ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আমিরাতে হামলার পর বাড়ল তেলের দাম
দেড় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন স্বর্ণের বাজার
আসন্ন বাজেটে বাড়ানো হচ্ছে নিত্যপণ্যের ওপর করের বোঝা: কী আছে স্বল্প আয়ের মানুষের ভাগ্যে?
ই-লোন কী, কীভাবে নেওয়া যায়?
আসন্ন বাজেটে বাড়ানো হচ্ছে নিত্যপণ্যের ওপর করের বোঝা: কী আছে স্বল্প আয়ের মানুষের ভাগ্যে?
মাছ-মাংস, ডিম-সবজির দাম নাগালের বাইরে, সাধারণের দুর্ভোগ চরমে
দেশের বাজারে কমল স্বর্ণের দাম
নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী ১ মে মহান শ্রমিক দিবসে সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সংগঠনটির পক্ষ পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচির কথা জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের মূখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলীর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মাহমুদুল হাসানের সঞ্চালনায় ঈদ পরবর্তী সাংগঠনিক আলোচনা ও পে-স্কেলের গেজেট বাস্তবায়ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভাপতির বক্তব্যে মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলী বলেন, ১১ বছর ধরে নতুন পে স্কেল না দেওয়ায় কর্মচারীরা ঋণে জর্জরিত, তাদের জীবন চালানো কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে, গত ১১ বছরের মূল্যস্ফীতি ও
বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির মধ্যে কোনো সমন্বয় না থাকায় কর্মচারীরা এখন ক্ষুধার জ্বালায় জর্জরিত, তাদের রাতের আঁধারে রিকশা চালাতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ও বিগত অন্তর্বর্তী সরকার আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। আমরা বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কাছে এখন দ্রুত পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি। সভায় আলোচনা শেষে তারা তিনটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। সেগুলো হলো - ১. ৫ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা বাকি বিভাগগুলোতে করা হবে। ২. একই সময়ে যে সব এমপি ও মন্ত্রীদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়নি তাদের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের চেষ্টা করা হবে। ৩. পহেলা মে জাতীয় শ্রমিক দিবসে প্রেসক্লাব
থেকে র্যালি বের করে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে কর্মচারী সমাবেশ করা হবে। এর মধ্যেও পে-স্কেলের গেজেট বাস্তবায়ন না হলে সেই সমাবেশ থেকে ধারাবাহিক বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির মধ্যে কোনো সমন্বয় না থাকায় কর্মচারীরা এখন ক্ষুধার জ্বালায় জর্জরিত, তাদের রাতের আঁধারে রিকশা চালাতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ও বিগত অন্তর্বর্তী সরকার আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। আমরা বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কাছে এখন দ্রুত পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি। সভায় আলোচনা শেষে তারা তিনটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। সেগুলো হলো - ১. ৫ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা বাকি বিভাগগুলোতে করা হবে। ২. একই সময়ে যে সব এমপি ও মন্ত্রীদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়নি তাদের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের চেষ্টা করা হবে। ৩. পহেলা মে জাতীয় শ্রমিক দিবসে প্রেসক্লাব
থেকে র্যালি বের করে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে কর্মচারী সমাবেশ করা হবে। এর মধ্যেও পে-স্কেলের গেজেট বাস্তবায়ন না হলে সেই সমাবেশ থেকে ধারাবাহিক বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।



