ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
*নির্বাচনী চাপে দায়িত্ব পালনের ফলে চিকিৎসার সুযোগ না পেয়ে মৃত্যু: ইউএনও ফেরদৌস আরার মৃত্যু ঘিরে গুরুতর প্রশ্ন
চবি ল্যাবরেটরি কলেজে উপেক্ষিত যোগ্যতা, প্রশ্নের মুখে নিয়োগ বোর্ড লবিংয়ের কাছে হার মানল যোগ্যতা চবি ল্যাবরেটরি কলেজে নিয়োগবঞ্চিত উচ্চশিক্ষিত প্রার্থী
আত্মশুদ্ধি, মানবপ্রেম ও ঐতিহ্যের মহামিলন
রাজধানীতে আজ কোথায় কী
বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ
কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই, ৫ পুলিশ হাসপাতালে
দুধ দিয়ে গোসল করে জুয়া খেলা ছাড়লেন যুবক
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদিতে দুধ দিয়ে গোসল করে জুয়া খেলা ছাড়লেন আল আমিন (৩০) নামে এক যুবক। সোমবার (০১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার কটিয়াদি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনায় ঘটে।
গোসলের সেই মুহূর্তে ধারণ করা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। আল আমিন আচমিতা ইউনিয়নের অষ্টগড়িয়া এলাকার সুলতান উদ্দিনের ছেলে।
জানা যায়, আল আমিন পেশায় একজন পিকআপচালক। পাশাপাশি দুটি টমটম ও দুটি পিকআপের মালিক। গত এক বছর ধরে অনলাইনে জুয়া-নাইন অ্যাপসের মাধ্যমে জুয়া খেলে এখন পর্যন্ত ৮ লাখ টাকা হেরেছেন। শুধু তাই নয় জুয়ার নেশায় তার একটি টমটম ও পিকআপ বিক্রি করে দিয়েছেন। এখন প্রায় নিঃস্ব হয়ে গেছেন।
আল আমিনের চাচা এখলাস মিয়া জানান, লিমন আমার সাথে আগে
মেশিনারিজের ব্যবসা করত। কর্মট থাকায় মেশিনের ইঞ্জিন চালিত টমটম ও পিকআপ ক্রয় করে। ভালোই চলছিল তার সংসার। গত এক বছরে অনলাইন জুয়ায় আসক্ত হয়ে দুটি গাড়ি বিক্রি করে দেয়। এখন অর্থনৈতিকভাবেও দুর্বল হয়ে গেছে। আমাদের কাছে এখন কথা দিয়েছে আর কোনোদিন জুয়া খেলবে না। এ কারণে দুপুরে কটিয়াদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় লিমন মিস্ত্রির গ্যারেজের সামনে ৬ কেজি দুধ দিয়ে গোসল করেছে। আমরাও দোয়া করি সে আর জুয়া খেলায় যেন না যায়। আল আমিন জানায়, স্থানীয়দের কাছ থেকে অনলাইন জুয়া খেলা শিখেছি। তাদের খেলা দেখে আমিও খেলেছি। আমি পিকআপ চালাই। জুয়া খেলে আমার জীবন শেষ। গত এক বছরে আমার ৮ লাখ টাকা গেছে।
আমার ৪টি গাড়ির মধ্যে ২টি গাড়ি বিক্রি করেছি। আমি সবার কাছে দোয়া চাই । আমি যত দিন বেঁচে থাকব ততদিন আর কোনোদিন জুয়া খেলব না।
মেশিনারিজের ব্যবসা করত। কর্মট থাকায় মেশিনের ইঞ্জিন চালিত টমটম ও পিকআপ ক্রয় করে। ভালোই চলছিল তার সংসার। গত এক বছরে অনলাইন জুয়ায় আসক্ত হয়ে দুটি গাড়ি বিক্রি করে দেয়। এখন অর্থনৈতিকভাবেও দুর্বল হয়ে গেছে। আমাদের কাছে এখন কথা দিয়েছে আর কোনোদিন জুয়া খেলবে না। এ কারণে দুপুরে কটিয়াদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় লিমন মিস্ত্রির গ্যারেজের সামনে ৬ কেজি দুধ দিয়ে গোসল করেছে। আমরাও দোয়া করি সে আর জুয়া খেলায় যেন না যায়। আল আমিন জানায়, স্থানীয়দের কাছ থেকে অনলাইন জুয়া খেলা শিখেছি। তাদের খেলা দেখে আমিও খেলেছি। আমি পিকআপ চালাই। জুয়া খেলে আমার জীবন শেষ। গত এক বছরে আমার ৮ লাখ টাকা গেছে।
আমার ৪টি গাড়ির মধ্যে ২টি গাড়ি বিক্রি করেছি। আমি সবার কাছে দোয়া চাই । আমি যত দিন বেঁচে থাকব ততদিন আর কোনোদিন জুয়া খেলব না।



