ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ফসলহানির শঙ্কা
শীর্ষ সন্ত্রাসীরা ফের তৎপর
বিমানবন্দরের রানওয়ে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে
যুক্তরাজ্যের ‘ইয়াং লিডারস অ্যাওয়ার্ড’ পাচ্ছেন ৪ বাংলাদেশি
সংসদের কেনাকাটায় ‘হরিলুট’ তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন
চট্টগ্রামে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ লেখাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ
লক্ষ্য আন্দোলনে লাশ বৃদ্ধি স্নাইপারের গুলির জোগানদাতা বরখাস্ত কর্নেল হাসিনুর!
নগরে আগুন লাগলে দেবালয় এড়ায় না’ – সংবাদপত্রের ওপর আক্রমণ ও দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা
ডেস্ক রিপোর্ট:
দেশের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর ওপর আক্রমণ এবং বিদ্বেষপূর্ণ আচরণের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে সাম্প্রতিক একটি আলোচনায়। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত বক্তারা সবাইকে নীরবতা ভেঙে কথা বলার আহ্বান জানিয়েছেন।
আলোচনার শুরুতে 'দ্য ডেইলি স্টার'-এর প্রসঙ্গ উঠে আসে। সেখানে বলা হয়, পত্রিকাটিকে কেউ কেউ নেতিবাচকভাবে 'দিল্লি স্টার' বলে আখ্যায়িত করছে এবং প্রতিষ্ঠানটিতে হামলার ঘটনাও ঘটছে। এ বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হয় যে, আসলে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নিচ্ছে।
এর জবাবে আলোচনায় অংশ নেওয়া অপর বক্তা রুমিন ফারহানা পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরে বলেন, ডেইলি স্টারের নাম তবু উচ্চারণ করা যাচ্ছে, কিন্তু দেশের অন্যতম শীর্ষ পত্রিকা 'প্রথম
আলো'কে বর্তমানে যেই কুরুচিপূর্ণ নামে ডাকা হচ্ছে, তা উচ্চারণযোগ্য নয়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, "বাংলাদেশটাকে আমরা কোথায় নিচ্ছি? কাদের হাতে তুলে দিচ্ছি? কারা বাংলাদেশটাকে চালাতে চাইছে এবং কোন পথে?" তিনি শঙ্কা প্রকাশ করেন যে, দেশ যে পথে এগোচ্ছে, সেই পথে সাধারণ নাগরিকদের টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। বর্তমানে যারা চুপ আছেন এবং নিজেদের নিরাপদ মনে করছেন, তাদের সতর্ক করে ওই বক্তা বলেন, "নগরে আগুন লাগলে দেবালয় এড়ায় না।" অর্থাৎ, বিপর্যয় নেমে এলে কেউ তা থেকে রেহাই পাবে না। আলোচনার শেষ পর্যায়ে নাগরিকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। তিনি বলেন, "Raise your voice (কণ্ঠ উঁচুন)। যেভাবে পারেন, যতটুকু পারেন—ফেসবুকে লিখুন, কথা বলুন। Speak up
and Wake up (কথা বলুন এবং জেগে উঠুন)।" সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই কথোপকথনটি ছড়িয়ে পড়ার পর তা নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
আলো'কে বর্তমানে যেই কুরুচিপূর্ণ নামে ডাকা হচ্ছে, তা উচ্চারণযোগ্য নয়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, "বাংলাদেশটাকে আমরা কোথায় নিচ্ছি? কাদের হাতে তুলে দিচ্ছি? কারা বাংলাদেশটাকে চালাতে চাইছে এবং কোন পথে?" তিনি শঙ্কা প্রকাশ করেন যে, দেশ যে পথে এগোচ্ছে, সেই পথে সাধারণ নাগরিকদের টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। বর্তমানে যারা চুপ আছেন এবং নিজেদের নিরাপদ মনে করছেন, তাদের সতর্ক করে ওই বক্তা বলেন, "নগরে আগুন লাগলে দেবালয় এড়ায় না।" অর্থাৎ, বিপর্যয় নেমে এলে কেউ তা থেকে রেহাই পাবে না। আলোচনার শেষ পর্যায়ে নাগরিকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। তিনি বলেন, "Raise your voice (কণ্ঠ উঁচুন)। যেভাবে পারেন, যতটুকু পারেন—ফেসবুকে লিখুন, কথা বলুন। Speak up
and Wake up (কথা বলুন এবং জেগে উঠুন)।" সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই কথোপকথনটি ছড়িয়ে পড়ার পর তা নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।



