দেড় বছরে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে আরও ১ লাখ ৫০ হাজার রোহিঙ্গা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১১ জুলাই, ২০২৫

দেড় বছরে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে আরও ১ লাখ ৫০ হাজার রোহিঙ্গা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১১ জুলাই, ২০২৫ |
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের মুখে গত দেড় বছরে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে আরও ১ লাখ ৫০ হাজার রোহিঙ্গা। আজ শুক্রবার জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর এ তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারে চলমান সংঘাত এবং বিশেষ করে রাখাইন রাজ্যকে লক্ষ্যবস্তু করায় হাজার হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছে। ২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নের মুখে সাড়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। গত কয়েক মাসে এ সংখ্যা আরও বেড়েছে। ইউএনএইচসিআর ও অন্যান্য দাতা সংস্থা এসব শরণার্থীকে মানবিক সহায়তা দিতে কাজ করে যাচ্ছে। ইউএনএইচসিআর বলছে, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে উদারভাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে আসছে

বাংলাদেশ। কক্সবাজারে মাত্র ২৪ বর্গকিলোমিটারে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। দেড় বছরে আরও দেড় লাখ যুক্ত হয়েছে। ফলে এলাকাটি বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ স্থানের একটিতে পরিণত হয়েছে। নতুন করে বাংলাদেশে প্রবেশ করা এসব রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মধ্যে প্রায় ১ লাখ ২১ হাজার জনের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউএনএইচসিআর। এসব শরণার্থীর বেশিরভাগই নারী ও শিশু। এদের অধিকাংশই জনাকীর্ণ শরণার্থী শিবিরগুলোতে বসবাস করছে। সংস্থাটি বলছে, শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা মূলত সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। ফলে নতুন করে শরণার্থী যোগ হওয়ায় সংকট দেখা দিয়েছে। যারা নিবন্ধিত শরণার্থী তাদের মানবিক সহায়তা প্রদান করছে দাতা সংস্থাগুলো। তবে, যারা নিবন্ধনের আওতায় আসেনি; তাদের কাছে খাবার, চিকিৎসা

সেবা, শিক্ষা ও প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রীসহ মৌলিক পরিষেবা পৌঁছানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে স্বেচ্ছাসেবকদের। ইউএনএইচসিআরের শঙ্কা, বর্তমানে বৈশ্বিক সহায়তা তহবিল তীব্র সংকটের মধ্যে রয়েছে। এ অবস্থায় নতুন শরণার্থী বৃদ্ধি পেলে জরুরি পরিষেবা শৃঙ্খল ভেঙে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। শিগগির অতিরিক্ত তহবিল নিশ্চিত না করা হলে, সেপ্টেম্বরের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে এবং প্রয়োজনীয় রান্নার জ্বালানি (এলপিজি) ফুরিয়ে যাবে। ডিসেম্বরের মধ্যে খাদ্য সহায়তা বন্ধ হয়ে যাবে। এছাড়া প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার শিশুর শিক্ষাসুবিধা বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। আর এদের মধ্যে প্রায় ৬৩ হাজার নতুন করে বাংলাদেশে আসা শিশু। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর ও মানবিক সহায়তা প্রদানকারী সংস্থাগুলো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বাংলাদেশ ও এই অঞ্চলের

অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে সংহতি প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা না আসা পর্যন্ত এবং নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের পরিবেশ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ইয়ামাল নাকি এমবাপ্পে: ৩০০ কোটি ডলারের ম্যাচে শেষ হাসি হাসবে কে? সেমিতে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড লড়াইয়ে রেফারির দায়িত্ব পেলেন যিনি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়ে রাজকীয় জুয়ার আসরে নেইমার! আজ রাতেই শুরু সেমির মহারণ, লড়বে স্পেন-ফ্রান্স এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, একজনের মৃত্যুদণ্ড এবার ঢাকা বোর্ড ঘেরাও করলো শিক্ষার্থীরা ভারত-নেপাল সীমান্তে আটক মার্কিন নাগরিক, পরিচয় নিয়ে রহস্য! শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে টাঙ্গাইলে মহাসড়ক অবরোধ, দেড় ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ বৃষ্টিতে পরীক্ষা নেওয়ায় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে সাইন্সল্যাবে অবরোধ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে যশোরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ কক্সবাজারে বন্যা ও পাহাড়ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩ এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানালো আন্তঃশিক্ষা বোর্ড হুথিদের অভিযোগের তির এবার সৌদির দিকে! বৃষ্টি নিয়ে আবারও দুঃসংবাদ দিলো আবহাওয়া অফিস ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামের ‘আসক্তিকর ডিজাইন’ বদলাতে কড়া নির্দেশ ইইউ’র বিশ্ববাজারে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন, দেশে ভরি কত? বৃষ্টির দিনে এইচএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত সাড়ে ১৯ হাজার পরিক্ষার্থী মালয়েশিয়ায় বয়লার বিস্ফোরণে বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত সেমিফাইনালের আগে আর্জেন্টাইন শিবিরে ইনজুরি শঙ্কা বিশ্বকাপে ফিফার তালিকা থেকে বাদ পড়া রেফারির রহস্যজনক মৃত্যু