সের মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানার এবং শিক্ষক-কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন-ভাতাদি নির্বাহের পাশাপাশি অন্য মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা এমনকি দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থী ও দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত লোকজনকে সহায়তা করে থাকি। তবে, পাগলা মসজিদ কমপ্লেক্সটিকে একটি আন্তর্জাতিক মানের সর্বাধুনিক ইসলামিক কমপ্লেক্স তৈরির মাস্টারপ্ল্যানও হাতে নিয়েছি। এজন্য পাগলা মসজিদের তহবিলে ইতোমধ্যেই ৯১ কোটি টাকা জমা আছে। কিশোরগঞ্জ শহরের মাঝপথ দিয়ে প্রবাহিত নরসুন্দা নদী সংলগ্ন হারুয়া এলাকায় অবস্থিত প্রায় দু'শ
বছরের অধিক সময়ের পুরোনো এ পাগলা মসজিদ। শহরের হয়রত নগর জমিদার বাড়ির পূর্ব পুরুষ আধ্যাত্মিক সাধক-পাগল হিসাবে পরিচিত জিল কদর খান এক সময় নরসুন্দা নদীর মাঝপথে জেগে ওঠা উঁচু টিলাতে তার আস্তানা গড়ে তুলেন। তার দেহাবসানের পর আস্তানাটি মসজিদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মসজিদটি এ কারণে সারা দেশের মানুষের কাছে পাগলা মসজিদ হিসাবে পরিচিত হয়ে ওঠে। এখন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশবিদেশের মানুষের আস্থা-বিশ্বাসের শেষ ঠাঁই হিসেবে বিবেচিত হয়ে উঠেছে এ মসজিদ।
মাস পর পর দানবাক্সগুলো খোলার কথা থাকলেও মাদ্রাসা-কলেজের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাজনিত কারণে এবার ৪ মাস ১৮ দিন পর দানবাক্স গুলো খোলা হয়। এ কারণে এবার নতুন করে বসানো হয়েছে আরও ৩টি দানবাক্স। এর আগেও অনিবার্য কারণে ৪ মাস ১২দিন পর চলতি বছরের ১২ এপ্রিল পাগলা মসজিদের দানবাক্সগুলো খুলে ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা পাওয়া যায়। এছাড়াও পাওয়া গিয়েছিল বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক এরশাদুল আহমেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজাবে রহমত ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান
চৌধুরী, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলীর উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এছাড়াও বিপুল সংখ্যক সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্য উপস্থিত ছিলেন। মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খান বলেন, আমরা দানবাক্স থেকে প্রাপ্ত টাকায় পাগলা মসজিদ কমপ্লেক্সের মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানার এবং শিক্ষক-কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন-ভাতাদি নির্বাহের পাশাপাশি অন্য মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা এমনকি দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থী ও দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত লোকজনকে সহায়তা করে থাকি। তবে, পাগলা মসজিদ কমপ্লেক্সটিকে একটি আন্তর্জাতিক মানের সর্বাধুনিক ইসলামিক কমপ্লেক্স তৈরির মাস্টারপ্ল্যানও হাতে নিয়েছি। এজন্য পাগলা মসজিদের তহবিলে ইতোমধ্যেই ৯১ কোটি টাকা জমা আছে। কিশোরগঞ্জ শহরের মাঝপথ দিয়ে প্রবাহিত নরসুন্দা নদী সংলগ্ন হারুয়া এলাকায় অবস্থিত প্রায় দু'শ
বছরের অধিক সময়ের পুরোনো এ পাগলা মসজিদ। শহরের হয়রত নগর জমিদার বাড়ির পূর্ব পুরুষ আধ্যাত্মিক সাধক-পাগল হিসাবে পরিচিত জিল কদর খান এক সময় নরসুন্দা নদীর মাঝপথে জেগে ওঠা উঁচু টিলাতে তার আস্তানা গড়ে তুলেন। তার দেহাবসানের পর আস্তানাটি মসজিদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মসজিদটি এ কারণে সারা দেশের মানুষের কাছে পাগলা মসজিদ হিসাবে পরিচিত হয়ে ওঠে। এখন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশবিদেশের মানুষের আস্থা-বিশ্বাসের শেষ ঠাঁই হিসেবে বিবেচিত হয়ে উঠেছে এ মসজিদ।