ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিরতিতে আনচেলত্তির যে বার্তাতে বদলে যায় ব্রাজিল, জানালেন ক্যাসেমিরো
মাথা ঝুঁকিয়ে সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন জাপানের কোচ
মার্তিনেল্লির গোলে রোমাঞ্চকর জয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল
পাঁচ কারণে জাপানকে হারানো কঠিন হবে ব্রাজিলের জন্য
টেকনিক নয়, টাইব্রেকারের ‘লটারি’ জিততে একটি দর্শনে বিশ্বাসী আনচেলত্তি
নেইমারকে নিয়ে রোনালদো— ‘যারা তাকে বিশ্বাস করেনি, তাদের মুখ বন্ধ করার সুযোগ এটা’
জাপান ম্যাচে ব্রাজিলিয়ানদের ‘মন বসছে না অফিসের টেবিলে’
দরকার হলে ২০০ কি. মি. গতিতে বল করব: শাহীন আফ্রিদি
পাকিস্তানের পেসারদের সাম্প্রতিক ফর্ম ও বোলিং গতি নিয়ে যখন চারদিকে সমালোচনার ঝড়, ঠিক তখনই স্বভাবসুলভ রসিকতায় সেই চাপ উড়িয়ে দিলেন তারকা পেসার শাহীন শাহ আফ্রিদি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি মজা করে বলেন, দরকার হলে তিনি নাকি ২০০ কিলোমিটার গতিতেও বল করার চেষ্টা করবেন!
সম্প্রতি বাংলাদেশের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ২-০ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ হারে পাকিস্তান। সেই সিরিজে পাকিস্তানি পেসারদের ধারহীন পারফরম্যান্স এবং গড় গতি ১৩০ কি. মি.-এর ঘরে নেমে আসা নিয়ে ক্রিকেটপ্রেমী ও বিশেষজ্ঞদের মাঝে তুমুল সমালোচনা চলছে। তবে আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগে এই গতি বিতর্ককে খুব একটা গায়ে মাখছেন না আফ্রিদি।
গতি কমে যাওয়ার পেছনে বোলারদের
অতিরিক্ত ওয়ার্কলোড ও ক্লান্তিকেই মূল কারণ হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন তিনি। ফাস্ট বোলারদের একটি সচল মেশিনের সাথে তুলনা করে শাহীন বলেন— যখন ফাস্ট বোলিংয়ের কথা আসে, তখন মানুষকে বুঝতে হবে যে একটি মেশিন একটানা চলতে থাকলে সেটিরও একসময় রক্ষণাবেক্ষণ বা মেইনটেইন্যান্সের দরকার পড়ে। আমাদের কিছু পেসার গত কিছুদিনে প্রচুর ক্রিকেট খেলেছে। একজন খেলোয়াড় যখন পুরোপুরি সতেজ এবং পর্যাপ্ত বিশ্রামে থাকে, তখন স্বাভাবিকভাবেই সে বেশি শক্তি ও গতি নিয়ে বল করতে পারে। দেশের জন্য পাকিস্তানি পেসাররা সবসময় নিজেদের উজাড় করে দিতে প্রস্তুত উল্লেখ করে তিনি জানান, কীভাবে আবারও গতি ফিরিয়ে আনা যায় তা নিয়ে কোচ ও ম্যানেজমেন্টের সাথে মিলে তারা কাজ করছেন। সংবাদ সম্মেলনের
শেষভাগে এক সাংবাদিক শাহীনকে তাঁর ব্যক্তিগত বোলিং গতি নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি হেসে জবাব দেন, আপনি যদি ব্যক্তিগতভাবে আমার কথা জিজ্ঞেস করেন, তবে আপনার (তুষ্টির) জন্য আমি ২০০ কিলোমিটার গতিতে বল করার চেষ্টা করব!
অতিরিক্ত ওয়ার্কলোড ও ক্লান্তিকেই মূল কারণ হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন তিনি। ফাস্ট বোলারদের একটি সচল মেশিনের সাথে তুলনা করে শাহীন বলেন— যখন ফাস্ট বোলিংয়ের কথা আসে, তখন মানুষকে বুঝতে হবে যে একটি মেশিন একটানা চলতে থাকলে সেটিরও একসময় রক্ষণাবেক্ষণ বা মেইনটেইন্যান্সের দরকার পড়ে। আমাদের কিছু পেসার গত কিছুদিনে প্রচুর ক্রিকেট খেলেছে। একজন খেলোয়াড় যখন পুরোপুরি সতেজ এবং পর্যাপ্ত বিশ্রামে থাকে, তখন স্বাভাবিকভাবেই সে বেশি শক্তি ও গতি নিয়ে বল করতে পারে। দেশের জন্য পাকিস্তানি পেসাররা সবসময় নিজেদের উজাড় করে দিতে প্রস্তুত উল্লেখ করে তিনি জানান, কীভাবে আবারও গতি ফিরিয়ে আনা যায় তা নিয়ে কোচ ও ম্যানেজমেন্টের সাথে মিলে তারা কাজ করছেন। সংবাদ সম্মেলনের
শেষভাগে এক সাংবাদিক শাহীনকে তাঁর ব্যক্তিগত বোলিং গতি নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি হেসে জবাব দেন, আপনি যদি ব্যক্তিগতভাবে আমার কথা জিজ্ঞেস করেন, তবে আপনার (তুষ্টির) জন্য আমি ২০০ কিলোমিটার গতিতে বল করার চেষ্টা করব!



